চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

ভোট না দিলে নাম কাটার আতঙ্ক, চড়া ভাড়া গুনেই কেরল থেকে বাংলায় ফিরছেন পরিযায়ীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২১ বছর পর রাজ্যে SIR প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। যাতে নাম বাদ গিয়েছে লক্ষ লক্ষ ভোটারের। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপে রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছে নাম বাদ পড়া ভোটাররা। প্রতিবাদে জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। সেই কারণেই ছাব্বিশের বিধান সভা নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দফায় নাম বাদ পড়লেও অনেকেরই সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নাম উঠেছে। তাই অনেকেই ভোট দিতে চাইছেন। কারণ একটাই, যদি এবার ভোট না দিলে নাম বাদ পড়ে যায়! তাই বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা দলে দলে ভোট দিতে বাড়ি ফিরছেন। আর সেই প্রভাব পড়ছে ট্রেনের টিকিটে। অনেকেই ট্রেনের টিকিট না পেয়ে বাসে করে রাজ্যে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বিশেষ করে, কেরলে কর্মরত বাংলার শ্রমিকরা বাসে করেই বাড়িতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন তাঁরা। শেষ মুহূর্তে বেসরকারি বাসগুলিই ভরসা হয়ে উঠছে তাঁদের। যার ফলে বাসগুলির টিকিটের দামও বাড়ছে। এই মুহূর্তে তিরুঅনন্তপুরম থেকে বাংলাগামী কোনও ট্রেনের টিকিট নেই। যেসব শ্রমিক আগে টিকিট কেটেছেন, তাঁরাই শুধুমাত্র ট্রেনে চেপে ফিরতে পারবেন বাড়িতে। এই রুটের মোট ছয়টি ট্রেন রয়েছে।যার মধ্যে রয়েছে শালিমার সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস (বৃহস্পতিবার ও শনিবার), ডিব্রুগড় বিবেক এক্সপ্রেস (প্রতিদিন), টিভিসি এসসিএল এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার), গুরুদেব সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (রবিবার), সিবিই এসসিএল সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস (রবিবার) এবং অরোনাই এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার)। কিন্তু কোনও ট্রেনেরই টিকিট নেই। কিন্তু ভোট তো দিতেই হবে! যদিও ট্রেনের টিকিট না পেয়ে হতাশ হয়ে অনেকেই ভেবেছিলেন ভোট দেবেন না। কিন্তু যদি নাম বাদ পড়ে যায়!

সেই ভয়েই এবার বেসরকারি বাসগুলিতে ভিড় জমাচ্ছেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা। ইতিমধ্যেই কেরলের এর্নাকুলাম জেলার পেরুম্বাভুর, কোথামঙ্গলম এবং মুভাট্টুপুঝা এলাকা থেকে কয়েকটি বাস বাংলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ভোট দেওয়ার পর ফের ওই বাসে চেপেই আবার কেরলে ফিরে যাবেন তাঁরা। কিন্তু সবথেকে অবাককর বিষয় হল, শ্রমিকদের সুবিধা দেওয়ার পরিবর্তে ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন বাস মালিকরা। বাসের ভাড়া ধার্য করা হয়েছে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। নন-এসি বাসে ভাড়া ৪ হাজার টাকা আর এসি বাসে ৫ হাজার টাকা এবং স্লিপার বাসে ৬ হাজার টাকা করে টিকিটের মূল্য নেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক বাসে দুই জন করে চালক রয়েছেন। ভোটের কারণে শ্রমিকদের অনুরোধে ১০০-র বেশি বাস চালানো হচ্ছে। তবে এই কারণে অনেক সমস্যার মুখেও পড়তে হচ্ছে বাস মালিকদের। কারণ, বাংলা-ওড়িশা সীমান্তে প্রতি ট্রিপে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হচ্ছে। যার কারণ তাঁদের লোকসান হচ্ছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ, ভোটের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা পুরুলিয়া জেলা নির্বাচন দপ্তরের

প্রথম দফার ১৫২ আসনের ভোট প্রচার থামল, শেষ মুহুর্তে ঝড় তোলার চেষ্টা প্রার্থীদের

মধ্যমগ্রামে রথীন ঘোষের জয়ের পথে কাঁটা হবেন কংগ্রেসের চণ্ডীদা?

হলদিয়ার পদ্ম প্রার্থীর আগ্নেয়াস্ত্র সহ ভিডিও ভাইরাল, চাঞ্চল্য গেরুয়া শিবিরে

মহারাষ্ট্রের পালঘরে আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত ২ শ্রমিক

‘আমাদের ভোট দেবেন না, তৃণমূলকে দিন’, ভিডিও-বিতর্কে হুমায়ুনের দল ছাড়লেন আরও ৪ প্রার্থী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ