দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

রবি বিকালে গুড়াপে দুর্ঘটনায় মৃত বেহালার দুই বাসিন্দা, কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: যারা চলে গিয়েছেন, তাঁরা আর কোনওদিনই ফেরত আসবেন না। কিন্তু আগামী দিনে যাতে মৃত্যু মিছিল আটকানো যায় তার জন্য এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে পুলিশ প্রশাসন। নজরে হুগলি জেলার(Hooghly District) গুড়াপ(Gurap)। এই আধা শহরের বুক চিরে চলে গিয়েছে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে(Durgapur Expressway)। আর প্রতি মাসে সেই গুড়াপের বুকে এক্সপ্রেসওয়ের ওপর দুর্ঘটনায়(Accident) জীবন কাড়ছে একের পর একজনের। কখনও কখনও সেই দুর্ঘটনা এক ধাক্কায় একাধিক মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। কিছুদিন আগে সেখানে টোটো ও ডাম্পারের ধাক্কায় মারা গিয়েছিলেন ৭জন। গতকাল অর্থাৎ রথের দিনে সেই একই জায়গায় আরও এক দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন কলকাতার(Kolkata) বেহালা(Behala) এলাকার দুই বাসিন্দা। আর এই সব দুর্ঘটনার পিছনে অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসছে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ‘অবৈধ’ ভাবে ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখার ঘটনা। আর সেই কারণেই এবার দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ‘অবৈধ’ ভাবে ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে হুগলি জেলা পুলিশ প্রশাসন।

রবিবার বিকালে গুড়াপের বশিপুরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের কলকাতামুখী লেনের ধারে একটি দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা মারে তারাপীঠ ফেরত একটি গাড়ি। সেই গাড়িতে ছিলেন কলকাতার বেহালার বনমালী ঘোষাল লেনের বাসিন্দা সুমিতকুমার জানা (৫১), তাঁর শ্বাশুড়ি ইরা মান্না (৬৫), । সুমিতের স্ত্রী রমানিয়া, তাঁদের বড় ছেলে সৌরজিৎ ও ছোট ছেলে সৌরদীপ। গাড়ি চালাচ্ছিলেন সুমিত। ইরা ঠিক তাঁর পিছনে বসেছিলেন। বশিপুর এলাকায় একটি দাঁড়িয়ে থাকা লরির পিছনে সজরে ধাক্কা মারে তাঁদের গাড়ি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চার চাকার গাড়িটি লরির তলায় ঢুকে যায়। নিমেষে দুমড়ে মুচড়ে যায় চার চাকা গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সুমিত জানা আর ইরা মান্নার। বাকি ৩জন গুরুতর ভাবে জখম হওয়ায় তাঁদের বর্ধমানে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সেই ঘটনার পরে এবার কিছুটা হলেও নড়চড়ে বসতে বাধ্য হয়েছে হুগলি জেলা প্রশাসন। কেননা একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে গুড়াপের বুকে। আর সেটাও দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের ওপরে। সেই সব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসছে এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখার প্রবণতা। এর আগেও একাধিক বার এইভাবে ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখার জন্য গুড়াপে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার জেরে প্রাণহানির ঘটনাও হয়েছে। তার পরেও এক শ্রেণির চালকের ওই সড়কের ধারে ট্রাক দাঁড় করানোর প্রবণতা বন্ধ হচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ‘অবৈধ’ ভাবে ট্রাক দাঁড় করানো বন্ধ না করলে ওই পথে দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে না। আবার গাড়িচালকদের খেদ, এই এক্সপ্রেসওয়েতে যেখানে যাতায়ারের ক্ষেত্রে টোল গুণতে হয় সেখানে কেন রাস্তার ধারে ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখা হবে? যদিও হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশের একাংশের আধিকারিকদের দাবি, এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ট্রাক দাঁড় করানো ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি চলে। তা আরও বাড়ানো হবে। প্রয়োজনে তাঁরা এবার ট্রাক বাজেয়াপ্ত করা বা জরিমানা করার পথে হাঁটবেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কটি জেলায়, কত আসনে ভোট? প্রার্থী কারা, দেখে নিন এক ঝলকে

ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার ভাইপো, বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুনের

‘গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উৎসবকে সেনার শাসনে পরিণত করেছে বিজেপি,’ কড়া প্রতিক্রিয়া অভিষেকের

‘বিজেপি বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস জানে না,’ সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপ রাহুলের

নিশাচর কমিশন! ভোটের আগে গভীর রাতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে CEO মনোজ

বৃহস্পতি-শুক্রতে শহরে আসতে গেলে হাতে রাখুন অতিরিক্ত সময়, জানাচ্ছে কলকাতা পুলিশ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ