‘সমুদ্রসাথী’ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কী? পালাবদলের পর প্রশ্ন লক্ষাধিক মৎস্যজীবীর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আজ, রবিবার সকাল থেকেই মৎস্যজীবীদের মধ্যে জটলা বেঁধে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। আর সেখান থেকেই দেখা গিয়েছে অনিশ্চয়তার মেঘ। রাজ্যে তো পালাবদল হয়েছে। এবার ‘সমুদ্রসাথী’ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কী? এই প্রশ্ন নিয়েই আলোচনা চরমে উঠেছে। রাজ্যের উপকূলের লক্ষাধিক মৎস্যজীবীর এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য এখনও কেউ দেননি। কিন্তু বাঙালির পাতে তো তাঁরাই মাছ তুলে দেন। এখন যদি কোনও সহায়তা না মেলে তাহলে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়তে হবে। আগের সরকারের ঘোষণার পর দু’বছর কেটে গিয়েছে। এবার নবগঠিত বিজেপি সরকার তাঁদের জন্য নতুন কোনও ভাবনা রেখেছে কিনা সেটাই এখন জানতে চায় মৎস্যজীবীদের বিভিন্ন সংগঠন।

এদিকে সারাবছর মাছ ধরেই জীবন–জীবিকা নির্বাহ করেন মৎস্যজীবীরা। নৌকা, স্টিমার অথবা ভেসেলে করে কঠিন পথ বেয়ে মাছ ধরার কাজ করতে হয়। সেখানে থাকে একাধিক ঝুঁকিও। আর এভাবেই মাছ ধরে ট্রলারে করে নিয়ে এসে বাজারে বিক্রি করা হয়। সেখান থেকেই হয় উপার্জন। আবার আড়তদাররাও মাছ নিয়ে যায়। সেখান থেকে যা মেলে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় সংসারের খরচ। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য বাজেটে সমুদ্রসাথী প্রকল্প ঘোষিত হয়। প্রত্যেক বছর ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ। এই দু’মাস সমুদ্রসাথী প্রকল্পে মৎস্যজীবীদের পরিবার পিছু পাঁচ হাজার করে মোট ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষিত হয়। এটা কি চাসু থাকবে?‌ প্রশ্ন মৎস্যজীবীদের মনে।

অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হাওড়ার কয়েক লক্ষ মৎস্যজীবী এই প্রকল্পে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করে রেখেছেন। তাই এবার এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা মিলবে কিনা তা নিয়ে মৎস্যজীবীদের মনে অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনীভূত হয়েছে। আশ্বাস তো অনেক মিলেছে, যাতে নিশ্চিন্তে নিঃশ্বাস ফেলা যায় সেটাই এখন চাইছেন তাঁরা। বামফ্রন্ট সরকারের আমলে নিষিদ্ধ সময়ে ‘সঞ্চয় ও ত্রাণ’ প্রকল্পে মৎস্যজীবীরা কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে ৪৫০০ টাকা করে ভাতা পেতেন। ২০১২ সালে ওই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৪ সালে সমুদ্রসাথী প্রকল্প ঘোষিত হয়।

এছাড়া মৎস্যজীবীরা এখন ওই দু’‌মাসের জীবনযাপন কেমন করে করবে তা জানতে চায়। এই বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস শ্যামল বলেন, ‘‌নতুন সরকারের কাছে আমাদের দাবি, নিষিদ্ধ সময়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করা হোক। মুখ্যমন্ত্রী–সহ নান মহলে দরবার করব।’‌ পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের সহ–সভাপতি শ্রীকান্ত দাসের বক্তব্য, ‘‌এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার হয়েছে। ‘প্রধানমন্ত্রী মৎস্য যোজনা’ চালু হলেও তার সঠিক প্রয়োগ হয়নি। এবার আশাকরি প্রত্যেকটি প্রকল্পের কাজে গতি আসবে।’‌ দিঘা ফিশারমেন অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাসের কথায়, ‘‌মৎস্যজীবীদের অবিলম্বে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।’‌

‘ভয় পাই না’, সেমিফাইনালের লড়াইয়ের আগে ফ্রান্সকে হুঙ্কার ইয়ামালের

রাজ্যের গোয়েন্দা প্রধান হলেন এন রমেশবাবু, বদল বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারও

শিশু নির্যাতন রোধে স্কুল-কলেজে বিশেষ পাঠ, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ মেনে জানাল কেন্দ্র

‘লক্ষণরেখা ডিঙোবেন না’, পাপারাজ্জিদের আবদারে চটে লাল সলমানের নায়িকা

বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি-কাশিতে জেরবার, ইমিউনিটি বাড়াতে খান ৫ পুষ্টিকর স্যালাড

হরমুজে জাহাজে হামলায় নিহত ভারতীয়, ইরানি দূতকে তলব বিদেশ মন্ত্রকের

বিজেপিতে যোগের জল্পনার মাঝেই প্রসেনজিৎকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী

মৃত ব্যক্তিও পাচ্ছেন আবাস যোজনার টাকা! চাঞ্চল্য মঙ্গলকোটে

‘তৃণমূল সরকার গাছকেও ছাড়েনি, সব ধ্বংস করে দিয়েছে,’ বললেন মুখ্যমন্ত্রী

পাসপোর্ট ছাড়াই ভারতে ৭ মাস! পালাতে গিয়ে গ্রেফতার মার্কিন নাগরিক

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আজ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সতর্কতা

পহেলগাঁও হামলায় অভিযুক্ত হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় পরোয়ানা জারি

নাইজেরিয়ায় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ১৮

বিয়ের দুবছর পরেও স্বামী-সুখ থেকে বঞ্চিত, সটান পুলিশের দরজায় স্ত্রী