চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সইফকে ছুরিকাঘাতের পরপরই করিনার গাড়িতে ‘হামলা’, কীভাবে রক্ষা পেয়েছিলেন অভিনেত্রী?

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৬ জানুয়ারী ভোররাতে মুম্বইয়ের বাসভবনে সইফ আলি খানকে ছুরিকাঘাত করার পরপরই তাঁর গাড়িতে আবারও ‘হামলা’ করা হয়েছিল। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারী বলিউডের পাওয়ারফুল দম্পতি সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুরের বান্দ্রার বাড়িতে একাধিক সিকিউরিটি পেরিয়ে ঢুকে পেয়েছিল এক অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তি। যাঁকে দেখে রীতিমতো থতমত খেয়ে গিয়েছিল করিনার ছোট ছেলে জেহর আয়া। এরপর তিনি অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিকে বাচ্চা দের ঘরে ঢুকতে না করলে চরম বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায় তাঁদের মধ্যে। যা শুনে তড়িঘড়ি ওপর থেকে নিচে ছুটে আসেন সইফ-করিনা। তাঁদের দেখেই দুষ্কৃতী ১ কোটি টাকা দাবি করেন। এরপর বাচ্চাদের সুরক্ষার্থে অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তির সঙ্গে মারামারি হয় সইফের। এবং নিজে বাঁচতে সইফের উপর ২-৩ ছুরির কোপ মেরে পালিয়ে যান দুষ্কৃতী। সে চুরির উদ্দ্যেশ্য সইফের বাড়িতে ঢুকেছিল।

এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় সইফকে লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর বড় ছেলে ইব্রাহিম। সেখানে ৫ ঘন্টা অস্ত্রোপচারের পর সইফের শরীর থেকে চাকুর টুকরোটি বের করা হয়। যদিও এখন তিনি পুরোপুরি ফিট। তবুও সইফের উপর হামলার সেই রাতের ভয়াবহতা এখনও মনে পড়লে কেঁপে ওঠেন পতৌদি পরিবার। সেই রাতে ছেলেদের ও স্ত্রীকে বাঁচাতে রীতিমতো সুপারম্যান হয়ে উঠেছিলেন সইফ আলি খান। কিন্তু এই ঘটনার পরেও সইফ আলি খানের গাড়িতে আবারও “হামলা” করা হয়েছিল। তবে সেই গাড়িতে করিনা কাপুর ছিলেন। কিন্তু ঘটনাটি গুরুতর ছিল না, তবুও এই হামলায় অভিনেত্রী ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। বিষয়টি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এনেছেন আরেক প্রখ্যাত অভিনেতা রণিত রায়। এই ঘটনাটি মিডিয়াকে জানানো হয়নি। সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে, রনিত রায় জানিয়েছেন, তাঁর নিরাপত্তা সংস্থা সইফ এবং করিনা সুরক্ষার জন্য নিয়োগ হয়েছিল। সেই কারণেই তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছিলেন। রণিত রায়ের কথায়, “হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে সইফ যখন বাড়ি ফিরছিলেন, তখন সর্বত্র প্রচুর ভিড় এবং মিডিয়া ছিল।

করিনাও তাঁর সঙ্গে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই তাঁর গাড়িতে সামান্য আক্রমণ করা হয়েছিল। তিনি ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। যেহেতু আশেপাশে মিডিয়া ছিল, লোকেরাও খুব কাছে চলে গিয়েছিল। তাই তাঁর গাড়িতে হামরা হয়। তখন করিনা আমাকে সইফকে বাড়িতে আনতে বলেছিলেন। তাই আমি তাকে নিতে গিয়েছিলাম। সে বাড়িতে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই আমার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সেখানে নিয়োগ করি। অভিনেতার উপর হামলার পর করিনা এবং সইফের বান্দ্রার বাড়িতে আমি একটি রেইকি করেছিলাম এবং তখনই আমি জানতে পারি যে, সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে নেই। তখন সইফ আমাকে জানায় যে, তার বাড়িতে নিরাপত্তার জন্য কী কী বিষয় রাখা উচিত। যার পরে আমি নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্ব নিই।’ এদিকে সইফকে হামলার এক সপ্তাহ বাদেই ধরা পড়ে দুষ্কৃতী শেহজাদ, যিনি বাংলাদেশের বাসিন্দা। সেখানে খুন করে ভারতে পালিয়ে এসেছিলেন। এখন সে কারাগারে বন্দি।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর অকালেই চলে গেলেন জনপ্রিয় টেলি অভিনেতা

শুটিং সেট থেকে রাশি খান্নার ৫০ হাজার টাকা চুরি, পাকড়াও ভ্যানিটি ভ্যানের কর্মী

সকালে শুটিং, রাতে পড়াশোনা, মাধ্যমিকে কেমন ফল করল ‘কুসুম’ তনিষ্কা?

চহালের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী শেফালি বাগ্গা

পাল্টে গেল সম্পর্কের সমীকরণ, আদালতে সুকেশের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে রাজি জ্যাকলিন

আচমকা দিল্লি হাইকোর্টে দ্বারস্থ ‘পুষ্পারাজ’ আল্লু অর্জুন, হঠাৎ কী হল সুপারস্টারের?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ