এবার ‘বিচারাধীন’ তালিকায় ডেবরার প্রাক্তন বিধায়কের নাম

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: এসআইআর (SIR) তালিকা প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে। ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তেমনই ক্ষোভও বাড়ছে বহু ক্ষেত্রে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় একাধিক নাম নিয়ে জটিলতা সামনে এসেছে।

ডেবরার প্রাক্তন বিধায়ক জাহাঙ্গির করিম-এর নাম চূড়ান্ত তালিকায় ‘বিচারাধীন’ বিভাগে থাকায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। অথচ তিনি টানা পাঁচবার বিধায়ক ছিলেন। শুধু তিনিই নন, তাঁর স্ত্রী আসফালুন বেগম নেহারের নামও একই বিভাগে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিস্ময় প্রকাশ করে প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল এবং তিনি স্কুলের পেনশন সংক্রান্ত নথি-সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও কেন তাঁর নাম বিচারাধীন তালিকায় রয়ে গেল, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

আরও পড়ুন: সাতসকালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, বাস-ইকো ভ্যানের সংঘর্ষে মৃত ৬, আহত বহু

ডেবরা থানার মৈনান এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গির করিম ১৬৪ নম্বর মৈনান প্রাথমিক বিদ্যালয় বুথের ভোটার। তাঁর দাবি, ১৯৭৭সাল থেকে নিয়মিত ভোট দিয়ে আসছেন তিনি। ১৯৭৮ সালে পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচনে জয়ী হয়ে ডেবরা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলান। ১৯৮৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও জয় পান। পরবর্তীতে ১৯৮৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ এবার তাঁর নাম ভোটার তালিকায় থাকবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমার পরবর্তী করণীয় কী, তা স্পষ্ট নয়। এখন দেখছি শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত হয়।”

অন্যদিকে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম ‘ডিলিটেড’ দেখানো হয়েছে মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটি এলাকার বাসিন্দা নমিতা দে-র। তিনি বর্তমানে মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকার ভোটার। জানা গিয়েছে, ২০০২ সাল থেকে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে এবং ২০২৫ সালের খসড়া তালিকাতেও তা অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ উল্লেখ থাকায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি।

নমিতার আদি বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় বিধানসভার পারুলদা গ্রামে। ১৯৯৩ সাল থেকে মেদিনীপুরে বসবাস করলেও ২০০২ সাল পর্যন্ত নারায়ণগড় থেকেই ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সে সময়ে ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল ‘বুলু দে’, যা ছিল তাঁর ডাকনাম। পরে আধার ও প্যান কার্ড অনুযায়ী সংশোধন করে নাম করা হয় ‘নমিতা দে’।

পরিবারের দাবি, শুনানিতে উপস্থিত হয়ে নমিতা দে ফার্স্ট ক্লাস ম্যাজিস্ট্রেটের হলফনামা, ২০০২ ও ২০২৫ সালের ভোটার কার্ড, আধার ও প্যান কার্ড-সহ সমস্ত বৈধ নথি জমা দেন। তখন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নথি যাচাই করে সবকিছু ঠিক আছে বলেই জানান। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর স্বামী চন্দ্রকান্ত দে ও ছেলে সঞ্জিত দে-সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের নাম থাকলেও একমাত্র তাঁর নাম ‘ডিলিটেড’ দেখানো হয়েছে।

নমিতা দে প্রশ্ন তুলেছেন, নিয়মিত ভোট দেওয়া সত্ত্বেও কেন তাঁর নাম বাদ গেল? তাঁর ছেলে সঞ্জিত দের বক্তব্য, সমস্ত সরকারি নথিতে মায়ের নাম সঠিকভাবে নমিতা দে হিসেবেই রয়েছে এবং শুনানিতেও সব প্রমাণ জমা দেওয়া হয়েছিল। এখন কীভাবে এবং কোথায় অভিযোগ জানাবেন, তা নিয়েই পরিবার দিশাহারা। এসআইআর প্রক্রিয়ায় এমন একাধিক ঘটনার ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রশাসনের তরফে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা ও সমাধানের দাবি উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।

রেজিস্টার খাতা থেকে বেপাত্তা শ্রমিকদের নাম! তারাতলা কাণ্ডের তদন্তে নেমে তাজ্জব সিটের সদস্যরা

ভেনিজুয়েলায় ঘড়ির কাটার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

‘কাটমানি’র অভিযোগে তৃণমূল নেতাকে জুতোর মালা পরিয়ে বিক্ষোভ

বুধে তারাতলার অভিশপ্ত এলাকায় জল দিতে যাননি, বরাত জোরে রক্ষা পেয়েছেন নীলা দেবী

অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে ইনস্টায় বায়ো পরিবর্তন শ্রেয়সের, দিলেন কোন বার্তা?

নাকাশিপাড়ায় জমি ও গাছ চুরির অভিযোগ খোদ সাংসদের বিরুদ্ধে

সিলিং ফ্যানের সাহায্যে আইসক্রিম তৈরি করে তাক লাগালেন গুজরাতি তরুণী, দেখুন ভিডিও

কন্নড় অভিনেত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধার ৩৩ বছরের যুবকের দেহ, তদন্তে পুলিশ

২২ মাস পর ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করছে দিল্লি

রাম মন্দিরে জমা পড়া অনুদানের হিসেব চাইল PMO, দিতে অস্বীকার ট্রাস্টের

তারাতলা দুর্ঘটনায় মৃত-আহতদের পরিবারের পাশে কেন্দ্র, আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

কলকাতা হাইকোর্টে দৌড়েও স্বস্তি পেলেন না অভিষেকের আপ্তসহায়ক

মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা

রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন প্রবীণ IAS কৃষ্ণ গুপ্তা