দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সর্বনাশ! দেশে থাবা বসাল চিনা ভাইরাস HMPV, বেঙ্গালুরুতে সংক্রমিত ৮ মাসের শিশু

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেঙ্গালুরু: আশঙ্কাই সত্যি হল। চিনে তাণ্ডব চালানো এইচএমপিভি ভাইরাস থাবা বসাল দেশে। বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালে ভর্তি আট মাসের এক শিশুর দেহে মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। যদিও কর্নাটকের স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সরকারি ল্যাবে ওই শিশুর রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। এক বেসরকারি হাসপাতালের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে সেই রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহের কোনও কারণ নেই।

শীত পড়তে না পড়তেই চিনে নতুন করে এক ভাইরাসের থাবায় গত কয়েকদিন ধরে কাবু হয়ে পড়ছেন হাজার-হাজার মানুষ। শ্বাসকষ্ট নিয়ে অনেককেই ভর্তি হতে হয়েছে হাসপাতালে। বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ভিড় উপচে পড়েছে। গতকাল শুক্রবারই (৩ জানুয়ারি) জানা গিয়েছে, চিনে যে নতুন ভাইরাস তাণ্ডব চালাচ্ছে তা হল  হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস বা এইচএমপিভি। ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে চিনের হাসপাতালগুলোর ‌একাধিক ছবি ভাইরাল হয়েছে। ফলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে গোটা বিশ্বে। কেননা, ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিনের উহানের এক বাজার থেকেই প্রথম ছড়িয়ে পড়েছিল করোনাভাইরাস। আর ওই প্রাণঘাতী ভাইরাস গোটা বিশ্বকে্‌ই ত্রস্ত করে রেখেছিল। কয়েক লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়েছিল।

যদিও শুক্রবারই চিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, এইচএমপিভি নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। এটা এক শীতকালীন সংক্রমণ। প্রতি বছর-ই এই সময়ে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভোগেন এবং যারা বয়স্ক তাদের শ্বাসকষ্টের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। চিনের বিদেশ মন্ত্রকও পর্যটক এবং বিভিন্ন দেশের  নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেছে, সে দেশে ভ্রমণ সম্পূর্ণ ভাবে নিরাপদ।

যদিও সেই আশ্বাসে খুব একটা ভরসা রাখতে পারছে  না বিশ্ববাসী। বরং এইচএমপিভি ভাইরাস নিয়ে সিঁদূরে মেঘ দেখছেন তারা। গত শনিবার (৪ জানুয়ারি) চিনে দাপট দেখানো ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কী-কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনার জন্য জরুরি বৈঠকে বসেছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ন নজরদারি গোষ্ঠী বা জয়েন্ট মনিটরিং গ্রুপ। বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চিনে দাপট দেখানো এইচএমপিভি ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ প্রতিবেদনের ওপরে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। এইচএমপিভির মতো ভাইরাসগুলো ইতিমধ্যেই দেশে প্রচলিত রয়েছে এবং হাসপাতালগুলিতে শ্বাসকষ্ট কিংবা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ নিয়ে ভর্তির সংখ্যা মোটেও উদ্বেগের নয়। যে পরিকাঠামো বিদ্যমান তাতে এইচএমপিভির মতো ভাইরাসের মোকাবিলা করা সম্ভব। তাই অযথা উদ্বিগ্ন না হয়ে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’

এইচএমপিভির উপসর্গ : এইচএমপিভির উপসর্গ গুলো ফ্লু এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের মতোই। সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে কাশি, জ্বর, নাক বন্ধ হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট। গুরুতর ক্ষেত্রে, ভাইরাস ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মত জটিলতা দেখা যেতে পারে।

এইচএমপিভির ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা উন্মেষপর্ব সাধারণত তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে হয়। তবে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে লক্ষণ গুলো বিভিন্ন সময়কালের জন্য স্থায়ী হয়।

কীভাবে ছড়ায় : এইচএমপিভি অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতোই ছড়ায় ১)কাশি এবং হাঁচি থেকে নিঃসরণ।২)হাত মেলানো বা স্পর্শ করা। ৩)সংক্রমিত স্থান স্পর্শ করা এবং তারপর মুখ, নাক বা চোখ হাত দিয়ে ছোঁয়া। কিংবা সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

বিজেপি শাসিত রাজ্যে অপুষ্টিতে মৃত্যু ৪ মাসের শিশুর, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মীদের নিশানা পরিবারের

রেকর্ড ৮৫.০৩ শতাংশ ভোট পড়ল তামিলনাড়ুতে, স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ

লক্ষ্মীবারেই রক্তাক্ত শেয়ার বাজার, ৮৫২ সূচক কমল সেনসেক্স

উত্তরপ্রদেশে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী মুখ যোগী আদিত্যনাথ-ই’, জানিয়ে দিলেন পদ্ম সভাপতি

মোদি- জয়শঙ্কর সহ দেশের একাধিক মুখ্যমন্ত্রীকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি, হাই অ্যালার্ট জারি

বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটের পরেই বাড়বে জ্বালানির দাম? পরিকল্পনা স্পষ্ট করল কেন্দ্র

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ