চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনা পরিকল্পিত! জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করেছিলেন খোদ পাইলট, নয়া রিপোর্ট ঘিরে শোরগোল

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছিল ২০২৫ সালের ১২ জুন। আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরে যাওয়ার  সময় ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমান। এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৬০ জন। ভয়াবহ এই বিমান দুর্ঘটনার নেপথ্যের কারণ নিয়ে এখনও চলছে কাটাছেঁড়া । কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল সেই বিষয়ে তদন্তে উঠে এসেছে এক ভয়ঙ্কর তথ্য। যা সামনে আসার পর রীতিমত আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।  আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার তদন্তকারীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে দুর্ঘটনাটি কোনও  যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, বরং একটি “ইচ্ছাকৃত কাজ” ছিল।  ইতালীর এক  দৈনিক সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সর্বশেষ আলোচনার সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে বিমানের   জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করেছিলেন খোদ পাইলট সুমিত সভারওয়াল। তবে এই নিয়ে ডিজিসিএ  কোনও তথ্য  প্রকাশ করেনি।

 ইতালীর সংবাদ মাধ্যমের  প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, ভারতীয় তদন্তকারীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে ২০২৫ সালের ১২ জুন    ইঞ্জিনের জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনাটি কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নয়, বরং ইচ্ছাকৃত কার্যকলাপের কারণে ঘটেছিল। তদন্তকারী কর্তারা বর্তমানে তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। ওই সংবাদ মাধ্যমে আরও বলা হয়েছে, যে তদন্তে সহায়তাকারী মার্কিন বিশেষজ্ঞরা এই ফলাফলগুলিকে ‘একটি বিরাট সাফল্য’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন।  ইতালীয় সংবাদপত্রটি  দাবি করা হয়েছে যে তদন্তকারীরা এখন বিশ্বাস করেন যে ওই বিমানের পাইলট ইঞ্জিনের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচটি বন্ধ করে দিয়েছিলেন, যার ফলে বিমানটি বিদ্যুৎ সংযোগ হারিয়ে মাটিতে ভেঙে পড়ে।  ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল ছিলেন পাইলট-ইন-কমান্ড, এবং ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দন ছিলেন কো-পাইলট।  নতুন প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাইলটের “দায়িত্ব এখনও স্পষ্ট নয়। প্রধান সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়ালকে যিনি দুর্ঘটনার এক মাস  আগে থেকে হতাশায় ভুগছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পাঁচতারা হোটেলের সেলুনে ‘ভুল’ হেয়ারকাট, মডেলকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

যদিও AAIB-এর প্রাথমিক তদন্তের পর, সাভারওয়ালের বাবা তাঁদের অভিযোগগুলি উড়িয়ে দিয়ে নতুন তদন্তের দাবি করেছেন এবং তার ছেলের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে যাবতীয় জল্পনা  উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি অস্বীকার করেছেন যে  তাঁর ছেলের  ব্যক্তিগত সমস্যাগুলি তাকে উদ্বেগে ফেলেনি। তবে  চূড়ান্ত তদন্ত  রিপোর্টে  পাইলটদের ক্রমাগত মানসিক মূল্যায়ন এবং মানসিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের বিষয়ে সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

প্রসঙ্গত,  দুর্ঘটনার পরে বেশ কিছু মাস ধরে  প্রযুক্তিগত ত্রুটি থেকে শুরু করে মানুষের ত্রুটি  বেশ কয়েকটি তত্ত্ব উঠে আসে। সময়ের  সঙ্গে সঙ্গে  তদন্তকারীরা  বিমানের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ সুইচের উপর বেশি মনোযোগ দেন। কারণ ব্ল্যাক বক্স উদ্ধারের পর AAIB দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রাথমিক রিপোর্টে একজন পাইলটের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করার বিষয়ে শেষ  কথোপকথনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ককপিটের ভয়েস রেকর্ডিংয়ে, একজন পাইলটকে জিজ্ঞাসা করতে শোনা যায়, “আপনি জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করে দিলেন কেন?” অন্যজন উত্তর দিয়েছিলেন, “আমি করিনি।”

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাস হলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে ডিএমকে

পোল্ট্রি ফ্রার্মে আগুন! ঝলসে গেল ৪ হাজার মুরগি, ‘তন্দুরি চিকেন’ নিতে হুড়োহুড়ি গ্রামবাসীদের

দেওরের প্রেমে অন্ধ হয়ে স্বামীকে খুন স্ত্রীর, গ্রেফতার ২

‘আমাকে ওঁর সঙ্গে বিয়ে দাও, নাহলে…’ BSNL-এর টাওয়ারের চূড়ায় উঠে যা করল নাবালিকা

ক্ষমতায় এলেই পরিবার পিছু বছরে ৬ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বিনামূল্যে, বিরাট প্রতিশ্রুতি বিজয়ের

দিল্লির বিমানবন্দরে দুই বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, খসে পড়ল ডানা, অল্পের জন্যে রক্ষা

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ