কলকাতা দখল করতে ৪ দিন লাগবে, হুঙ্কার বাংলাদেশ সেনার প্রাক্তন মেজরের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: সময় যত গড়াচ্ছে ততই ভারত বিদ্বেষ তুঙ্গে উঠেছে। এবার মাত্র ৪ দিনের মধ্যে কলকাতা দখলের হুঙ্কার দিলেন বাংলাদেশ সেনার প্রাক্তন মেজর তথা পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থার পেড এজেন্ট কাজী শরিফ কায়কোবাদ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশে গতকাল শনিবার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকায় ভারত বিরোধী এক সমাবেশের আয়োজন করেছিল পাকিস্তান প্রেমী অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিকরা। ওই সমাবেশেই সেনার প্রাক্তন মেজর শরিফ হুঙ্কার দিয়েছেন, ‘আমি মেজর শরীফ। আমি  ভারতকে বলে দিতে চাই , যে যুদ্ধ আমরা করছি,  আমরা শুধু দুই লক্ষ সৈনিক না, আমাদের সাথে ১৮ কোটি জনগণ আছে। আমাদের ট্রেনিং, আমাদের দক্ষতা ভারতের চেয়ে অনেক বেশি।আমাদের সঙ্গে যদি ভারত যুদ্ধ করে আমরাও চার দিনের মধ্যে কলকাতা দখল করে নেব।’ প্রাক্তন মেজরের এমন হুমকি শুনে বাংলাদেশের মৌলবাদী ও জঙ্গিরাও মুখ টিপ হেসে বলেন, ‘কত্তা, আইস্তে কন, শুইন্যা ঘোড়ায়-ও হাসব।’

হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় সম্প্রতি ইসকন সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতার করেছে মোল্লা ইউনূসের পুলিশ। গত ২৬ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রাম জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি।  গত কয়েকদিন ধরেই হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারি নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ভারত আচমকাই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে পারে এমন আশঙ্কায় হাড়কাঁপুনি ধরেছে বাংলাদেশের প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের মনে। ভারত আক্রমণ করলে যাতে পাল্টা প্রত্যাঘাত করা যায়, তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে।

সেনাবাহিনীর প্রস্তুতির পাশাপাশি শুরু হয়েছে ভারত বিদ্বেষী আন্দোলন। পাকিস্তানপন্থী বুদ্ধিজীবীদের পাশাপাশি প্রাক্তন সেনা আধিকারিকদের নামিয়ে দিয়েছে মোল্লা ইউনূস সরকার। শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে এক মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল শেষে রাওয়া কমপ্লেক্সের নিচে এক সমাবেশ করেন প্রাক্তন সেনা সদস্য ও আধিকারিকরা। ওই সভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহকে হুমকি দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মণীশ দেওয়ান বলেন, ‘‘আজ পুনরায় আবার এখানে জমায়েত হয়েছি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম জারি রাখার জন্য। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজি, অমিতজি এবং রাজনাথজি, আপনারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যেটা দেখেছেন ৭২ সালের সেই সেনাবাহিনী এখন আর নাই। আমরা এখন যে কোনও শত্রু মোকাবিলায় প্রস্তুত। আপনারা আর আস্ফালন তুলবেন না, ভয় দেখাবেন না। আমরা শুধু সশস্ত্র বাহিনী নই, ১৭ কোটি জনতা আছে আমাদের সঙ্গে আপনাদেরকে সীমান্তেই রুখে দিতে।’

আর এক প্রাক্তন সেনা আধিকারিক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল লুৎফুল হক বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের সকল জাতীয় চুক্তিগুলো প্রকাশ করা হোক। যে সব ভারতীয়রা বাংলাদেশে আছে, তাদের ফেরত পাঠানো হোক। যে সব ভারতীয় মিডিয়া সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্বাগার করছে সেই সংবাদমাধ্যমগুলির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হোক।’ ভারতের হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়িয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক কর্নেল মোহাম্মদ আহসানুল্লাহ বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশের লেডি ফেরাউন শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে ভারতের হিন্দু নেতৃত্বের শ্যেন দৃষ্টি পড়েছে আমাদের দিকে। তাদের ইদানিংকালের কর্মকাণ্ড এটা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে। কিন্তু ভারতের ভুলে যাওয়া উচিত নয়, সশস্ত্র বাহিনীর লাখ লাখ প্রশিক্ষিত সৈনিক, হাজার হাজার প্রশিক্ষিত অফিসার সবসময় এদেশের জনগণের পাশে ছিল, থাকবে। আমরা যে কোনও প্রয়োজনে দেশের জন্য জীবন বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত।’

 

৬২ বছরে প্রথম, অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলতে চলেছেন ভারতে জন্ম নেওয়া ক্রিকেটার

চিকিৎসার ‘গাফিলতি’তে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, রণক্ষেত্র বারাসত হাসপাতাল চত্বর

সন্দেশখালিতে ফের উদ্ধার বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র, বেঙ্গল STF- এর অভিযানে মিলল কী কী?

সুপ্রিম ধাক্কা জ্যাকলিনের, ২০০ কোটির জালিয়াত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

‘তিলে তিলে মরবি, সুখী হবি না’, মেয়ের মৃত্যুর পর লাইভে এসে কাকে অভিশাপ দিলেন সায়নীর মা?

রাস্তার মাঝখানে হামাগুড়ি, মৃত্যুর মুখ থেকে শিশুকে ফিরিয়ে আনলেন বাসচালক

হরিদ্বারে ইমরান হাশমির শুটিং সেটে ঢুকে চরম হট্টগোল স্থানীয়দের, কারণ কী?

প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সির পার্টি অফিসে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী!

তৃণমূলে আরও এক উইকেটের পতন, মমতাকে ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে প্রসূন

‘অভিষেকের জন্যই দল শেষ হয়েছে,’ এবার বেসুরো কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিজেপিতে যাওয়ার রাস্তা খুলতেই এবার রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা প্রকাশ চিক বরাইকের

একদিনের ক্রিকেটে ফের বিশ্বসেরা টিম ইন্ডিয়া

নাটক শেষ, রাজ্যসভার সাংসদ পদে এবার ইস্তফা কোয়েল মল্লিকের

ত্রিপুরায় মেডিকেল কলেজে তরুণীর রহস্যমৃত্যু, প্রেমে আঘাত নাকি মানসিক চাপ?