আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ছাদনাতলায় টোপর পরে অপেক্ষায় বর, হাত ধোয়ার নামে প্রেমিকের সঙ্গে চম্পট কনের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিয়ের দিন প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে গেল কণে। ঘটনাটি বিহারের মুঙ্গের জেলার আসরগঞ্জ থানা এলাকার সাজুয়া পঞ্চায়েতের সতী স্থান গ্রামের। ইতিমধ্যেই তরুণীর পরিবারের সদস্যরা থানায় পৌঁছে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা অরুণ মণ্ডলের মেয়ে ২১ বছর বয়সী নন্দিনী ওরফে নেহা কুমারীর বিয়ে ছিল বুধবার। পুরো পরিবার বিয়ে নিয়ে আনন্দে ছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ ছন্দপতন। বিয়েতে বরযাত্রী এসেছিল সময় মতোই। মালাবদলও হয়েছিল। এরপর নেহা রসগোল্লা খান। তারপর হাত ধোয়ার অজুহাতে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যান। নেহাকে যখন বিয়ের বাকি আচার সম্পূর্ণ করার জন্য ডাকা হচ্ছিল, তখন তাঁর পরিবার জানতে পারে নেহা নিজের ঘরে নেই।

এই খবর রটতেই পাত্রপক্ষ ক্ষেপে ওঠেন। তারা যখন জানতে পারে তাঁদের বাড়ির ভাবী বধূ প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছেন তৎক্ষণাৎ বিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। মেয়েটির পরিবার অবশ্য বরকে বলেছিলেন যে বড় মেয়ে পালিয়ে গিয়েছে যখন, তখন আর এক মেয়ের সঙ্গেই তাঁরা বিয়ে দেবেন। কিন্তু পাত্রপক্ষ রাজি হননি।

নেহার বাবা অজয় ​​মণ্ডল বলেন, “আমাদের চার মেয়ে এবং দুই ছেলে। আমরা আমাদের পুরো পরিবারের সঙ্গে দিল্লিতে থাকি এবং শ্রমিকের কাজ করি। গত বছর সংগ্রামপুর ব্লকের বৈজনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা কপিলদেব মণ্ডলের ছেলে অমরজিৎ কুমারের সঙ্গে আমাদের বড় মেয়ে নেহার বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের জন্য যৌতুক হিসেবে আড়াই লক্ষ টাকাও দেওয়া হয়।”

তিনি আরও জানান যে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে ছট পুজোর সময় নেহার বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু ছেলেটির পরিবার কোনও কারণে তা বাতিল করে। এরপর বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয় চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল। বুধবার বরযাত্রী বিয়ে বাড়ি আসলে তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। অতিথিদের খাওয়ার জন্য মাছ ও ভাতের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এরপর মালাবদল পর্ব শেষে নেহা ঘরে যান। কিছুক্ষণ পর আবার তাঁকে বিয়ের মণ্ডপে ডাকা হয়। কিন্তু আর ঘরে নেহাকে পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায়, তিনি তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছেন।

নেহার বোন গুড়িয়া কুমারী এবং ভাই অভিষেক জানায় মালাবদলের পর  নেহা বলেন, “আমার খিদে পেয়েছে, দুটো রসগোল্লা এনে দে।” বোন দিদিকে রসগোল্লা এনে দেয়। রসগোল্লা খেয়ে নেহা হাত ধুতে যান। কিছুক্ষণ পর যখন পরিবারের সদস্যরা কন্যাদানের জন্য মেয়েকে ডাকতে যান তখন আর নেহাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। নেহার পরিবারের পক্ষ থেকে আসরগঞ্জ থানায় একটি ডায়েরি করা হয়েছে। গোটা বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বেহুলা লখিন্দরের কাহিনী বিজড়িত পুরাতন মালদার দেবকুন্ডকে ঘিরে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো

গণনায় শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী কেন?‌ সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল, শনিবারই জরুরি শুনানি

প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালানো ইডি অফিসারকে বিশেষ পুরস্কার সংস্থার

বাণিজ্যিক গ্যাসের পরে এবার পেট্রল-ডিজেলের দাম লিটারপিছু ৪-৫ টাকা বাড়ছে?

চাকরি না পেয়ে আমেরিকায় আত্মঘাতী ভারতীয় তরুণ, অন্ধ্রে ছেলের দেহের অপেক্ষায় ঋণগ্রস্ত বাবা

উজ্জয়নের মহাকাল মন্দির চত্বর খুঁড়তেই মিলল একবিংশ শতাব্দীর বিশাল শিবলিঙ্গ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ