দুর্গাপুর রাজবাড়ির পুজো ইতিহার আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধন

দুর্গাপুর রাজবাড়িতে পুজো হচ্ছে শেষ ১০০ বছর ধরে। আগে এই পুজো হতো ইটাহার ব্লকেরই মহানন্দা নদীর তীরে থাকা চুড়ামন এলাকায়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তরবঙ্গের(North Bengal) উত্তর দিনাজপুর(Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জ সদর মহকুমার অধীনে রয়েছে ইটাহার(Itahar) ব্লক। সেই ইটাহার ব্লকের একটি গ্রাম হল দুর্গাপুর(Durgapur)। ওই দুর্গাপুর গ্রামেই জমিদারবাড়িতে পূজিত হন মা দুর্গা। সপরিবারেই। ইতিহাস বলে দুর্গাপুর রাজবাড়ি তৈরিরও আগে এই পুজোর সূচনা ঘটেছিল আফগান সম্রাট শের শাহের আমলে। সেই হিসাবে দেখা যাবে এই পুজো ৫০০ বছর অতিক্রম করে গিয়েছে। তবে দুর্গাপুর রাজবাড়িতে(Rajbari Puja) পুজো হচ্ছে শেষ ১০০ বছর ধরে। আগে এই পুজো হতো ইটাহার ব্লকেরই মহানন্দা নদীর তীরে থাকা চুড়ামন এলাকায়। কিন্তু সেই সময়কার জমিদার বাড়ি, দুর্গা দালান সবই চলে গিয়েছে মহানন্দার গর্ভে। তাই নতুন রাজবাড়ির নির্মাণ হয়ে দুর্গাপুরে। সেখানেই এখনও বাড়ির ঐতিহ্য ও নিয়ম বজায় রেখে করা হয় দুর্গাপুজো। আধুনিকতার দাপট ও কালের নিয়মে বর্তমানে এই পুজোর বাহুল্য অনেকটা কমে গেলেও ঐতিহ্যের ভারে আজও উজ্জ্বল এই পুজো।   

দুর্গাপুর রাজবাড়ি এক প্রকাণ্ড রাজবাড়ি যা এখনও জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান। অত্যন্ত সুদৃশ্য এই অট্টালিকায় বসবাস করেন জমিদার রায়চৌধুরী পরিবারের সদস্যরা। ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়, এই বংশের প্রথম পুরুষ জমিদার ঘনশ্যাম কুণ্ডু পূর্ববঙ্গের যশোর জেলা থেকে আকবরের রাজসভায় চাকরি নিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই পরবর্তীতে তিনি বাংলা ও পাশ্ববর্তী বিহার রাজ্যের বিরাট অংশ জুড়ে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই কারণে পরবর্তীতে রায়চৌধুরী পদবী পান ঘনশ্যামবাবুর বংশধররা। প্রথমাবস্থায় এই পুজো ইটাহার ব্লকের চুড়ামন এলাকায় হতো। মহানন্দা নদীর তীরের সেই জমিদার বাড়িতেই ঘনশ্যামবাবু প্রথম পুজোর প্রচলন করেন। পরবর্তীতে কৃষ্ণ রায়চৌধুরী, ভূপাল চন্দ্র রায়চৌধুরী এই পুজোর ঐতিহ্যকে বহন করে নিয়ে যান।

ভূপাল চন্দ্র রায়চৌধুরী যখন ছোট ছিলেন সেই সময় চুড়ামন জমিদারবাড়ি মহানন্দা নদীর ভাঙনের কবলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেজন্য তাঁদের পরিবার দুর্গাপুরে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। সেখানেই পরবর্তীতে তৈরি হয় এই প্রকাণ্ড জমিদারবাড়ি। যা আজও বর্তমান। আগে মহালয়ার দিন থেকেই দেবী বন্দনায় মেতে উঠতেন জমিদার পরিবারের সদস্যরা। দেবীর বোধনকালে জোড়া মোষ ও পাঁঠা বলির প্রথাও ছিল। কিন্তু এখন বলি প্রথা বন্ধ হয়ে গিয়েছে পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছেতেই। কিন্তু শুরুর সময় থেকে যে নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করা হতো এখনও তা বিদ্যমান। জমিদারবাড়ি চত্বরে নির্মিত মন্দিরে যে নিয়মে মায়ের মূর্তি তৈরি করা হতো, এখনও সেভাবেই করা হয়। অসুরের গায়ের রং ঘন সবুজ, দুর্গা প্রতিমার মাথার ওপর গঙ্গা, ব্রক্ষ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশ্বর অধিষ্ঠিত থাকে। দেবী দুর্গার দু’পাশে রাম ও লক্ষ্মণের মূর্তি থাকে।

ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন ‘গজিনি’ অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত

১ অক্টোবর থেকেই সরকারি কর্মীদের বাড়তি ডিএ, নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন

ঝরে পড়া চুল ফেলছেন যেখানে-সেখানে? সংসারে হঠাৎ নেমে আসতে পারে বিপদ

৯০ মিনিট জেরার পরে থানা থেকে ছাড়া পেলেন উদয়নিধি স্ট্যালিন

চিয়া, ফ্ল্যাক্স নাকি ইসবগুল, জেনে নিন ওজন কমাতে কোন ফাইবার শরীরের জন্য উপকারী?

‘তীব্র গরম থেকে বাঁচতে কুকুরের মাংস খান’, নাগরিকদের নিদান কিম সরকারের

‘সার্ভের পর আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্পে টাকা পাবেন ঠিকাদাররা,’ আশ্বাস দিলীপের

বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটিতে জুনিয়র রিসার্চ ফেলো নিয়োগ, জানুন আবেদনের পদ্ধতি

রাত পোহালেই ছয় জেলায় তুমুল বৃষ্টির পূর্বাভাস, জারি সতর্কতা

ফ্রান্সে দাবানলের পর মাটির তলা থেকে উদ্ধার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৪০০টিরও বেশি গোলা

‘রাহানে কখনও প্রাপ্য স্বীকৃতি পাননি’, কেকেআরের প্রাক্তন অধিনায়কের পাশে গাভাসকর

সঞ্চয়ের সর্বস্ব দিয়ে পাইকপাড়ায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, ‘ভিটেছাড়া’র নোটিশ পেল ৩০ পরিবার

প্রীতি জিন্টার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ব্রেট লি, কী বললেন অজি পেসার?

কাজলের গদি টলমল, জেলা পরিষদের সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা ১৯ তৃণমূল সদস্যের