স্কুল থেকে গঙ্গা মাত্র ১-২ ফুট দূরে! ভাঙনের আতঙ্কে শিক্ষিকার বাড়িতেই লেখাপড়া-মিডডে মিল চলছে ১১০ পড়ুয়ার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একদিকে নদীর প্রবল ভাঙন, অন্যদিকে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। সামশেরগঞ্জের উত্তর চাচন্ড গ্রামের ১১০ জন শিশুর ভবিষ্যৎ আজ একেবারে অনিশ্চিত। গঙ্গার জল যত এগিয়ে আসছে, ততই নদীর কিনারায় থাকা শিশু শিক্ষা কেন্দ্রটি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। স্কুল থেকে গঙ্গার দূরত্ব এখন মাত্র ১-২ ফুট। ফলে যে কোনও সময় গোটা ভবন নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি আঁচ করে পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে স্কুলবাড়িতে পঠন-পাঠন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আপাতত এলাকার এক শিক্ষিকার বাড়িতে চলছে ক্লাস। সেখানেই কোনওরকমে পড়ুয়াদের মিড-ডে মিল দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে ছোট বাড়িতে জায়গার অভাবে ১১০ জন পড়ুয়ার একসঙ্গে ক্লাস করা সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গঙ্গার ভাঙন সামশেরগঞ্জে নতুন কোনও ঘটনা নয়। বছরের পর বছর ধরে শিবপুর, চাচন্ড, প্রতাপগঞ্জ, ধানঘড়া-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় নদী ভাঙনের দাপট চলছে। বহু পরিবার ইতিমধ্যেই বসতভিটে হারিয়েছে। এবার সেই বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে একটি গোটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্কুলের এক সহায়িকার কথায়, ‘স্কুলটি গঙ্গার একেবারে ধারে। প্রতিদিন ভয় নিয়ে কাজ করতে হয়। কোনও শিশু অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে গেলে বড় বিপদ হতে পারে। আবার আচমকা ভাঙন শুরু হলে স্কুলও ভেঙে পড়তে পারে। তাই শিশুদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই শিক্ষিকার বাড়িতে ক্লাস চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ কিন্তু সেখানেও রয়েছে সমস্যা। ১১০ জন পড়ুয়ার জায়গায় ছোট বাড়িতে একসঙ্গে মাত্র ১০-২০ জনকে নিয়ে ক্লাস করা সম্ভব হচ্ছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। ফলে অনেক পড়ুয়াই নিয়মিত ক্লাস করতে পারছে না। কোথাও আবার মিড-ডে মিল দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন: কাজের খোঁজে আর ভিনরাজ্যে নয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘রোজকার গ্যারান্টি কার্ড’ দেবে রাজ্য

এক অভিভাবকের দাবি, প্রায় ১০ মাস ধরে স্কুলের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন ব্যাহত। তাঁর কথায়, ‘স্কুলে ১১০ জন ছাত্রছাত্রী। অথচ শিক্ষিকার বাড়িতে এতজনের জায়গা হয় না। কয়েকজনকে নিয়ে কোনওরকমে পড়াশোনা চলছে। আমরা চাই, প্রশাসন দ্রুত স্থায়ী সমাধান করুক। নইলে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে হবে।’ অবশ্য বিপদের মধ্যেও পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় ওই শিক্ষিকার ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নিজের বাড়িতে শিশুদের পড়ানোর উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। প্রশাসনের তরফেও জানানো হয়েছে, পড়ুয়াদের নিরাপত্তাই এখন মূল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সামশেরগঞ্জের বিডিও বলেন, ‘গঙ্গা থেকে স্কুল ভবনের দূরত্ব মাত্র ১-২ ফুট। ভাঙন যে ভাবে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও সময় ভবনটি নদীতে চলে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের সেখানে রাখা সম্ভব নয়।’

মর্মান্তিক ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে, নদীতে স্নান করতে নেমে ডুবে মারা গেল পাঁচ বোন

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬০০ ছুঁইছুঁই! উদ্ধার ৮৫ ভারতীয়, এখনও নিখোঁজ শতাধিক

রবি-সোমে শিয়ালদহ ডিভিশনে টানা ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ট্রেন পরিষেবা

‘কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন অবিলম্বে করতে হবে’, দাবি ঋতব্রতের

রবীন্দ্রনাথকে দায়ী করে আত্মঘাতী বাবা-মা-মেয়ে, চাঞ্চল্য ধনেখালিতে

হাতে রাখি বাঁধা, গলার নলি কাটা, মালদহের বাড়িতে ফিরতেই খুন কলকাতার ব্যবসায়ী

৩ সপ্তাহের মধ্যে আরজি কর মামলার তদন্ত শেষ করতে হবে, CBI-কে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

‘পুলিশ অনুমতি না দিলেও জেলায় জেলায় পায়ে হেঁটে যাব,’ ঘোষণা মমতার

রাখির উৎসব মুহূর্তে পরিণত হল বিষাদে, ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে নিহত ১ মহিলা, আহত ৩

‘ঘরের শত্রুদের সঙ্গে লড়ব আমরা’, রাখি বন্ধন উৎসবে সংকল্প মুখ্যমন্ত্রীর

চিনে ভূমিকম্পের ফলে তিব্বতে ভাঙল বাঁধ, ফের হড়পা বানের আশঙ্কা নেপালে, বন্ধ উদ্ধারকাজ

‘পিঠ বাঁচাতে দল ছেড়েছেন যাঁরা, তাঁদের ছাড় নয়,’ সাফ জানালেন অভিষেক

‘২০ জন দলবদলু সাংসদের পদ খারিজ করে দেখাব,’ কাকলি-সুদীপদের চ্যালেঞ্জ কল্যাণের

অভিষেকের দফতরে সাইনবোর্ড খোলার ঘটনায় কালীঘাট তৃণমূলকে আইনি রক্ষাকবচ দিল না আদালত