চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

আগামী ১৫ বছরের মধ্যে ভারত-সহ বিশ্বের ৫০ কোটি শিশুর ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বজুড়ে শিশুদের স্থূলতা ও অতিরিক্ত দ্রুত ওজন বাড়ছে। এখন থেকে যদি কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে ২০৪০ সালের মধ্যে ২২ কোটির বেশি শিশু স্থূলতায় আক্রান্ত হতে পারে এবং ৫০ কোটির বেশি শিশু অতিরিক্ত ওজনের ঝুঁকিতে পড়বে বলে সতর্ক করল একটি বৈশ্বিক প্রতিবেদন। শুধু তাই নয়, এই মান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে প্রায় ১৮ কোটি শিশু স্থূলতায় ভুগেছে। কিন্তু এখন থেকেই বিষয়টির উপর নজর দেওয়া নাহলে ২০৪০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখে দাঁড়াবে। একই সময়ে অতিরিক্ত ওজনের শিশুদের সংখ্যা ৫০ কোটির বেশি ছাড়িয়ে যাবে। যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মক আকার ধারণ করবে।

শুধু তাই নয়, উচ্চ বডি মাস ইনডেক্স (BMI) এর কারণে অন্তত ১২ কোটি স্কুলপড়ুয়ার শরীরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা অসংক্রামক রোগ দেখা দেবে। সাধারণত মানুষের ক্ষেত্রে বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) ২৫-এর বেশি হলে তা অতিরিক্ত ওজন বলে বিবেচনা করা হয়। এই বিষয়ে ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ফেডারেশনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছে ন, বিশ্বজুড়ে শিশুরা ওজনে বাড়ছে। কিন্তু বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছেনা। এখন থেকেই সচেতন না হলে পুরো প্রজন্ম দীর্ঘমেয়াদি ও সম্ভাব্য প্রাণঘাতী রোগের শিকার হতে পারে। বিশেষত সমীক্ষায় ফুটে উঠেছে যে, ৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে উচ্চ বিএমআইয়ের প্রবণতা বেশি। এই বিষয়ে চিনের পরে রয়েছে ভারত ও আমেরিকা।

আমেরিকায় প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে দুজনই অতিরিক্ত ওজনের। ইউরোপেও এরকম পরিস্থিতি। ব্রিটেনে প্রায় ৩৮ লাখ শিশুর উচ্চ BMI রয়েছে। যার ফলে মহামারি হওয়ার মুখে রয়েছে ব্রিটেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ২০৪০ সালের মধ্যে ব্রিটেনে লাখ লাখ শিশুর মধ্যে হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা রয়েছে, যা ভবিষ্যৎ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও আমেরিকা মহাদেশের কয়েকটি দেশে স্কুলপড়ুয়া শিশুদের অর্ধেকের বেশি অতিরিক্ত ওজনের। শুধু ব্যক্তিগত জীবনযাপনের জন্যে নয়, খাদ্যব্যবস্থা, নগরজীবন ও নীতিনির্ধারণের ঘাটতির উপরেও শিশুদের ওজন বৃদ্ধি নির্ভর করে। শিশুদের স্থূলতা মূলত পরিবেশগত ব্যর্থতার ফল। তাই এখন থেকেই তাঁদের খাদ্যের লেবেলিং, বিপণন নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। শিশুদের খাবার থেকে যতটা সম্ভব চিনিযুক্ত খাবার, জাঙ্ক ফুডের পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। পাশাপাশি স্কুলের আশপাশে ফাস্টফুডের দোকান নিয়ন্ত্রণে করতে হবে। তবেই এই সমস্যা থেকে বের হতে পারবে বিশ্ববাসী।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

লাহোরে গুলিবিদ্ধ লস্কর নেতা আমির হামজা, অবস্থা আশঙ্কাজনক

তাপপ্রবাহে পুড়ছে মহারাষ্ট্র, হিটস্ট্রোকের বলি অটোচালক

শুশ্রূষার জন্য ছাড়তে হয়েছিল চাকরি, অসুস্থ মাকে চারতলা থেকে ফেলে দিল গুণধর ছেলে

বিশ্বের প্রবীণতম গরিলার জন্মদিন পালন, ধুমধাম করে উদযাপন চিড়িয়াখানায়

জ্যান্ত পিঁপড়ে পাচারের দায়ে জরিমানাসহ ১ বছর কারাদণ্ড চিনা ব্যক্তির

রোদের মধ্যে গেটে বাঁধা ৫ বছরের নাতনি, চাকরি গেল পুলিশকর্মী দিদার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ