দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘‌বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই’‌, শহরের সন্ধ্যায় তোপ মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, শুক্রবার সন্ধ্যা নামতেই কলকাতা বন্দরের তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমের সমর্থনে সভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভাস্থল ভূকৈলাশ ময়দান। তার আগে হরিসভা স্ট্রিট ক্রসিং থেকে কার্ল মার্কস সরণি পর্যন্ত পদযাত্রা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আর এখান থেকেই বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর প্রথম দফার ভোট হয়ে গিয়েছে। সেখানে বিজেপি যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেননি সেটা খোলাখুলি জানিয়ে দিলেন তিনি।

এদিকে দ্বিতীয় দফার ভোট এখনও বাকি। সেখানেও আছে ১৪২টি আসন। যা হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। এই আবহে আজ, শুক্রবার প্রথম দফার ভোট নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এবং যে তথ্য হাতে এসেছে সেটাও সর্বসমক্ষে তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ, ‘শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির তৈরি করছি। এখানে মিথ্যাচারে বিশ্বাস করবেন না। আমরা শান্তিপ্রিয় মানুষ। আমরা শান্তি চাই। মনে রাখবেন বাংলায় বিজেপির জেতার কোনও ক্ষমতা নেই। বাংলার মানুষ ওদের চায় না। ওরা এসআইআর করে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। আর মানুষ গতকালকে ৯৩ পার্সেন্ট ভোট দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তোমাদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে‌।’‌

অন্যদিকে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল যে হিসাব পেয়েছে, তাতে মহিলা ভোটের হার প্রায় ৯৩ শতাংশ। আর তা সাইলেন্টলি অর্থাৎ নীরবে ‘‌দিদি’‌র ভোটকে স্ফীত করেছে। যা সকল বিরোধী দলকেই বহু যোজন পিছিয়ে দিয়েছে। আর এই নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের হিসেব দিয়েছেন, ‘‌গতকাল যেখানে যেখানে ভোট হয়েছে, সেখানে বিজেপি হেরেছে। পরের দফায় সকলে ভোট দেবেন। হিন্দু–মুসলমান সকলে মিলে ঢেলে ভোট দিন। বাড়িতে আগুন লাগলে হিন্দু–মুসলমানের ভাগাভাগি করে না। বিজেপিকে একটা ভোট নয়। এসআইআর করেছে। তারপর এনআরসি করবে। ওদের ভোট দেবেন না। বাংলায় এনআরসি, ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেব না।’‌

এছাড়া পরিসংখ‌্যান বলছে, প্রথম দফার ভোটের ১৫২টি আসনের মধ্যে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল জিতেছিল ৯২টিতে। বিজেপির দখলে ছিল ৫৯টি আসন। বাকি ১৪২টি আসন, যেখানে ভোট হবে সেখানে বিজেপির দখলে ছিল গতবার মাত্র ১৮টি আসন। তার মধ্যেই বিভাজনের রাজনীতি থেকে বিরত থাকতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‌বিজেপির মিছিলে বাইরের লোক আসে। বাংলাতে আগুন লাগাবেন না, বাংলা শান্তিতে আছে। বিজেপির পতন শুরু হয়ে গেছে। আমি সকলের সঙ্গে থাকি। সকলকে নিয়ে চলতে ভালবাসি। গরিব হোক বা যে যে সম্প্রদায়ের হোন, সকলে আমার কাছে সমান। সংকীর্ণ রাজনীতি কখনও করিনি।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

রাতের শহরে নজরদারিতে আইপিএস অফিসাররা, ভোট মরশুমে কলকাতা পুলিশের কড়াকড়ি

প্রথম দফায় মহিলা ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এফেক্ট বিশ্বাস তৃণমূলের

পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নেই, নির্বাচন কমিশনে কড়া নালিশ ঠুকল তৃণমূল

‘ছাত্র আন্দোলন কখনও গণতন্ত্রের বিরোধী হতে পারে না’, যাদবপুর নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার

ভোটার নন, তবু ভোটের কাজে! সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বাংলার ৬৫ ভোটকর্মী

বিপুল শতাংশ ভোটদান পরিবর্তনের হাওয়া, মোদি–শাহের দাবি খারিজ করলেন ডেরেক

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ