চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গিদের ‘গডফাদার’ ইউনূসের ডান হাত আদিলুর রহমানকে চেনেন?

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: শেখ হাসিনা জমানার অবসানের পরেই বাংলাদেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইসলামি জঙ্গিরা। প্রকাশ্যেই ইসলামিক স্টেটের পতাকা হাতে মিছিল করার পাশাপাশি শ্লোগান তুলছে, ‘আমরা সবাই তালিবান, বাংলাদেশ হবে আফগানিস্তান।’ মূলত বাংলাদেশকে তালিবান রাষ্ট্রে পরিণত করাই যে মূল লক্ষ্য তা স্পষ্ট করে দিয়েছে ইসলামি জঙ্গিরা। তাদের দাপট নীরব দর্শক হয়ে দেখছে পুলিশ-প্রশাসন। এত শক্তি কোথা থেকে পাচ্ছে জঙ্গিরা?

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলের পরে ইসলামি জঙ্গিদের রমরমার পিছনে রয়েছেন মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের উপদেষ্টা তথা কট্টরপন্থী ইসলামী জঙ্গি সংগঠন হেফাজতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা আদিলুর রহমান খান। মূলত তুরস্ক-সহ মুসলিম দেশগুলি থেকে আসা অর্থকে কাজে লাগিয়ে ইসলামি জঙ্গিদের সঙ্ঘবদ্ধ করছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আএসআই ও মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ’র ইন্ধনে ভারতে নাশকতা চালানোর চেষ্টাতেও লিপ্ত। ইসলামি জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্তের বিরুদ্ধে বহুবার ব্যবস্থা নিতে চেয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। কিন্তু আদিলুর রহমান-আসিফ নজরুল-সৈয়দা রিজওয়ানা হোসেন-শারমিন মুরশিদ ও সিআর আবরারের মতো কট্টর ভারত ও হিন্দু বিদ্বেষী উপদেষ্টার বাধার ফলে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

কে আদিলুর রহমান?

মুন্সিগঞ্জের এক কুখ্যাত রাজাকার পরিবারে জন্ম আদিলুরের। ছোটবেলা থেকেই জামায়াতের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে জামায়াতের সশস্ত্র সংগঠন ‘রগকাটা’ হিসাবে পরিচিত ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে যুক্ত হন। পরে রাজাকার ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের হয়ে লড়াই করতে আইএসআইয়ের মদতে ‘অধিকার’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তোলেন। ২০০৫ সালে খালেদার জমানায় জামায়াতের ত‍ৎকালীন নেতা মতিউর রহমান নিজামীর সুপারিশে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হয়ে আদালতে ইসলামি জঙ্গিদের হয়ে সরাসরি লড়াই করেন। ইসলামি জঙ্গিদের নাশকতামূলক কাজকর্মকে খুল্লামখুল্লা সমর্থন জানানোয় হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে ইস্তফা দেন।

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে বিক্ষোভের নামে ব্যাপক তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলামীর জঙ্গিরা। বাধ্য হয়ে পুলিশকে গুলি চালাতে হয়। বেশ কয়েকজন জঙ্গি খতম হন। ওই ঘটনা নিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের ভাবমূর্তি কলুষিত করতে নানা গুজব ছড়াতে থাকেন। মালয়েশিয়ায় আইএস জঙ্গিদের সংগঠিত করার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। যে কারণে ২০১৭ সালের জুলাই মাসে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে তাকে আটক করে দেশে ফেরত পাঠায় সে দেশের অভিবাসন দফতর।

গত বছরের জুলাই-অগস্টে শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের সময়ে ঢাকার পাকিস্তান দূতাবাসে ডেরা বেঁধেই দেশ জুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর নির্দেশ দেন। তারই নির্দেশে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে ১৩ পুলিশ কর্মীকে পিটিয়ে মেরে লাশ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই আইএসআইয়ের নির্দেশে আদিলুরকে উপদেষ্টা পদে নিয়োগ করেন মোল্লা ইউনূস। আর উপদেষ্টা হওয়ার পরেই আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিমুদ্দিন রেহমানি সহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার কুখ্যাত জঙ্গিকে বিভিন্ন জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ইসলামী জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ ও তাদের কাছে অস্ত্র পৌঁছনোরও ব্যবস্থা করেছেন।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

তেলের ভান্ডার শূন্যের পথে, জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশে স্থগিত নির্বাচন

মৌলবাদীদের ফতোয়া উপেক্ষা করে ঢাকায় পয়লা বৈশাখে বের হল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

২০২৪ সালের ৪ অগস্টই শেখ হাসিনাকে খুনের ছক কষেছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার

বর্ষবরণের আগে ইলিশ ছুঁলে লাগছে ছ্যাঁকা, কেজি ছাড়াল ৭,৫০০

গান-বাজনার উল্লাসের মাঝেই যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ৫

তারেকের জমানায় মবের মুল্লুক, কুষ্টিয়ায় হামলা চালিয়ে পীরকে পিটিয়ে হত্যা মৌলবাদীদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ