আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘পরজীবী হয়ে বাঁচা যায় না’, ইয়াসেরকে কটাক্ষ ফিরহাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: শনি বিকালে দেখা গেল প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য কার্যালয় বিধান ভবনে অধীররঞ্জন চৌধুরীর(Adhirranjan Chowdhury) হাত থেকে কংগ্রেস পতাকা নিয়ে সোনিয়া গান্ধি-রাহুল গান্ধির দলে যোগ দিলেন ফিরহাদ হাকিমের(Firhad Hakim) জামাই ইয়াসের হায়দার(Yeasser Haider)। তৃণমূল(TMC) যুব কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক পদ ছেড়েই তাঁর কংগ্রেসে(INC) যোগদান। আর সেই যোগদান প্রসঙ্গে এদিনই পাল্টা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ইয়াসেরকে তীব্র কটাক্ষ হানলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই সঙ্গে কটাক্ষ হানলেন কংগ্রেসকে। একজনকে নিশানা বানালেন ‘পরজীবী’ বলে অন্যকে নিশানা বানালেন ‘আত্মীয়স্বজন নিয়ে যারা কারবার করে’ হিসাবে। দেশ থেকে বিজেপির শাসন মুছে দিতে যখন দেশের বেশির ভাগ বিজেপি(BJP) বিরোধী দল একছাতার তলায় এসেছে তখন সেই জোটেরই দুই প্রধান দলের এহেন ‘তু তু ম্যায় ম্যায়’ দেখে বেশ হাসছে গেরুয়া শিবির।

আরও পড়ুন তৃণমূলের বাতিল নেতাদের কাছে টানছে অধীরের কংগ্রেস

এদিন ফিরহাদ ইয়াসের প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার তো মনে হয় কংগ্রেস পার্টিটাই এবার উঠে যাবে। তার কারণ, এগুলো যারা করে, এই আত্মীয়স্বজন নিয়ে যারা কারবার করে তাঁরা আসলে দল করে না। কারোর পরিচয় হতে পারে যদি সে মনে করে সে ফিরহাদ হাকিমের লোক, ফিরহাদ হাকিমের আত্মীয়, এটা পরিচয় নয়। আমি নিজে ছোটবেলা থেকে আন্দোলন করে উঠে এসেছি, আমার নিজের একটা পরিচয় তৈরি করবো। পরজীবী হয়ে বাঁচা যায় না। আমার কোনও ভাবমূর্তি বা দলের কোনও ব্যাপার নয়। এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার মেয়ের সঙ্গে ওর পোষাচ্ছে না। অন্য অনেক স্টোরি আছে, সেগুলো ব্যক্তিগত যা আমি প্রেসের সামনে আলোচনা করতে চাই না। আর আমি ইন্টারেস্টেডও নই এই সব ব্যাপার নিয়ে।’ ফিরহাদের মেয়ে প্রিয়দর্শিনীর স্বামী ইয়াসের। তাঁর বিদেশ যাওয়া এবং সেই সফরে এক অভিনেত্রীর সঙ্গী হওয়ার বিষয় সামনে আসে। ইয়াসির একাধিক বার বিদেশ গিয়েছেন এবং তাঁর মারফত বিদেশে টাকা পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই নিয়ে প্রিয়দর্শিনীকে নোটিসও ধরায় Enforcement Directorate বা ED।

আরও পড়ুন কেষ্ট’র জন্মদিনেই আদালতে প্রশ্নের মুখে ED

শনিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর পাশে বসে ইয়াসেরকে সাংবাদিক বৈঠকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি আগে যে দলে ছিলাম, সেখানে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। কংগ্রেসে আসার ইচ্ছা ছিল বহুদিনের। অধীরদা আছেন এখানে। অনেক দিন ধরেই যোগাযোগ ছিল সৌমেন পালের সঙ্গে। কংগ্রেসে আসার একটাই কারণ, দলের সদস্য হয়ে কাজ করতে চাই। তৃণমূলে আমি রাজনীতিক হিসেবে নই, সমাজ সেবক হিসেবে পরিচিত ছিলাম। মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি কার প্রয়োজন। সেটা আমার রয়েছে। অধীরবাবুকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি।’ যদিও অনুপ্রেরণার সব থেকে বড় আকর বসে আছেন তৃণমূলেই। ইয়াসের তাঁকে দেখে অনুপ্রাণীত হলেন না। যিনি বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে গান গাইছেন তাঁকে দেখে অনুপ্রাণীত হলেন তিনি।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোট মিটতেই একলাফে সিলিন্ডার পিছু ৯৯৪ টাকা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন হবে, এখনও খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন

‘মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে,’ স্ট্রং রুম থেকে বেরিয়ে বললেন মমতা, ক্ষোভ পুলিশের ভূমিকায়

কালবৈশাখীর মধ্যেই ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের পাহারায় মমতা

তৃণমূলের EVM-বিকৃতির অভিযোগ খারিজ কমিশনের, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে মোতায়েন বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

কার দখলে থাকবে বাংলা? সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যেই পূর্বাভাস দেবে ইভিএম

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ