দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ প্রথম দফার ভোট হয়ে গিয়েছে। আর তারপরই নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ দাবি করতে শুরু করেছেন, বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, প্রথম দফাতেই ১২৫ আসন জিতে গিয়েছে তৃণমূল। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দেন, প্রথম দফাতেই বিজেপির দফারফা হয়ে গিয়েছে। নাম যত কেটেছে ভোট তত বেড়েছে। কিন্তু কেন এমন হিসেব দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব?‌ এই প্রশ্নের উত্তরে যে তথ্য উঠে এসেছে তা হল, মহিলাদের ভোটদানের রেকর্ড। আর পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মহিলারা ভোট দিয়েছেন ‘‌লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’‌ প্রকল্পকে সামনে রেখে। আর তার সঙ্গে বাড়তি যোগ হয়েছে ‘‌যুবসাথী’‌ প্রকল্প।

এদিকে দ্বিতীয় দফার ভোট এখনও বাকি। সেখানেও আছে ১৪২টি আসন। যা হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। এই আবহে আজ, শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে চুলচেরা সমীক্ষা করা হয়েছে। প্রত্যেক জেলা থেকে রিপোর্ট চলে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজ্য সরকারের কাজ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একে পর এক জনমোহিনী প্রকল্প বাজিমাত করেছে। যা তৃণমূলকে এখন স্বস্তি দিয়েছে। এত মহিলা ঘর থেকে বেরিয়ে বুথে দাঁড়ালেন এবং ভোট দিলেন। আর তাতেই বিরোধীদের প্রতিষ্ঠান বিরোধীতার দাবি কার্যত খারিজ হয়ে গেল। তৃণমূল যে হিসাব পেয়েছে, তাতে মহিলা ভোটের হার প্রায় ৯৩ শতাংশ। আর তা সাইলেন্টলি অর্থাৎ নীরবে ‘‌দিদি’‌র ভোটকে স্ফীত করেছে। যা সকল বিরোধী দলকেই বহু যোজন পিছিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনেও এমন ট্রেন্ড দেখা গিয়েছিল। শাসকের আসনে ছিল জেডিইউ সরকার। নীতীশ কুমারের সরকার ১০ হাজার টাকা করে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে বাজিমাত করেছিল নির্বাচনে। আর ২০২১ সাল থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার একাধিক প্রকল্প সামনে নিয়ে এসে ফল পেয়েছে। গ্রামবাংলার ভোটে, যা প্রথম দফায় হয়ে গিয়েছে সেখানে ফ্যাক্টর করে গিয়েছে জোড়া ‘এম’ সমীকরণ। যার অর্থ মহিলা এবং মুসলিম ভোট। মহিলা ভোটের হার প্রায় ৯৩ শতাংশ! তুলনায় পুরুষদের ভোটের হার শতকরা ৯১ ভাগ। সুতরাং পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের ভোটদানের হার ২ শতাংশের মতো বেশি বলে হিসেব পেয়েছে তৃণমূল। আর সেটাই এবার ফ্যাক্টর হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তাছাড়া পরিসংখ‌্যান বলছে, প্রথম দফার ভোটের ১৫২টি আসনের মধ্যে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল জিতেছিল ৯২টিতে। বিজেপির দখলে ছিল ৫৯টি আসন। বাকি ১৪২টি আসন, যেখানে ভোট হবে সেখানে বিজেপির দখলে ছিল গতবার মাত্র ১৮টি আসন। এবার এসআইআর পর্বে নাম বাদ যাওয়া আর একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে। তাই তো মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মহিলাদের নেই বিপুল ভোটদানকে নিয়ে বলেন, ‘‌প্রচুর মহিলার নাম এসআইআরের মাধ্যমে বাদ গিয়েছে। বিপুল সংখ্যক মহিলা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে সহ–নাগরিকদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। আর আস্থা রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। কারণ, তাঁরাও জানেন বিজেপি মহিলাদের কী চোখে দেখে আর দিদি মহিলাদের জন্য কী করেছেন।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

বেনজির ঘটনা, হিঙ্গলগঞ্জের ওসির অপসারণের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থী

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

হিন্দু মহিলাকে রক্ত দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন মুসলিম যুবক, সম্প্রীতির নজির বনগাঁয়

‘মা-বোনেরা প্রাণ ভরে দিদিকে ভোট দিয়েছে’, তৃণমূলের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী জুন মালিয়া

মারাত্মক গরমেও রোড-শোয়ে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’, নবদ্বীপে রচনার জমজমাট প্রচার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ