ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে ৪০ বছরের সুখী দাম্পত্যের রহস্য উদঘাটন করলেন হেমা মালিনী

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী হলেন কিংবদন্তী অভিনেত্রী হেমা মালিনী। প্রথম স্ত্রী থাকাকালীনই বলিউডের ড্রিম গার্লের প্রেমে পড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। এই ব্যপারটা কারুরই অজানা নয়। বর্তমানে ধর্মেন্দ্রর চারটি সন্তান, দুটি আগের পক্ষের এবং দুটি পরের পক্ষের। কিন্তু স্বামীর আগের পরিবার নিয়ে কোনও বিরক্তি বা ক্ষোভ নেই হেমা মালিনীর। একবার নিজেই এই প্রসঙ্গ প্রকাশ্যে এনেছিলেন অভিনেত্রী। বলেছিলেন যে, ধর্মেন্দ্রের প্রথম স্ত্রী, প্রকাশ কৌর এবং তাঁর ছেলে, সানি দেওল এবং ববি দেওলের প্রতি তাঁর কোনও হিংসা বা বিরক্তি কিছুই নেই। কারণ তিনি তাঁর স্বামীকে যথেষ্ট বিশ্বাস করেন এবং ভালোবাসেন। হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর বিয়ে হয়েছে প্রায় চল্লিশ বছর হয়ে গেল। সেই সময়ে ধর্মেন্দ্র এবং হেমার বিয়ে যথেষ্ট আলোচনার বিষয় ছিল সেলুলয়েড দুনিয়ায়। ৭০-৮০ দশকের বলিউডের হট টপিক ছিল তখন তাঁদের বিয়ে। একবার হেমা স্বীকারও করেছিলেন যে, ধর্মেন্দ্র একজন বিবাহিত পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও তিনি ধর্মেন্দ্রকে বিয়ে করেন, তাই তাঁদের মিলন হেমার বাবা-মা মেনে নিতে পারেন নি, কিন্তু তিনি অন্য স্বামী হিসেবে কাউকে কল্পনা করতে পারতেন না সেই সময়ে, সেটাও জানিয়েছেন।

১৯৯৯ সালে সিমি গারেওয়ালের একটি সাক্ষাৎকারে, হেমা বলেছিলেন, “ধর্মেন্দ্রর আগের পরিবার নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যাথা ছিল না। আসলে আপনি যখন আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে এতটা ভালোবাসবেন, এবং সেই ব্যক্তির কাছ থেকেও যখন আপনি সমান পরিমাণে ভালবাসা পাবেন, তখন আপনার সেই ব্যক্তির ছোট ছোট জিনিসের জন্য কখনই বিরক্ত হবেন না। সেই কারণে আমিও কখনও বিরক্ত হইনি। আমার ভালবাসা অটুট ছিল, ধর্মেন্দ্রর প্রতি। তাই আমার বিশ্বাস ছিল আমাদের ভালোবাসার মাঝে কিছু আসতে পারবে না। আর আমি তাঁকে খুব বুঝতাম, তাঁর সমস্যা গুলিকেও বোঝার চেষ্টা করতাম, যার জন্য সে আমাকে এখনও এতটা ভালবাসে।”

যখন সিমি জিজ্ঞেস করেছিলেন, স্বামীর আগের পরিবারের প্রতি তাঁর কোনও বিরক্তি আছে কি না, তখন হেমা উত্তরে বলেছিলেন, “মোটেই না। তাই আজ আমি সবচেয়ে সুখী মানুষ।”এরপর সিমির প্রশ্ন ছিল, তাঁরা বিয়ের আগে নায়কের আগের পরিবার নিয়ে কোনও আলোচনা করেছিল কিনা, তখন হেমা উত্তর দিয়েছিলেন যে, না তা তাঁরা করেননি, কোনও প্রশ্ন ছাড়াই তিনি পরিস্থিতি মেনে নিয়েছিলেন।

ধর্মেন্দ্রর আগের পরিবারকে তিনি কখনই বিরক্ত করতে চান না। তবে হেমা ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের সঙ্গে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে দেখা করেছিলেন, সবটাই বিয়ের আগে, কিন্তু বিয়ের পরে, তাঁরা একে অপরকে আর দেখেনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি কাউকে বিরক্ত করতে চাইনি। ধর্মজি আমার এবং আমার মেয়েদের জন্য যা কিছু করেছেন তাতে আমি খুব খুশি। তিনি একজন দক্ষ বাবা। আমি এতে খুশি৷ আজ আমি একজন কর্মজীবি ​​মহিলা, আমি আমার জীবন শিল্প ও সংস্কৃতিতে উৎসর্গ করেছি৷ আমি অনুমান করি, যদি পরিস্থিতি আজ ভিন্ন হত, তাহলে আমি আজ যা আছি তা হতে পারতাম না। যদিও আমি প্রকাশকে অনেক সম্মান করি। এমনকি আমার মেয়েরাও তাঁর বাবার আগের পরিবারকে যথেষ্ট সম্মান করে।”

শ্রাবণের সোমের উপবাসে ভুলেও খাবেন না এই ৩ ফল, ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের

ডাকঘরের এই স্কিমে এককালীন বিনিয়োগ করুন, প্রতি মাসে ঘরে বসে পান ৫,৫০০ টাকা

মিলল না রফাসূত্র, চাকরির পরীক্ষার অনিয়মে সিবিআই তদন্ত চেয়ে আন্দোলনে ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা

নিম্নচাপের জেরে সোম থেকেই বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য, বড় দুর্যোগের আশঙ্কা কলকাতায়

‘লোকতন্ত্র সেনানী’-দের মাসিক ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

একসঙ্গে বদলি করা হল কলকাতা ও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে, কারণ কী?

তিলোত্তমার সৎকারে অতিসক্রিয়তা, নির্মল ঘোষদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

মায়ের মৃত্যুর পর নর্মদায় ডুবে আত্মহত্যার চেষ্টা, কীভাবে রক্ষা পেলেন ‘হিরো নং ১’ গোবিন্দা?

রোগীমৃত্যু ঘিরে হাসপাতালেই তাণ্ডব, মালদহে আক্রান্ত চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা

আরজি কর কাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন মমতা? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে জেরার ইঙ্গিত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী বিমানের পাইলট মাদকাসক্ত ছিলেন! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

ট্রাম্পের উপর রাগ! গাজার শান্তিচুক্তি নিয়ে আমেরিকার প্রস্তাব ফেরালেন নেতানিয়াহু

কলকাতা হাইকোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম সুুপারিশ করল সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম

১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের নির্দেশ রাজ্যপালের