চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

১৪০টি ওষুধ খেয়ে কোমায় ট্রেনি চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবসাদ(Depression) কোন পর্যায়ে পৌঁচেছে! অবসাদের কারনে একসঙ্গে ১৪০টি ওষুধ(Medicine) খেয়ে কোমায়(Coma) চলে গিয়েছেন কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের(Calcutta Medical College and Hospital) প্রথম বর্ষের এক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি চিকিৎসক(Trainee Doctor)। আপাতত শহরেরই একটি বেসরকারি হাসপাতালে কোমাচ্ছন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই চিকিৎসক। আত্মীয়-পরিজন থেকে সহকর্মীরা সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। যদিও ওই বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা সেভাবে কোনও আশা দিতে পারেননি বলেই সূত্রে জানা গিয়েছে। কেননা কোমা এমন জিনিস যার কোনও চিকিৎসা হয় না। রোগী কোমা থেকে বেড়িয়ে এসেছেন এমন ঘটনাও ঘটে, তবে তার উল্টো ঘটনা ঘটে বেশি। কার্যত এখন ভগবানের ওপর ভরসা করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও রাস্তা নেই।

জানা গিয়েছে, কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রথম বর্ষের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ওই ট্রেনি চিকিৎসক পড়াশোনায় খুব মেধাবী। কিন্তু যে কোনও কারণের জন্যই হোক বেশ কিছুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। অবসাদের জন্যই অ্যান্টি ডিপ্রেশন ও অ্যান্টি সাইকোটিক জাতীয় ওষুধ খেতেন। ওই চিকিৎসকের ঘনিষ্ঠজনদের কাছে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় রেসপিরেডন, ক্লোনাজিপাম ও এসসিটালোপ্রাম—এই তিন ধরনের অ্যান্টি ডিপ্রেশন জাতীয় ১৪০টি ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই চিকিৎসক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ট্রেনি চিকিৎসকদের হস্টেল থেকে মেডিকেল কলেজেরই ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ওষুধ খাওয়ার পর প্রাথমিক অবস্থায় কিছুটা সজ্ঞানে ছিলেন তিনি। কী ধরনের ওষুধ খেয়েছেন সেকথা সিসিইউ-এর কর্তব্যরত চিকিৎসক ও বন্ধু-বান্ধবদের জানান। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪০টি ওষুধ খেয়েছেন, একথাও বলেন। এরপর ওষুধের প্রতিক্রিয়ার ফলে সময় যত গড়ায় ছাত্র-চিকিৎসকের শারীরিক অবস্থা ক্রমশ আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে কোমায় চলে যান তিনি। সোমবার সকালে তাঁকে ভেন্টিলেশনে পাঠানো হয়।

সোমবার রাতেই দিকে ওই চিকিৎসকের পরিবার তাঁকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে শহরের ই এম বাইপাস লাগোয়া একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেই হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মস্তিষ্কের সচেতনতা সূচক গ্লাসগো কোমা স্কেলে সর্বনিম্ন তিন স্কোর রয়েছে তাঁর। তাই এখনও কোমাচ্ছন্ন অবস্থাতেই রয়েছেন তিনি। ঘটনার জেরে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ রঘুনাথ মিশ্র জানিয়েছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। অবসাদের জন্য ওষুধ খেতেন বলে শুনেছি। আমরা ছাত্রছাত্রীদের নিয়ম করে কাউন্সেলিং করাই। উনি পিজিটি স্তরের ছাত্র। মানসিক দিক দিয়ে যথেষ্ট পরিণত। তবুও এই ঘটনা ঘটল। এটাই খুব দুর্ভাগ্যের। ওনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও কার্যালয়ে IT হানা, কী কারণে আয়কর তল্লাশি?

আগামী ২-৩ ঘন্টায় ৭০ কিমি বেগে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, জেলায় জেলায় হবে শিলাবৃষ্টি

ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের, নিষ্পত্তি হওয়া নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়

খাস কলকাতায় সিপিএমে ভাঙন, নির্বাচনের প্রাক্কালে একঝাঁক যুবনেতার যোগ তৃণমূলে

সল্টলেকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ডিভাইডারে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে গেল গাড়ি, আহত ৪

‘‌বাংলায় আপনাদের মেয়াদ আর ঠিক ১৯ দিন’‌, বিজেপি–নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ