বর্ষায় বাড়ির আশেপাশে সাপের আনাগোনা? এই ৬ গাছ করবে আপনার সমস্যার সমাধান

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বর্ষা মানেই চারদিকে সবুজের সমারোহ, টানা বৃষ্টি আর স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। তবে এই সময়েই বেড়ে যায় সাপের আনাগোনাও। বৃষ্টির জলে গর্ত ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল ভরে যাওয়ায় নিরাপদ ও শুকনো আশ্রয়ের খোঁজে অনেক সময় সাপ লোকালয়, এমনকি বাড়ির ভিতরেও ঢুকে পড়ে। বিশেষ করে গ্রাম, শহরতলি এবং ঝোপঝাড় বা জলাভূমির কাছাকাছি এলাকায় এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তাই বর্ষাকালে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কিছু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন কয়েকটি গাছ রয়েছে, যেগুলির তীব্র গন্ধ বা বৈশিষ্ট্যের কারণে সাপ সেই জায়গা এড়িয়ে চলতে পারে বলে মনে করা হয়। যদিও এর সবকটির ক্ষেত্রে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবুও বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই প্রাকৃতিক উপায়গুলি ব্যবহার করে আসছেন। জেনে নিন, এমনই ৬টি গাছের নাম-

স্নেক প্ল্যান্ট
এই গাছের শক্ত, ধারালো পাতার গঠন অনেক সরীসৃপের কাছে অস্বস্তিকর বলে মনে করা হয়। তাই বাড়ির প্রবেশপথ বা বাগানে এটি লাগানো যেতে পারে।

রসুন 
রসুনে থাকা সালফারযুক্ত যৌগের তীব্র গন্ধ অনেক প্রাণীর মতো সাপেরও অপছন্দ বলে মনে করা হয়। তাই বাড়ির চারপাশে রসুন চাষ উপকারী হতে পারে।

লেমনগ্রাস 
লেমনগ্রাসের সাইট্রালযুক্ত তীব্র সুগন্ধ সাপকে দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে। পাশাপাশি এটি মশাও কমায়।

গাঁদা ফুল 
গাঁদা ফুলের গন্ধ বিভিন্ন পোকামাকড় দূরে রাখতে সাহায্য করে। পোকামাকড় কম হলে সাপের খাদ্যের উৎসও কমে যায়, ফলে সাপের আসার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

তুলসী
তুলসীর সুগন্ধ অনেক কীটপতঙ্গ দূরে রাখতে সাহায্য করে। বাড়ির উঠোনে তুলসী লাগালে পরিবেশও সতেজ থাকে।

 নাগদোনা 
নাগদোনার তীব্র গন্ধের কারণে অনেকেই এটিকে সাপ প্রতিরোধী উদ্ভিদ হিসেবে ব্যবহার করেন। বাড়ির সীমানা বা বাগানের ধারে এটি লাগানো যেতে পারে।

তবে মনে রাখতে হবে, শুধুমাত্র এই গাছ লাগালেই সাপ কখনও বাড়িতে ঢুকবে না এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা, ইঁদুরের উপদ্রব কমানো, আবর্জনা জমতে না দেওয়া এবং কোথাও সাপ দেখা গেলে নিজে ধরার চেষ্টা না করে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়াই সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ উপায়। 

শ্রাবণের সোমের উপবাসে ভুলেও খাবেন না এই ৩ ফল, ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের

ডাকঘরের এই স্কিমে এককালীন বিনিয়োগ করুন, প্রতি মাসে ঘরে বসে পান ৫,৫০০ টাকা

মিলল না রফাসূত্র, চাকরির পরীক্ষার অনিয়মে সিবিআই তদন্ত চেয়ে আন্দোলনে ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা

নিম্নচাপের জেরে সোম থেকেই বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য, বড় দুর্যোগের আশঙ্কা কলকাতায়

‘লোকতন্ত্র সেনানী’-দের মাসিক ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

একসঙ্গে বদলি করা হল কলকাতা ও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে, কারণ কী?

তিলোত্তমার সৎকারে অতিসক্রিয়তা, নির্মল ঘোষদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

মায়ের মৃত্যুর পর নর্মদায় ডুবে আত্মহত্যার চেষ্টা, কীভাবে রক্ষা পেলেন ‘হিরো নং ১’ গোবিন্দা?

রোগীমৃত্যু ঘিরে হাসপাতালেই তাণ্ডব, মালদহে আক্রান্ত চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা

আরজি কর কাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন মমতা? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে জেরার ইঙ্গিত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী বিমানের পাইলট মাদকাসক্ত ছিলেন! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

ট্রাম্পের উপর রাগ! গাজার শান্তিচুক্তি নিয়ে আমেরিকার প্রস্তাব ফেরালেন নেতানিয়াহু

কলকাতা হাইকোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম সুুপারিশ করল সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম

১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের নির্দেশ রাজ্যপালের