দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

২০ লক্ষের জবাবে তনয়কে শাস্ত্রীকে ২ কোটির আইনি নোটিশ পাঠালেন মিমি, তারপর কী হল?

নিজস্ব প্রতিনিধি: বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তনয় শাস্ত্রী নামের একজন জ্যোতিষীর সঙ্গে তুমুল ঝামেলা হয় টলিউড নায়িকা মিমি চক্রবর্তীর। যার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন মিমি। যার ভিত্তিতে তনয়কে গ্রেফতার করেছিল বনগাঁ থানার পুলিশ। তারপর অবশ্য জামিন পেয়ে গিয়েছেন তিনি। তবে এই ঝামেলা এখন নয়া মোড় নিয়েছে। গতকাল শোনা গিয়েছে, জামিনে জেল মুক্তির পর তনয় অভিনেত্রী কে ২০ লক্ষ টাকার আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির মাধ্যমে তিনি মিমিকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। ওই নোটিসে মূলত তিনটি কথা উল্লেখ রয়েছে। প্রথমত, এই অনুষ্ঠানের পারিশ্রমিক হিসাবে মিমিকে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

রাত সাড়ে ৯টায় মিমির অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছনোর কথা ছিল, কিন্তু তিনি সাড়ে ১১টা নাগাদ অভিনেত্রী সেখানে পৌঁছন। সঙ্গে সঙ্গে স্টেজে উঠতেও পারেননি। তাই তাঁকে পারিশ্রমিক টাকা ফেরত দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মিমি তাঁকে জেলে পাঠিয়েছে। তার ফলে তনয় শাস্ত্রীর মানহানি হয়েছে। ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে মিমিকে। তৃতীয়ত, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মিমিকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে। নইলে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করা হবে। তবে তখন মিমি কিছু না জানালেও এখন শোনা যাচ্ছে, তনয় শাস্ত্রী মিমির পাঠানো ২ কোটি টাকার আইনি নোটিশের জবাবে নায়িকাকে ২০ লক্ষের আইনি নোটিশ ধরিয়েছেন। খবর, গত ৪ ফেব্রুয়ারি তনয়কে দু’কোটি টাকার আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন মিমি। সেই নোটিশে বলা হয়েছিল, মানহানি, মানসিক যন্ত্রণা, হেনস্থার জন্যই দু’ কোটি টাকার আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে তনয়কে। আর এই তথ্যটি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মিমির আইনিজীবী, আদিত্য কানোডিয়া। এরপরেই মিমিকে পাল্টা আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন তনয় শাস্ত্রী। তিনি ২০ লক্ষ টাকার নোটিশ পাঠিয়েছেন নায়িকাকে।

উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন মিমি। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠানের সময় ছিল। কিন্তু ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ, মিমি একঘণ্টা দেরিতে অনুষ্ঠানে পৌঁছন। মঞ্চে উঠতে উঠতে তাঁর পৌনে ১২টা বেজে যায়। কিন্তু প্রশাসনের তরফ থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল। কিন্তু মিমির অভিযোগ, তাঁকে পারফরম্যান্সের মধ্যেই মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এরপরেই পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন অভিনেত্রী। তনয় শাস্ত্রীকে অভিযুক্ত করেন অভিনেত্রী। ওই ঘটনায় পুলিশ তনয়কে ধরার জন্য গিয়েছিল বনগাঁ থানার পুলিশ। কিন্তু সেসময় পুলিশকে বাধা দেওয়া হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশকে বেগ পেতে হয়। এরপর পুলিশকে ‘হেনস্থা’ ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেও তনয় শাস্ত্রী ও ধৃত দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয় শাস্ত্রীদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। কয়েকদিন হাজতবাসের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের দায়ের করা মামলায় জামিন পান তনয়। বনগাঁ কাণ্ডে আপাতত দুই আইনজীবীর লড়াই চলবে। তবে দিন কয়েক আগে এই মামলায় বনগাঁ আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে পৌঁছেছিলেন মিমি। এখন আইনি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কোন পক্ষ জয়ী হয়, সেটাই দেখার বিষয়!

Published by:

Share Link:

More Releted News:

আঙুলে কালি সত্বেও ভোট দিতে না পারার অভিযোগ, মোথাবাড়িতে নির্বাচন ঘিরে চাঞ্চল্য

নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতারের অভিযোগ, কমিশনের দ্বারস্থ

‘লরেন্স অফ পাঞ্জাব’ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে গেল পাঞ্জাব কংগ্রেস

জায়গায় জায়গায় EVM খারাপ, নওদায় বোমাবাজি, কী বার্তা CEO মনোজ আগরওয়ালের?

বিয়ে বাড়ির আদলে সাজানো পুরুলিয়ায় মডেল বুথ, সাঁজোয়া বুথে ভোট দিয়ে খুশি ভোটাররা

তৃণমূলকে ভোট দিলে পড়ছে বিজেপিতে!‌ বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রে বিস্ফোরক অভিযোগ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ