এক টাকা দিয়ে জমি কিনে লবন হ্রদ নগরী গড়ে তুলেছিলেন বিধান রায়

যে জলা জমির ওপরে গড়ে উঠেছে লবন হ্রদ নগর, তার মালিক ছিলেন বিধান রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য হেমচন্দ্র নস্কর।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: তিনি নেই। কিন্তু তাঁর হাতে গড়া সল্টলেক আজ গোটা দেশের কাছেই পরিচিত। জলা জমি বুজিয়ে এক উপনগরী কীভাবে তৈরি করা যায়, তা দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায়। সর্বস্ব হারিয়ে, ভিটে মাটি ছেড়ে ওপার বাংলা থেকে আসা উদ্বাস্তু মানুষগুলির মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছিলেন বঙ্গ রাজনীতির মহানায়ক। সল্টলেক থুড়ি লবন হ্রদ নগরের গোড়াপত্তনের পিছনেও এক গল্প রয়েছে। সেই গল্প হয়তো অনেক প্রবীণের জানা। কিন্তু আজকের নবীন প্রজন্ম হয়তো কলকাতার উপকণ্ঠের ঝা-চকচকে উপনগরী গড়ে ওঠার গল্প জানে না। তাদের জন্য ফের না হয়, ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালাম।

সবে দেশভাগ হয়েছে। ওপার বাংলা থুড়ি পূর্ব পাকিস্তান থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাঁধভাঙ্গা স্রোতের মতো হাজির হলেন সীমান্ত পেরিয়ে। বনগাঁ, হাবড়া, যাদবপুর, বাঘাযতীনে অস্থায়ীভাবে বসতি গড়ে মাথাটুকু গুজলেন। তবুও বিশাল সংখ্যক শরণার্থী মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে থাকা বিধান রায়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ গভীর করে তুলল। একদিন তলব করলেন বিশ্বস্ত সহচর প্রফুল্ল সেনকে। ডেকেই আদেশের সুরে বললেন, ‘পূর্ব কলকাতায় অনেক জলা জমি-ভেড়ি আছে, সেগুলি বুজিয়ে ফেলতে হবে।’ শুনে আমতা-আমতা করে প্রফুল্লভাবে বললেন, ‘সেটা কী করে সম্ভব? পুরো জায়গাটাই তো আমাদের হেমদার।’ হেমচন্দ্র নস্করও কংগ্রেসের দাপুটে নেতা এবং বিধান রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য। বিধান রায়ের আদেশ পেয়েই হেমচন্দ্র নস্করের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন প্রফুল্লবাবু। কিন্তু তাঁকে জমি নেওয়ার কথা বলার সাহস পেলেন না। বরং  হেম নস্করকে একরকম পাকড়াও করে নিয়ে গেলেন বিধান রায়ের কাছে।

মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ঢুকেই হেমবাবু খানিকটা মজা করে বললেন, ‘মাছ লাগবে ততো? ঠিক আছে বড় মাছ পাঠিয়ে দেব।’ বিধান রায় তখন সঙ্কোচ ভেঙ্গে বলেই ফেললেন, ‘না না, মাছের কথা বলছি না। আমরা পূর্ব কলকাতায় একটা নতুন উপনগরী করতে চাইছি। তার জন্য আপনার ওই ভেঁড়িগুলো বুজিয়ে ফেলতে চাই।’ শুনেই আঁতকে উঠলেন হেম নস্কর। তিনি আপত্তি জানালেন। কিন্তু সেই আপত্তি শুনলেন না বিধানবাবু। বরং অনুরোধের সুরে বললেন, ‘ওই জমি না থাকলেও আপনার দিব্যি চলে যাবে। ওই জমির যা মূল্য তা দেওয়ার মতো টাকা সরকারের কাছে নেই। তবে একেবারে বিনামূল্যে নেব না। এক টাকা দেব।’ আগেভাগেই সব কিছু গুছিয়ে রেখেছিলেন বিধানবাবু। ইঙ্গিত করতেই ঘরে ঢুকলেন মুখ্যসচিব। হাতে জমি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। মুখ্যমন্ত্রীর জেদের কাছে হার মেনে সই করতে হলো নির্বিরোধী, সজ্জন মানুষ হিসেবে পরিচিত হেমচন্দ্র নস্করকে। সই-সাবুদ হতেই শুরু হয়ে গেল লবন হ্রদ নগরী গড়ে তোলার কাজ। যদিও জীবদ্দশায় স্বপ্নের লবন হ্রদ নগরী দেখে যেতে পারেননি তিনি।

দুপুর গড়িয়ে রাত, এখনও উত্তপ্ত SRFTI-এর ক্যাম্পাস, ঘটনাস্থলে পুলিশ

ছুটির দিনে পরিষেবা দিয়েও ‘ব্ল্যাক সানডে’ পালন করলেন SBI-র কর্মীরা

ব্যবসায় অংশীদার করার টোপ দিয়ে ২৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

ভিক্ষার ছলে মোবাইল চুরি! পুলিশের জালে ভিন রাজ্যের গ্যাং

গ্রিভসের সেঞ্চুরির উপর ভর করে ভারতের সামনে ২৯৬ রানের লক্ষ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের

ক্রেতা সেজে ডেলিভারি বয়ের থেকে পার্সেল নেওয়ার চেষ্টা দুই বোনের, বাধা দিতেই ছেটালেন লঙ্কাগুঁড়ো

বেনোজল আটকাতে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের কড়া নির্দেশ নীতিন নবীনের

‘খামোশ’, খারাপ রাস্তা নিয়ে সরব হতেই যুবককে সপাটে চড় মন্ত্রীর

‘সাধু-সন্তদের অপমান করলেই জেলে যেতে হবে’, স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

পানশালায় ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি! দক্ষিণ আফ্রিকায় নিহত বেড়ে ২৭, আহত বহু

নেপালের হিমলুং বেস ক্যাম্পে বিশাল তুষার ধস, নিখোঁজ প্রায় ১০ পর্বতারোহী

মৃত্যুকামনার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু চাইলেন হুমায়ুন! কী বললেন ?

ছাত্রগোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত SRFTI-এর ক্যাম্পাস, আহত একাধিক পড়ুয়া

‘আমার সঙ্গে শুধু ৩০ মিনিট থাকো তাহলে…’, নিজের গোপন প্রতিভা জানালেন বিরাট