চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

মধ্যমগ্রামে রথীন ঘোষের জয়ের পথে কাঁটা হবেন কংগ্রেসের চণ্ডীদা?

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজনীতিতে তিনি সেই বিরল নেতাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি শত প্রলোভনেও দল ছাড়েননি। এক সময়ে ছিলেন যুব কংগ্রেসের ডাকাবুকো নেতা। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা ছিল। বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনায় যারা শাসকদলের প্রথম সারির নেতা, তাঁদের অনেকেরই রাজনীতিতে পদার্পণ তাঁর হাত ধরে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যমগ্রামে জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন অনন্ত রায়। স্থানীয়দের কাছে যিনি ‘চণ্ডীদা’ হিসাবেই সমধিক পরিচিত। আর ভোটের ময়দানে তাঁর আবির্ভূত হওয়া অনেক হিসেব-নিকেশ ওলটপালট করে দিতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

পেশায় বারাসত আদালতের আইনজীবী অনন্ত রায় সুবক্তা হিসাবে যথেষ্টই পরিচিত। রাজনীতিতে চার দশক কাটিয়ে দিলেও দুর্নীতির কাদা গায়ে লাগেনি। গুটিকয়েক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে সকাল-সকাল বেরিয়ে পড়ছেন ভোটপ্রচারে। মধ্যমগ্রাম বিধানসভা আসন গঠিত শহুরে-আধা শহুরে ও গ্রামীণ এলাকার ভোটারদের নিয়ে। মধ্যমগ্রাম পুরসভার পাশাপাশি রিয়ান্ডা-চণ্ডীগড় সহ বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতও রয়েছে।

শহুরে এলাকায় যেমন হিন্দু ভোটারদের আধিক্য, তেমনই গ্রামীণ এলাকায় মুসলিম ভোটার সংখ্যাধিক্য। এই আসন থেকে তিন বার জয়ী হয়েছেন রাজ্যের বিদায়ী খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ।পুরপ্রধান থাকাকালীন মধ্যমগ্রামকে ঝাঁ-চকচকে গড়ার পিছনে যাঁর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ভোটের ময়দানে বিজেপির হয়ে রয়েছেন অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বামেরা এখানে দ্বিধাবিভক্ত। বামেদের প্রার্থী আইএসএফের প্রিয়াঙ্কা বর্মন। তবে ফরওয়ার্ড ব্লকের হয়ে দাঁড়িয়েছেন এলাকার তরুণ সংগঠক নিতাই পাল। খাতায় কলমে বহুমুখী লড়াই। তবে মূল লড়াই হবে মূলত তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। তবুও হাল ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস প্রার্থী। প্রতিপক্ষরা যখন প্রচারে প্রচুর পরিমাণ টাকা খরচ করছেন, তখন সামান্য দেওয়াল লিখন ও ছোট-ছোট ফ্লেক্স আর ব্যানারেই নিজের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছেন অনন্ত রায়।

কথায়-কথায় বললেন, ‘ধর্ম আর দুর্নীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে সারা জীবন লড়াই করে গিয়েছি। পুর এলাকার নিয়নের আলো দেখে গ্রামীণ এলাকার অনুন্নয়ন বোঝা যাবে না। দীর্ঘ ১৫ বছর তৃণমূল সরকারের জমানায় এলাকার নিকাশি ব্যবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। কোনও শিল্প গড়ে ওঠেনি। একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়েছে। পরিবর্তে আবাসন শিল্পের বিকাশ হয়েছে। সিন্ডিকেট রাজের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। তরুণ প্রজন্ম মাসিক ভাতা চায় না, চাকরি চায়। ভিন রাজ্যে যারা চাকরি করতেন, তারা  করোনাকালে বেকার হয়ে ফিরে এসেছেন। রাস্তার পাশে ফুড স্টল খুলে সংসার চালানোর চেষ্টা করছেন। ভোটপ্রচারে গিয়ে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনেছি। প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বাসী নয়। সাধারণ মানুষের আশীর্বাদে যদি জিতে আসি তাহলে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করব। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট আদায়ের সস্তা রাজনীতিতে কখনও বিশ্বাস করিনি, আজও করি না।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ফের রাজপথে নামছেন মমতা, ২৭ এপ্রিল যাদবপুর থেকে ভবানীপুর তৃণমূলের মহামিছিল

বঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটে ২৩২১ কোম্পানি আধা সেনা, কলকাতায় কত?

ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ, ভোটের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা পুরুলিয়া জেলা নির্বাচন দপ্তরের

প্রথম দফার ১৫২ আসনের ভোট প্রচার থামল, শেষ মুহুর্তে ঝড় তোলার চেষ্টা প্রার্থীদের

হলদিয়ার পদ্ম প্রার্থীর আগ্নেয়াস্ত্র সহ ভিডিও ভাইরাল, চাঞ্চল্য গেরুয়া শিবিরে

‘আমাদের ভোট দেবেন না, তৃণমূলকে দিন’, ভিডিও-বিতর্কে হুমায়ুনের দল ছাড়লেন আরও ৪ প্রার্থী

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ