দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

স্টেশনে লাগেজ রেখেই যেতে পারবেন পর্যটকেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কোথাও ঘুরতে যাওয়া মানে সঙ্গে থাকবে লাগেজ। সে লাগেজ ছোট হতে পারে আবার বড় হতে পারে। লাগেজ ছোট হল বিশেষ অসুবিধে হয় না। কিন্তু লাগেজ বড় হলে কোথাও না কোথাও রাখতে হয়। আর সব থেকে নিরাপদ হল হোটেল। পর্যটকেরা এমনটাই মনে করেন।

কিন্তু কক্সবাজার রেলস্টেশনে  থাকবে লকার বা লাগেজ রাখার ব্যবস্থা। পাশাপাশি থাকছে একাধিক সুযোগ সুবিধা। স্টেশনটি তৈরি হয়েছে ২৯ একর জমির ওপর। শুধু স্টেশন ভবনটি ১ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুটের। রেলের পদস্থকর্তারা জানিয়েছেন, স্টেশন এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে পর্যটকেরা কোনও অসুবিধেয়  না পড়েন। তবে এর জন্য খরচ-খরচা রয়েছে। চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ।

জানা গিয়েছে, শুধু কক্সবাজার স্টেশনটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২১৫ কোটি টাকা (বাংলাদেশি মুদ্রায়)। স্টেশনটি পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। যাত্রীদের প্রবেশ ও  নিষ্ক্রমণের জন্য থাকছে ভিন্ন ভিন্ন পথ। কেউ যদি গাড়ি নিয়ে স্টেশনে আসেন, তাদের কথা ভেবে স্টেশন সংলগ্ন এলাকাতেই থাকছে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা।

২০১৮ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। যৌথভাবে এই কাজ করছে চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি, চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন  কর্পোরেশন, ও বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড।

২০১৩ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। তা বাড়িয়ে করা হয় ২০১৮ সাল পর্যন্ত। আর ঠিকাদার নিয়োগ করা হয় ২০১৭ সালে। তখন প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময়সীমা ঠিক করা হয় ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে অধ্যাপিকাকে জুতোপেটা করলেন তারেকের দলের নেতা

তারেক জমানায় অব্যাহত হিন্দু নিধন, এবার সন্ন্যাসীকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হল

ভোটের দায়িত্ব পালনে অস্বীকার করায় দুই কলেজ শিক্ষককে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন

জ্বালানি সঙ্কট তুঙ্গে, ঢাকার সরকারি হাসপাতালে মোবাইলের আলোয় চলছে চিকি‍ৎসা

তিন বছরের শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে খুন, আতঙ্ক এলাকাজুড়ে

বাংলাদেশে ডিগবাজি মতুয়া নেত্রীর, হাসিনাকে ছেড়ে ধরলেন তারেকের হাত

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ