চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

 ইসলামি সন্ত্রাসীদের পরিবারের দায়িত্ব সরকারের’, বড় বার্তা মোল্লা ইউনূসের

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: লুকোচাপা নয়। সরাসরিই ভারত বিরোধী ইসলামি সন্ত্রাসীদের পাশে থাকার ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূস। সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, ‘সন্ত্রাসীরা মারা গেলে তাদের পরিবারের ভরনপোষণের দায়-দায়িত্ব নেবে সরকার।’ ইউনূসের ওই ঘোষণায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ‘ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসলামি জঙ্গিদের ইন্ধন জুগিয়ে গোটা বিশ্বের কাছে  বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র হিসাবে পরিচিত করিয়েছেন ‘রাজাকার’ ও ‘মোল্লাতন্ত্র’ চালু করা ইউনূস।’

গত বছরের ৫ অগস্ট সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার তিন দিন বাদে ৮ অগস্ট তদারকি সরকারের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব নেন ইউনূস। দায়িত্ব নিয়েই শেখ হাসিনা জমানায় গ্রেফতার হওয়া এবং বিভিন্ন নাশকতা মামলায় জেলে থাকা কুখ্যাত ইসলামি সন্ত্রাসীদের মুক্তি দিয়েছিলেন। তার মধ্যে যেমন ছিলেন আল-কায়েদার সহযোগী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিমুদ্দিন রেহমানি, তেমনই ছিলেন জামায়াতের শীর্ষ সন্ত্রাসী এটিএম আজহারুল ইসলাম। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলে থাকা ৩,২০০ জঙ্গিকে মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ২৩টি জঙ্গি সংগঠনের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।

গত ১৫ মাস ধরে ইউনূস সরকারের ইন্ধনে নখদাঁত বের করে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামি সন্ত্রাসীরা। হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুর থেকে শুরু করে সম্পত্তি দখল করা এমনকি খুন করার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার পরেও পুলিশ প্রশাসনের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ইসলামী সন্ত্রাসীদের সুরে সুর মিলিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে অশান্ত করার হুঙ্কার দিয়েছেন ইউনূস। সেই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে অস্ত্র সরবরাহের পাণ্ডা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লু‍ৎফুজ্জামান বাবর ও ভারতের সন্ত্রাসী সংগঠন আলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াকে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন।

এরদিন মুখোশ পরে ভারত বিরোধিতা করলেও বৃহস্পতিবার রাতে তা সরিয়ে সরাসরি ইসলামী সন্ত্রাসীদের পাশে থাকার ঘোষণা করেছেন। কুখ্যাত ইসলামি জঙ্গি তথা জয়েশ-ই মহম্মদের বাংলাদেশি শাখা ইনকিলাব মঞ্চের প্রধান শরিফ ওসমান হাদি মারা যাওয়ার পরেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিযেছিলেন ইউনূস। ওই ভাষণেই তিনি জানান, ‘ভারত বিদ্বেষী হাদির পরিবারের সব দায়িত্ব নিচ্ছে সরকার।’ শুধু তাই নয়, কুক্যাত ইসলামি সন্ত্রাসীর জন্য শনিবার রাষ্ট্রীয শোকও ঘোষণা করেছেন। অথচ কয়েকদিন আগেই সুদানে ইসলামি সন্ত্রাসীদের হাতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় সদস্য। তাদের জন্য কোনও রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করার প্রয়োজন বোধ করেননি। এমনকি তাদের পরিবারের দায়িত্বও নেননি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হাদির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মোল্লা ইউনূস ইসলামি সন্ত্রাসীদের বার্তা দিয়েছেন, ভারতে নাশকতা চালাতে গিয়ে কোনও জঙ্গি মারা গেলে, তার পরিবারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকারের।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তেলের ভান্ডার শূন্যের পথে, জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশে স্থগিত নির্বাচন

মৌলবাদীদের ফতোয়া উপেক্ষা করে ঢাকায় পয়লা বৈশাখে বের হল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

২০২৪ সালের ৪ অগস্টই শেখ হাসিনাকে খুনের ছক কষেছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার

বর্ষবরণের আগে ইলিশ ছুঁলে লাগছে ছ্যাঁকা, কেজি ছাড়াল ৭,৫০০

গান-বাজনার উল্লাসের মাঝেই যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ৫

তারেকের জমানায় মবের মুল্লুক, কুষ্টিয়ায় হামলা চালিয়ে পীরকে পিটিয়ে হত্যা মৌলবাদীদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ