যেকোনো মূল্যে ইরানে সরকারের পতন ঘটাতে ‘প্ল্যান বি’ নিয়ে ময়দানে নামছে আমেরিকা-ইজরায়েল

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানে উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলায় এখনও পর্যন্ত ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ১৩ দিন হয়ে গেলেও যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণই নেই। উল্টে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হচ্ছে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ‘প্ল্যান-এ’ ছিল ছিল ইরানের ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে সরকারের পতন ঘটনো। তবে যেমন ভাবা হয় তেমনটা হয়না। তাই এবার ‘প্ল্যান-বি’ নিয়ে ময়দানে নামতে চলেছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। 

যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ অন্তত ৪৮ জন শীর্ষ কর্মকর্তা। তারপর থেকে শুরু হয়েছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। কিন্তু সময় গেলেও ইরানের সরকার পতনের ইঙ্গিত না মেলায় পরিকল্পনা বদলের কথা ভাবছে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নতুন এই পরিকল্পনায় দুটি কৌশল রয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হল, কুর্দি বা বালুচদের মতো সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে কাজ করে তাদের বিদ্রোহ চাঙ্গা করা, যাতে ইরান ভেঙে পড়তে শুরু করে। দ্বিতীয় কৌশলটি হল, শত্রুর নিজ দেশে জনসমর্থনে চিড় ধরানো। এটিকে ‘দাহিয়া নীতি’ বলা হয়। এই নীতি অনুযায়ী, কোনও বিদ্রোহ দমন করা না গেলে বা কোনও রাষ্ট্রের নেতৃত্বকে বশে আনা সম্ভব না হলে জয়ের পথ হল, সাধারণ মানুষষের ওপর অবিরাম আঘাত হানা। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষাবাহিনী ও আমেরিকার বিমানবাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এখন এই নীতি কাজে লাগাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ ফাইনালের পর জাতীয় পতাকাকে অপমানের অভিযোগ! হার্দিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

ট্রাম্প যুদ্ধ থামানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে ইরান পাল্টা দাবি করে জানিয়েছে যুদ্ধ শুরু আমারিকা ও ইজরায়েল শুরু করলেও শেষ হবে তাদের ইচ্ছায়। অনেকেই বলছেন ইরানে সরকার পতন না ঘটিয়ে ট্রাম্প যদি যুদ্ধ শেষ করেন তাহলে সেটা তাদের নৈতিক পতন হবে। তাই যেকোনো মূল্যে ইরানে সরকার পতন ঘটানো এখন দুই দেশের প্রধান লক্ষ্য।  

শ্রাবণের সোমের উপবাসে ভুলেও খাবেন না এই ৩ ফল, ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের

ডাকঘরের এই স্কিমে এককালীন বিনিয়োগ করুন, প্রতি মাসে ঘরে বসে পান ৫,৫০০ টাকা

মিলল না রফাসূত্র, চাকরির পরীক্ষার অনিয়মে সিবিআই তদন্ত চেয়ে আন্দোলনে ঝাড়খণ্ডের পড়ুয়ারা

নিম্নচাপের জেরে সোম থেকেই বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য, বড় দুর্যোগের আশঙ্কা কলকাতায়

‘লোকতন্ত্র সেনানী’-দের মাসিক ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

একসঙ্গে বদলি করা হল কলকাতা ও বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে, কারণ কী?

তিলোত্তমার সৎকারে অতিসক্রিয়তা, নির্মল ঘোষদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর

মায়ের মৃত্যুর পর নর্মদায় ডুবে আত্মহত্যার চেষ্টা, কীভাবে রক্ষা পেলেন ‘হিরো নং ১’ গোবিন্দা?

রোগীমৃত্যু ঘিরে হাসপাতালেই তাণ্ডব, মালদহে আক্রান্ত চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা

আরজি কর কাণ্ডে ফেঁসে যাচ্ছেন মমতা? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে জেরার ইঙ্গিত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী বিমানের পাইলট মাদকাসক্ত ছিলেন! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

ট্রাম্পের উপর রাগ! গাজার শান্তিচুক্তি নিয়ে আমেরিকার প্রস্তাব ফেরালেন নেতানিয়াহু

কলকাতা হাইকোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম সুুপারিশ করল সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম

১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের নির্দেশ রাজ্যপালের