এই মুহূর্তে

‘‌হ্যাকিং না রাজনৈতিক বজ্জাতি?’‌ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট নিয়ে তোপ মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। যদিও আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিরোধীরা। সেখানে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেয় বিরোধীদের। এই আবহে এখন জোরদার ভোট প্রচারে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। সব দলের প্রার্থীরাই এখন নিজ নিজ কেন্দ্রে চষে বেড়াচ্ছেন। তার মধ্যে এবার নির্বাচন ‌কমিশনের ওয়েবসাইটে ব্যাপক বিভ্রাট! রাজ্যের অধিকাংশ ভোটার তাদের নিরিখে চলে গিয়েছে অ্যাডজুডিকেশন লিস্টে। দু’‌ঘণ্টা পর অবশ্য ঠিক হয়েছে বলে খবর। এই আবহে নকশালবাড়ি থেকে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ অফিসারদের বদলি নিয়েও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুর সপ্তমে তুলে বলেন, ‘আমি নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও এই প্রথম না জানিয়ে সব অফিসারকে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খাদ্য দেবে কে? ঝড় হলে সুরক্ষা দেবে কে? অপদার্থের দল। ওরা জানে না, আমি ভাঙি তবু মচকাই না। এসআইআরের বদলা একটা করে ভোট। কোনও দিন যা হয়নি এখন তা হচ্ছে। মা–বোনেরা ভোটের দিন সকাল থেকে বুথ পাহারা দিন। পাঁচ বছরের জন্য যদি শান্তি চান, একদিনের জন্য পাহারা চাই। যাতে দিল্লির লোকজন এসে ছাপ্পা না দিতে পারে।’‌

অন্যদিকে মাটিগাড়া–নকশালবাড়ির মা–বোনেদের বিজেপির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তৃণমূলনেত্রী। আর রাতে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গোলমাল নিয়ে মাটিগাড়া থেকে সুর চড়ালেন তিনি। নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ, ‘‌ভয় দেখালে ঘরে যা আছে তা নিয়ে বেরোবেন। আপনারা তো রান্নাবান্না করেন, আমাকে আর বেশি বলতে হবে না। হঠাৎ করে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে সকলের নাম মুছে গেল! এখন বলছে হ্যাকিং হয়েছে। হ্যাকিং করেছো না বজ্জাতি করছো, মানুষকে জানাও। আমি রাস্তা থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লড়াই করেছি। লড়ে যাব। ছাড়ব না। এখনও অতিরিক্ত তালিকা টাঙায়নি। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের জন্য আমরা ক্যাম্প করব। বিনা পয়সায় আইনজীবী দেবো। আপনাদের শুধু দরখাস্ত করতে হবে। শোনা যাচ্ছে আট লক্ষের নাম বাদ গেছে। তালিকা কোথায়?’‌

তাছাড়া বিজেপির ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা এবং রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো থেকে শুরু করে আকাল সৃষ্টি করা নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকারকে তুলোধনা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‌বাংলা সব ধর্মকে নিয়ে চলে। ধর্মের সবচেয়ে বড় জায়গা এটাই। সব উৎসব আমাদের উৎসব। আজ বাসন্তী পুজো। আগামী কাল অন্নপূর্ণা পুজো। রামনবমী হবে তার পর। আমরাও রামনবমীর মিছিল করি। রাম কারও কেনা নয়। বিজেপি গ্যাসবেলুন। গ্যাস দেওয়ার ক্ষমতা নেই। গ্যাসবেলুন দিয়ে যাচ্ছে। এখন বলছে ৩৫ দিন লাগবে দুটো সিলিন্ডারের জন্য। একটা সিলিন্ডার থাকলে তো শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই সব বাড়িতেই দুটো সিলিন্ডার রাখা হয়। দামও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এরা বেশি দিন থাকলে দেশটাকেই বেচে দেবে।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

ট্রাইবুনালের জন্যে গিয়ে সারাদিন কাটিয়ে বিফল হয়ে ফিরে যাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ

SIR তালিকায় পরিবারের সকলের নাম বিচারাধীন, আতঙ্কে ব্রেন স্টোকে আক্রান্ত মহিলা

হরিশচন্দ্রপুরে প্রচারে বেরিয়ে বাড়ি তৈরীর রাজমিস্ত্রির জোগানদার হলেন বিজেপি প্রার্থী

বিজেপির তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, পানিহাটিতে প্রার্থী আরজি করের খুন হওয়া চিকি‍ৎসকের মা

পুরুলিয়ার কোটশিলায় মূর্তি ভাঙচুর ঘিরে রাজনৈতিক তরজা, গ্রেফতার চার

বসিরহাটে একাধিক গ্রামে সকল ভোটারদের নাম ডিলিট সাপ্লিমেন্টারি তালিকায়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ