আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা’ চালুই করতে পারল না ডবল ইঞ্জিন সরকার, মমতার নকল করে ডাহা ফেল রেখা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের স্বনির্ভর করতে প্রথম চালু করেন ‘‌লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’‌ প্রকল্প। তারপর সেটাকে বহু রাজ্য নকল করে নিজেদের মতো নাম দেয়। এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু বিজেপি শাসিত ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্য নকল করতে গিয়ে ধপাস করে পড়ে গেল। তাও আবার খোদ রাজধানী দিল্লিতে। আর তার জেরে প্রকাশ্যে চলে এল বিজেপির জুমলা। দিল্লির মসনদে ক্ষমতায় এলে মহিলারা প্রত্যেক মাসে ২৫০০ টাকা করে পাবেন—দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এমনই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে জিতে সেই প্রতিশ্রুতি এখন উধাও! ওই প্রকল্পের বাজেটে বরাদ্দও করা হয় টাকা। কিন্তু কারও অ্যাকাউন্টেও ঢোকেনি রেখা গুপ্তার সরকারের আর্থিক ‘সাহায্য’।

এদিকে বাংলার দিকে তাকালে আজও প্রত্যেক মাসে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢোকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা। শুধু তাই নয়, আগের থেকে সেই অঙ্ক বেড়েছে। উপকৃত হয়েছেন বাংলার বিপুল পরিমাণ মহিলারা। সেখানে এই প্রকল্পকে নকল করে নাম রাখা হয় ‘মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা’। যা কার্যত চালুই হয়নি বলা চলে। চালু হলে তো টাকা পেতেন রাজধানীর মহিলারা। প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনে এই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির সব মহিলাদের প্রতি মাসে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করে বিজেপি। ২০২৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ‘মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা’ নামে প্রকল্প ঘোষণা করেন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ৫,১০০ কোটি বরাদ্দও করা হয়।

অন্যদিকে এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাজেটে বরাদ্দের সেই টাকা কোথায়?‌ তাই এখন দিল্লির অধিকাংশ মহিলা এই প্রকল্প আসলে জুমলা বলে মনে করছেন। সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে টাকা পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সেটা এখনও কথার কথা হিসেবেই রয়ে গিয়েছে। বাস্তবায়িত হয়নি ‘মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা’। প্রশাসনিক প্রস্তুতি, যোগ্যতা নির্ধারণ, উপভোক্তাদের তালিকা তৈরি, অনলাইন পোর্টাল চালু এবং তা যাচাই সংক্রান্ত কাজ এখনও অসম্পূর্ণ হয়ে রয়েছে। সমস্যা মেটাতে গত একবছরে চারবার বৈঠক করেছে সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কমিটি। কিন্তু তাতেও প্রশাসনিক লাল ফিতের ফাঁস খোলা যায়নি। ফলে অর্থ বরাদ্দ করা হলেও কারও অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের টাকা ঢোকেনি বলে সূত্রের খবর।

এছাড়া সামনে কেন্দ্রীয় বাজেট আছে। ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট। তার আগে ‘মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা’ যে ডাহা ফেল করেছে তা নিয়ে চর্চা চরমে উঠেছে। অথচ বাংলায় বিজেপি নেতা–মন্ত্রীরা এখনও ডবল ইঞ্জিন সরকারের সাফল্য আউড়ে যাচ্ছেন। বাংলায় ক্ষমতায় এলে চালু থাকবে ‘‌লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’‌ প্রকল্প বলেও প্রচার করছেন তাঁরা। অথচ কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি সরকার এক জায়গায় থাকলেও চালুই করতে পারল না ‘মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা’। সুতরাং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পের নকল করতে গিয়ে এখন হাসির খোরাক হয়েছে রেখা গুপ্তার প্রকল্প।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

“এ লড়াই বাংলার মানুষের আত্মসম্মানের”,প্রচারের ময়দানে হুঙ্কার অভিনেতা পরমব্রতর

‘‌সিআরপিএফ অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছে ভবানীপুরে ভোট স্লো করতে’‌, শাহকে তোপ মমতার

রবিতে উত্তর কলকাতায় মোদির রোড-শো, মতুয়াদের মন পেতে সভা বনগাঁতেও

যোগী বা ভোগী আসুক বাংলার মানুষ ভোট দেবেন মমতাকেই, নদিয়ায় বিরোধীদের নিশানা জুন মালিয়ার

‘৪ মে মোদিজিকে বর্ধমানের সীতাভোগ খাওয়াবো’, জামালপুরে ঘোষণা শাহের

ভোট মিটতেই আসানসোলে কংগ্রেস কর্মী খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূলের কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ