এই মুহূর্তে

থাইল্যান্ডে বহুতল থেকে পড়ে মৃত্যু ব্রিটিশ ফ্যাশন সংস্থা ASOS-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতার

নিজস্ব প্রতিনিধি: মর্মান্তিক ঘটনা! ১৭ তলা বিল্ডিং থেকে পড়ে রহস্যমৃত্যু অনলাইন ফ্যাশন জগতের অন্যতম দিকপাল এবং ব্রিটিশ মাল্টি-বিলিয়নেয়ার ব্র্যান্ড ‘Asos’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা কোয়েন্টিন গ্রিফিথসের। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। থাইল্যান্ডের পাটায়ার নিজের বিলাসবহুল আবাসনের ১৭ তলা থেকে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গভীর রহস্য তৈরি হয়েছে। কারণ মৃত গ্রিফিথস তাঁর থাই প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক বিবাদে জড়িয়ে ছিলেন। যদিও তদন্তের পর, পুলিশ তাঁর আবাসনের ভিতর থেকে জোরাজুরি বা ধস্তাধস্তির কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণ খুঁজে পায়নি, তবে কোনও অপরাধের সম্ভাবনা উড়িয়েও দেননি। তাই তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি, তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে বা পরিকল্পিত কোনও ঘটনা, তা এখনও জানা যায়নি। পূর্ণাঙ্গ ময়নাতদন্তের পর তাঁর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে পাটায়ার একটি হাই-রাইজ কন্ডোমিনিয়ামের নিচ থেকে গ্রিফিথস-এর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি ১৭ তলার বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। পাটায়ার প্যারামেডিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেও তাঁকে বাঁচাতে পারেনি। এদিকে ​কোয়েন্টিন গ্রিফিথস-এর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্যের মেঘ। জানা গিয়েছে, মৃত্যুর সময় তিনি তাঁর প্রাক্তন থাই স্ত্রীর সঙ্গে ৫০০,০০০ ব্রিটিশ পাউন্ডের (প্রায় ৫.৫ কোটি টাকা) একটি আইনি লড়াইয়ে লিপ্ত ছিলেন। তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, গ্রিফিথস জাল নথির মাধ্যমে তাঁদের যৌথ মালিকানাধীন সংস্থার জমি ও শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলেন। গত বছর, ধনকুবেরকে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে গ্রেফতারও করে ছিল। তবে পরে তিনি মুক্তি পেয়ে গিয়েছিলেন।

তাঁর পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, এই মৃত্যু ‘অত্যন্ত রহস্যজনক’ এবং এর পেছনে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। কোয়েন্টিন গ্রিফিথস ব্রিটেনের লন্ডনে অবস্থিত একটি অনলাইন ফ্যাশন জায়ান্ট Asos এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০০ সালে নিক রবার্টসন এবং অ্যান্ড্রু রিগানের সঙ্গে ব্র্যান্ডটি চালু করেছিলেন। খুব দ্রুত এটি বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর একটি হয়ে ওঠে। এমনকী এই সংস্থার ক্লায়েন্টদের মধ্যে মিশেল ওবামা এবং প্রিন্সেস অফ ওয়েলসও ছিলেন। কোয়েন্টিন গ্রিফিথস তিন সন্তানের বাবা ছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি থাইল্যান্ডে চলে আসেন। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি একজন থাই মহিলাকে বিয়ে করেন। তাদের একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে আছে, কিন্তু কয়েক বছর আগে তারা আলাদা হয়ে যান। ​ব্রিটিশ কনস্যুলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে তাঁরা গ্রিফিথস-এর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করছেন।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘হাড় না ভাঙা পর্যন্ত স্ত্রীদের পিটিয়ে যাও’, তালিবান সরকারের সঙ্গে ‘দানবের’ তুলনা স্বরা ভাস্করের

ছেড়ে গিয়েছে মা, দুঃখ কাটাতে পুতুলকে আঁকড়ে ধরল বাঁদর ছানা

আমেরিকার হামলা মোকাবিলায় যৌথ মহড়া শুরু রুশ ও ইরান সেনার

মিশরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা! ট্রাক-পিকআপের সংঘর্ষে নিহত ১৮, আহত ৩

ফাঁস ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর আড়ালে গাজায় মার্কিন ঘাঁটি নির্মাণের নথি

১০ দিনের মধ্যে রাজি না হলে ইরানের হামলা চালাবে আমেরিকা, চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

ISL 2025-2026
Live Score Mohammedan SC vs FC Goa 0 - 2
Goals
Goal at 4' & 32'
Live Score 0 - 2
Match Status Ayush Dev Chhetri (FC Goa) Yellow Card at 25'
Powered by Ei Muhurte