চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

শাশুড়ির মৃত্যুর ৬ বছর পরে পোস্ট অফিসের না পাওয়া টাকা ফেরৎ পেলেন রুমা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পোস্ট অফিসের না পাওয়া টাকা পেলেন রুমা ভদ্র। সেই টাকাতেই এবার মেয়ের দিতে পারবেন রুমা। কিন্তু গোটা ব্যাপারটা ঠিক কী? আসলে নাতনির বিয়ের উদ্দেশ্যে ২০১৪ সালে পোস্টঅফিসে নিজ নামে ১০ হাজার টাকা রেখেছিলেন রুমা ভদ্রের শাশুড়ি অনুছায়া ভদ্র। নমিনি হিসেবে বৌমা রুমাকে রেখেছিলেম। কিন্তু ২০১৮ সালে শাশুড়ি অনুছায়া ভদ্রের আচমকাই মৃত্যুর পর বিপাকে পড়ে যান রুমা ভদ্র। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর দুই ব্লকের অন্তর্গত বেলিয়াবেড়া থানার চোরচিতা গ্রামের বাসিন্দা রুমা ভদ্র। কারণ পোস্ট অফিসের টাকা তুলতে গেলে পোস্ট অফিস কতৃপক্ষ জানান, যেহেতু তাঁর শাশুড়ির নামে টাকা রয়েছে, তাই ক্লেম করতে হলে শাশুড়ির মৃত্যুর শংসাপত্র লাগবে।

এদিকে রুমার শাশুড়ির মৃত্যুর সংসাপত্র রুমার ভাসুরের কাছে। কিন্তু তিনি মায়ের মৃত্যু সার্টিফিকেট দিতে চাননি। এরপর রুমা সমস্যার সমাধানের জন্য গোপীবল্লভপুর দুই ব্লকের “অধিকার মিত্র” রীতা দাস দত্তের মাধ্যমে ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব তথা বিচারক সুক্তি সরকারের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন। আর রুমার লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে রুজু হয় প্রি লিটিগেশান মামলা। মীমাংসার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য ডেকে পাঠানো হয় রুমার ভাসুরকে। এরপর প্রথম শুনানিতেই বিচারকের উপস্থিতিতে রুমার ভাসুর তাঁকে অনুছায়া দেবীর মৃত্যুর সার্টিফিকেট দিয়ে দেন।

এরপর রুমা শাশুড়ির মৃত্যু সার্টিফিকেট পেয়ে বিচারকের কাছে করেন যে, ‘আমি একজন মহিলা, আমার পায়ের সমস্যা রয়েছে, পোস্ট অফিস সম্বন্ধে আমার কোনও ধারণা নেই। আপনার কাছে একটাই অনুরোধ, আমি যাতে সমস্ত টাকা হাতে পাই তার সমস্ত ব্যবস্থা করে দিন।’ এরপর রুমার অনুরোধে বিচারক “অধিকার মিত্র” রীতাকে নির্দেশ দেন পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটি দ্রুত মিটানোর জন্য। অবশেষে রুমা শুক্রবার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে শাশুড়ির টাকা সুদ সমেত (২৪২০৩ টাকা) ফেরৎ পান। এরপর বুধবার ঝাড়গ্রাম জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের অফিসে এসে সচিব তথা বিচারক সুক্তি সরকারকে ধন্যবাদ জানান রুমা। তিনি জানান, ‘মেয়ের বিয়ে নিয়ে খুবই চিন্তায় ছিলাম, এই টাকা হাতে পাব না বলে আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। তবে গ্রামের কিছুজন আমাকে অধিকার মিত্র রীতার কথা বলেন, আমার ছয় বছরের অভিযোগ জানানোর তিন মাসের মধ্যেই সমাধান হল। এখন নিশ্চিন্তে মেয়ের বিয়ে দিতে পারব।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মালদায় ভোটারদের নজর কাড়ার মরিয়া চেষ্টা ইংরেজ বাজারের সিপিএম প্রার্থীর

‘গণতন্ত্রে বুলেট নয়, ব্যালট চলে’, কোচবিহার থেকে কড়া বার্তা মমতার

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

‘‌তৃণমূলের পার্টি অফিসে, প্রার্থীর বাড়িতে তল্লাশি করছে’‌, কোচবিহার থেকে তোপ মমতার

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ