চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌বনধ নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’‌, মমতার নীতির সঙ্গে সহমত শশী থারুর

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ,‌ বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ২৪ ঘণ্টা সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাম শ্রমিক সংগঠনগুলি। বাংলায় সরকার গঠনের পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন, বনধ–ধর্মঘট বরদাস্ত করা হবে না। তাই বুধবারই তাঁর সরকার এই ব্যাপারে সাফ নির্দেশিকা জারি করেছিল। আজ দেখা গেল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই অবস্থানের সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন কংগ্রেস নেতা তথা কেরলের তিরুঅনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর। আজ এস পোস্টে দীর্ঘ পোস্ট করে বনধের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। যা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

এদিকে বাংলা থেকে বামফ্রন্ট সরকার বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বনধ–ধর্মঘটের সংস্কৃতি উঠে গিয়েছে। কিন্তু কেরল রাজ্যে এখনও বামফ্রন্টের সরকার রয়েছে। তাই সেখানে বনধও রয়েছে। এই বিষয়ে আজ শশী থারুর এক্স পোস্টে লিখেছেন, ‘‌এটা খুবই দুঃখজনক যে আজকের ভারত বন্ধ বাস্তবে শুধু আরেকটি কেরল বন্ধ। যদিও ভারতের বাকি অংশ এই ধরনের জবরদস্তিমূলক বিঘ্নের বাইরে চলে এসেছে, তবুও কেরল এখনও অসংগঠিত সংখ্যাগরিষ্ঠদের উপর সংখ্যালঘুদের এই সংগঠিত অত্যাচারের দ্বারা বন্দি। যারা অসংগঠিত সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের উপর একপ্রকার সংগঠিত অত্যাচার চালায়।’‌

 

অন্যদিকে বনধ যে কতটা কর্মনাশা এবং সর্বনাশা তা বাম শাসিত দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরলে দেখেছেন শশী। তাঁর স্নাতকস্তরে পড়াশুনা কলকাতাতেই। তাই তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই তো কংগ্রেস সাংসদ লেখেন, ‘‌রাজনীতিতে আসার পর থেকেই আমার অবস্থান অবিচল—আমি প্রতিবাদ করার অধিকারকে সমর্থন করি, কিন্তু বাধা দেওয়ার অধিকারকে নয়। কোনও ভারতীয়েরই অন্যের অবাধ চলাচলে বাধা দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার নেই। আমাদের জঙ্গি ইউনিয়নবাজির মাধ্যমে আমরা শিল্পকে দূরে ঠেলে দিয়েছি। এখন নাগরিকদের জোর করে তাঁদের নিজের বাড়িতে বন্দি করে রাখার এবং দোকানদারদের দোকান বন্ধ করতে বাধ্য করার এই পেশীশক্তির পূর্ববর্তী পদ্ধতিগুলিকে আঁকড়ে ধরে আমরা নিশ্চিত করছি যে, আমাদের রাষ্ট্র যুবসমাজ এবং উদ্যোগের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত থাকবে। এই আত্ম–ধ্বংসাত্মক অভ্যাসটি কাটিয়ে ওঠার এখনই উপযুক্ত সময়। আমরা সর্বদা এটিকে গঠনমূলক মতবিরোধ দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে পারি।’‌

এছাড়া শশীর বক্তব্য অনুযায়ী, ধর্মঘটের নামে গোটা রাজ্যকে অচল করে দেওয়া—দৈনন্দিন জীবন, বাণিজ্য, যাতায়াত স্তব্ধ করা—সাধারণ মানুষের স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত। কেরল ইতিমধ্যেই জঙ্গি ইউনিয়নবাজির কারণে বদনাম কুড়িয়েছে। যা কারখানার গণ্ডি ছাড়িয়ে রাস্তাঘাট ও বাড়ির ভিতর পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে। শশী থারুর ক্ষোভ উগরে দিয়ে লিখেছেন, ‘‌আসুন আমরা ভিন্নমত পোষণের অধিকারকে সম্মান করি, কিন্তু আসুন আমরা ভিন্নমত পোষণের অধিকার এবং কাজ ও ভ্রমণের স্বাধীনতাকেও দৃঢ়ভাবে রক্ষা করি। প্রতিবাদ একটি নৈতিক বিবৃতি হওয়া উচিত, শারীরিক অবরোধ নয়।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘গণতন্ত্রে বুলেট নয়, ব্যালট চলে’, কোচবিহার থেকে কড়া বার্তা মমতার

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

‘‌তৃণমূলের পার্টি অফিসে, প্রার্থীর বাড়িতে তল্লাশি করছে’‌, কোচবিহার থেকে তোপ মমতার

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

LIVE

LIVE- প্রচারে ঝড় তুলতে উত্তর ও দক্ষিণে তৃণমূল সুপ্রিমো

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ