১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে ফিরল ধার নেওয়া বই, জরিমানা শুনলে চোখ কপালে উঠবে

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বই শুধু কাগজে ছাপা কিছু অক্ষরের সমষ্টি নয়, অনেকের কাছে এটি স্মৃতি, অনুভূতি আর আবেগের এক অমূল্য সম্পদ। প্রচলিত একটি কথা রয়েছে, ‘বই এমন একটা জিনিস, যা একবার ধার দিলে আর ফেরত পাওয়া যায় না।’ কথাটি শুনতে মজার হলেও বাস্তবের সঙ্গে এর মিল খুঁজে পান অসংখ্য বইপ্রেমী। অনেকেই বন্ধুত্বের খাতিরে নিজের প্রিয় বই ধার দেন। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও সেই বই আর ফিরে আসে না। কখনও ভুলে যাওয়া, কখনও অবহেলা, আবার কেউ কেউ ইচ্ছা করেই  ফেরত দেন না বই।  এমন অভিজ্ঞতা হওয়ার পর অনেকেই সিদ্ধান্ত নেন, যতই ঘনিষ্ঠ বন্ধু হোক না কেন, বই আর ধার দেবেন না। এবার প্রায় ১৫০ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার একটি পাবলিক লাইব্রেরিতে ফিরল ধার নেওয়া একটি বই। দীর্ঘ সময় পর বইটি ফেরত দেওয়ার জন্য জরিমানা করা হয়েছে মোটা অঙ্কের। 

জানা গিয়েছে, কিয়ামা নামের এক উপকূলীয় শহরের গ্রন্থাগার থেকে বইটি নেওয়া হয়েছিল। রস সিমন্স নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা গত সপ্তাহে  সেটি ফেরত দেন। সম্প্রতি তিনি তাঁর বাড়ি সংস্কারের সময়   পুরোনো ফায়ারপ্লেসের ইটের গাঁথুনির ভেতরে রাখা একটি চায়ের বাক্সে বইটি খুঁজে পান।  কিয়ামা লাইব্রেরির পরিচালক  মিশেল হাডসন  এই তথ্য জানিয়েছেন। লাইব্রেরির নিয়ম অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় পর বই ফেরত দেওয়ার অভিযোগে গ্রহীতার ওপর প্রায় ১৯ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য হয়েছে। হাডসন বলেন, ‘আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক গ্রন্থাগারের খোঁজখবর রাখি। সেখানে প্রায়ই দেখা যায়, মানুষ পুরোনো বাড়ি বা সম্পত্তি পরিষ্কার করতে গিয়ে ৩০ থেকে ৪০ বছরের পুরোনো জিনিসপত্র খুঁজে পান এবং সেগুলো ফেরত দেন। ‘এত পুরোনো কোনও কিছু আমাদের কাছে আর কখনো ফেরত আসেনি।’ 

বইটি ফেরত দেওয়ার পর জরিমানা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন,  বইটির মলাটের ভেতরে মুদ্রিত ব্রিটিশ সাপ্তাহিক তিন পেন্স বিলম্ব ফি এবং ১৮৭২ সালে লাইব্রেরিটি চালু হওয়ার সময়ে প্রচলিত নিয়মের ভিত্তিতে এই জরিমানা অঙ্ক জানানো হয়েছে। যে গ্রন্থাগারে বইটি ফেরত দেওয়া হয়েছে সেটি  চালু হয়েছিল ১৮৭২ সালে।  ‘অ্যান্টিকুইটিজ অব এথেন্স’ নামের বইটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৮ সালে। গ্রন্থাগার চালুর শুরুর সময়  প্রায় ১ হাজার বই সংগ্রহ করে রাখা হয়েছিল। সংগ্রহশালায়  এই বইয়ের নম্বর ছিল ৫০৬। হাডসন ধারণা করছেন, গ্রন্থাগার চালুর কয়েক বছরের মধ্যেই বইটি হারিয়ে যায়। তিনি আরও বলেছেন, লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বইটি এখন গ্রন্থাগারের ইতিহাসের অংশ হয়ে গিয়েছে। বইটি কে নিয়েছিলেন তা আর জানা সম্ভব নয়  কারণ ১৮৭০-এর দশকের ধার নেওয়ার রেজিস্টার বর্তমানে হারিয়ে গিয়েছে। বইটির ভেতরেও এমন কোনো তথ্য নেই, যা থেকে সর্বশেষ পাঠকের পরিচয় শনাক্ত করা  যাবে। 

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে উল্টে গেল যাত্রীবোঝাই বাস, আরামবাগে দুর্ঘটনায় আহত বহু

নিজের খাবার বৌদ্ধ ভিক্ষুর হাতে তুলে দিলেন ভিখারি, চোখে জল এনে দেওয়া ভিডিয়ো ভাইরাল

৪৮ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ২ হাজার করে টাকা! মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

‘রাবণ সম্পূর্ণ খারাপ ছিলেন না’, বেফাঁস মন্তব্য করে বিপাকে পর্দার ‘সীতা’ সাই পল্লবী

জমি দুর্নীতির পর মাটি চুরির অভিযোগ, অভিষেকের প্রাক্তন পিএ সুমিতকে শোন অ্যারেস্ট পুলিশের

ক্ষেপে ড্রোনে লাথি কষালেন সঞ্চালক, ছিটকে গিয়ে লাগল তরুণী মডেলের ঠোঁটে, রক্তারক্তি কাণ্ড

‘৬, ৭ ও ৮ নম্বর ফর্মে পরিবর্তন করতে পারে না কমিশন’, জ্ঞানেশদের এক্তিয়ার বাঁধল সুপ্রিম কোর্ট

দিওয়ালি উপহার মোদি সরকারের, কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ডিএ বাড়ল ৩ শতাংশ

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ৪৬, বন্ধ করা হল রেল পরিষেবা

মন্ত্রিত্ব বেঁচে গেল হরদীপ পুরীর, মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনে লড়ছেন

ঈশানকে পিছনে ফেলে ICC-এর ক্রমতালিকায় শীর্ষ স্থান দখল করলেন অভিষেক

দিঘায় ঢোকার মুখে দাঁড়িয়ে পড়ল তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, কী কারণে বিপত্তি?

তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে অপসারিত হলেন কোচির পুলিশ কমিশনার