বিক্রি হতে যাচ্ছিল নীল আর্মস্ট্রংয়ের শৈশব কাটানো বাড়ি, বাঁচিয়ে দিলেন এক বিমান চালক

Share:

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: স্বপ্ন দেখার শুরুটা হয়তো ছোটবেলায়, কিন্তু সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে পারেন ক’জন? ছোটবেলায় জানলা দিয়ে চাঁদের দিকে তাকিয়ে যে ছেলেটি মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন দেখতেন, একদিন তিনিই ইতিহাস গড়ে  পা রাখেন চাঁদের মাটিতে। তিনি নীল আর্মস্ট্রং, চাঁদে পা রাখা প্রথম মানুষ। আর এবার সেই কিংবদন্তির শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি ঘিরেই তৈরি হল নতুন কাহিনি। প্রায় ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ডলারে বিক্রির মুখে থাকা বাড়িটি হাতছাড়া হতে দিলেন না এক প্রাক্তন পাইলট। নিজের উদ্যোগে প্রায় ৪ লক্ষ ডলার অনুদান দিয়ে বাড়িটি রক্ষা করলেন তিনি। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা। প্রাক্তন সেই পাইলট জানিয়েছেন ইতিহাসের সাক্ষী এই বাড়িকে বাঁচিয়ে রাখার নেপথ্যে রয়েছে এক আবেগঘন উদ্যোগ।   

আমেরিকার ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ওয়াপাকোনেটা শহরের ৬০১ ওয়েস্ট বেন্টন স্ট্রিটে অবস্থিত দোতলা বাড়িটি নীল আর্মস্ট্রংয়ের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। ২০২৬ সালের অগস্টে প্রায় চার দশক পর বাড়িটি বিক্রির জন্য নিলামে তোলা হলে সেটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে এগিয়ে আসেন অবসরপ্রাপ্ত পাইলট কেন শ্রাইবার। ১৯৬৯ সালে নীল আর্মস্ট্রং যখন প্রথমবার চাঁদের মাটিতে পা রাখেন, তখন শ্রাইবারের বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর। ছোটবেলায় দেখা সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। কয়েক দশক পর, যখন তিনি জানতে পারলেন যে আর্মস্ট্রংয়ের শৈশবের বাড়িটি বিক্রি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তখন তিনি সেটি রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন।  র প্রথমে পরিচিতদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন শ্রাইবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজেই ৪ লক্ষ ডলার অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর এই অর্থসাহায্যে বাড়িটি কেনে অগলাইজ কাউন্টি হিস্টোরিক্যাল সোসাইটি। ১৯ অক্টোবর বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়। শ্রাইবার বললেন যে, তাঁর মতে কারও না কারও দায়িত্ব নেওয়া উচিত,  পাশাপাশি তিনি তাঁর বাবার দেওয়া শিক্ষার কথাও স্মরণ করে বলেন, ‘মানুষের জীবন এমনভাবে অতিবাহিত করা উচিত, যাতে সে নিজের একটি ছাপ রেখে যেতে পারে।’ 

নীল আর্মস্ট্রংয়ের মহাকাশ অভিযানের স্বপ্নের শিকড় ছড়িয়ে ছিল এই বাড়িতেই। ছোটবেলায় বাড়ির ডাইনিং রুমে বসে বিমানের মডেল তৈরি করতেন তিনি। সেই মডেলগুলির কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য বাড়ির বেসমেন্টে তৈরি করেছিলেন বাতাসের প্রবাহ পরীক্ষার একটি বিশেষ কাঠামো।  উড়ানের প্রতি তাঁর আগ্রহ এতটাই গভীর ছিল যে মাত্র ১৬ বছর বয়সেই পাইলটের লাইসেন্স অর্জন করেন আর্মস্ট্রং। এই বাড়িতে থাকাকালীনই প্রথম একক বিমান চালানোর অভিজ্ঞতাও হয়েছিল তাঁর। পরবর্তীকালে সেই আগ্রহই তাঁকে মহাকাশ অভিযানের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই অ্যাপোলো ১১ অভিযানে চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রাখেন তিনি।

 

‘টাকা নিজের কাছেই রাখ, আমি মায়ের কাছে চললাম,’ বিদায় বেলায় বাবাকে বার্তা ছেলের

আচমকা গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করার হুঁশিয়ারি দিলেন কৌস্তভ বাগচি!

লাইসেন্সের বিনিময়ে স্কুলের কাছ থেকে ১০০ কোটি ঘুষ! গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশে খেলবেন মুস্তাফিজুর রহমান, বিসিবির কাছে NOC চেয়ে আর্জি

হাড়োয়ায় ক্লাব দখলকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ, জখম একাধিক

লোকাল ট্রেন লেটের কারণে স্থগিত হয়ে গেল সেমেস্টারের পরীক্ষা, তাজ্জব ঘটনা মুম্বইয়ে

কবে কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল? দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

কোহলির চেয়েও দামী জল খান দিশা পাটানি, দাম শুনলে হতবাক হবেন

হায় রে বাংলাদেশ! জামায়াতের সন্ত্রাসীদের বাধায় দিনের আলোয় কবর দেওয়া গেল না মুক্তিযোদ্ধাকে

চোরবাগান থেকে শিক্ষা, কালীপুজো ও ছটের প্রস্তুতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী

আরও শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, রাত পোহালেই বাংলায় তুমুল দুর্যোগের পূর্বাভাস

বিক্রি হতে যাচ্ছিল নীল আর্মস্ট্রংয়ের শৈশব কাটানো বাড়ি, বাঁচিয়ে দিলেন এক বিমান চালক

পুজোর ছুটির ‘বাহানা’ দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে সময় ‘ভিক্ষা’ ঋতব্রত শিবিরের

‘বিজেপি একাই লড়বে,’ সুদীপ-শুভেন্দু সাক্ষাতের মাঝেই সাফ জানালেন শমীক