-273ºc,
Saturday, 3rd June, 2023 3:51 am
নিজস্ব প্রতিনিধি, ইসলামাবাদ: বড়সড় অস্বস্তিতে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী (Former Pakistan Prime Minister) তথা পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (PTI) সুপ্রিমো ইমরান খান (Imran Khan)। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বিদেশি রাষ্ট্র থেকে পাওয়া পুরস্কার বিক্রির অভিযোগে শুক্রবার তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন (Pakistan Election Commission)। আগামী পাঁচ বছর তিনি কোনও সরকারি পদে থাকতে পারবেন না বলে নির্দেশিকায় জানিয়েছে কমিশন। যার ফলে সাংসদ পদ হারাতে চলেছেন প্দেরাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। যদিও পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের (Pakistan Election Commission) সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে আখ্যা দিয়েছে পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (PTI) দলের মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী (Fawad Choudhury)। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner ) তথা পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) সমর্থক হিসেবে পরিচিত সিকান্দার সুলতান রাজার (Sikander Sultan Raja) নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের (ECP) ফুলবেঞ্চের বৈঠক হয়। যদিও ওই বৈঠক বয়কট করেন পঞ্জাবের ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Former Prime Minister Imran Khan) সরকারি পদে বসার অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner ) জানান, ‘তথ্য গোপনের দায়ে এবং বিদেশি রাষ্ট্র থেকে পাওয়া উপহার বিক্রি করার দায়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে পাঁচ বছরের জন্য সরকারি পদে আসীন হওয়ার অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকী ইমরান খানের (Former Prime Minister Imran Khan) বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হচ্ছে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাংবাদিক বৈঠকের পরেই পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করেন ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফের মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই অনৈতিক সিদ্ধান্ত দেশের ২২ কোটি মানুষের গালে বিরাট থাপ্পড়। রাজনৈতিক উদ্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসারও আবেদন জানান পিটিআইয়ের মুখপাত্র। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ফলে যেমন সাংসদ পদে থাতে পারবেন না ইমরান, তেমনই আগামী পাঁচ বছর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদেও বসতে পারবেন না।’