Rath Yatra 2024: বন্দুকের গুলি ছোঁড়ার শব্দে থেমে যায় মাহেশের রথ

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতের দ্বিতীয় এবং বাংলার প্রাচীনতম রথযাত্রা উৎসব হল মাহেশের রথযাত্রা। হুগলিতে বিখ্যাত উৎসব হল মাহেশ রথযাত্রা।আগামী ৭ই জুলাই বাংলায় পালিত হবে মাহেশ রথযাত্রা। কলকাতা ও মায়াপুরে ইসকনের রথযাত্রার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রথযাত্রার আয়োজন করা হয়। এইসময় বাংলার প্রতিটি রাস্তায় ও এলাকায় শিশুদের তিনতলার রথ বের করতে দেখা যায়। হুগলি জেলার মহেশ জগন্নাথের রথযাত্রা কিন্তু বেশ পুরনো। প্রায় ৬২৮ বছরের পুরনো এই মাহেশ রথযাত্রা। এইদিন রথযাত্রায় অংশ নেন প্রচুর সংখ্যক ভক্তরা।

জানা যায়, মাহেশে এসেছিলেন ‘চৈতন্যদেব’। যেহেতু পুরীকে বলা হয় ‘নীলাচল’ তাই তিনি মাহেশের নতুন নামও দিয়েছিলেন ‘নব নীলাচল’। শুধু ‘চৈতন্যদেব’ নয় মাহেশের মেলায় চাক্ষুস দর্শন করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণও। এমনকী বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাধারাণী’ উপন্যাসেও মাহেশের রথের মেলার উল্লেখ পাওয়া যায়।

মাহেশের রথযাত্রার ইতিহাস : মাহেশে রথযাত্রার প্রথম রথটি বানিয়েছিলেন এক মোদক (মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী)। ১৭৫৪ সালে রথযাত্রায় এসেছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হুগলি জেলার দেওয়ান শ্যামবাজারের বসু পরিবারের কৃষ্ণরাম বসু। পরের বছর তিনিই পাঁচটি চূড়াবিশিষ্ট কাঠের রথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। রথের ব্যয়ভার বহনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। রথ চলাচলের জন্য মাহেশ থেকে বল্লভপুর পর্যন্ত দেড় মাইল রাস্তাও তৈরি করে দিয়েছিলেন।তখন থেকে ওই পরিবারই রথের দায়িত্ব নিয়ে আসছে।

পরবর্তীকালে এই রথটি জীর্ণ হয়ে পড়ে। তখন ১৭৯৮ সালে ন’টি চূড়াবিশিষ্ট নতুন রথ বানিয়ে দিয়েছিলেন কৃষ্ণরামের ছেলে গুরুপ্রসাদ। তবে ১৮৮৪ সালে রথযাত্রার দিন বল্লভপুরে গুন্ডিচাবাটীতে সেই রথটি পুড়ে গিয়েছিল। বসু পরিবারেরই কর্তা কৃষ্ণচন্দ্রবাবু পরের বছর বর্তমান লোহার রথটি নির্মান করেন।

এই রথটি বানিয়েছিলেন মার্টিন বার্ন কোম্পানি। তখন দাম ছিল ২০ লক্ষ টাকা। এই রথটি চারটি তলবিশিষ্ট রথ। যেটি লোহার কাঠামোর উপর কাঠ দিয়ে তৈরি। উচ্চতা ৫০ ফুট। ওজন প্রায় ১২৫ টন। ১২টি লোহার চাকা রয়েছে এই রথে।

মাহেশে রথ থামে গুলির শব্দে : সোজা রথের দিন রথে চাপিয়ে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রাকে গুন্ডিচাবাটীতে নিয়ে যাওয়া হয়। মাহেশে গুণ্ডিচাবাটীকে বলা হয় কুঞ্জবাটী বা ‘মাসির বাড়ি’।অসংখ্য ভক্ত এসে উপস্থিত হয়। খালি পায়ে রশি টেনে রথকে জিটি রোড ধরে মাসির বাড়িতে পৌঁছে দেন। রথ চালানোর জন্য বিউগল, কাঁসর, ঘণ্টা বাজানো হয়। তবে থামানোর জন্য বন্দুক থেকে গুলি ছোড়া হয়। তারপেরই রথ থামে।

আজকের রাশিফল: ধনতেরাসে কাদের ঘরে আসবে ধন-সম্পদ! কার ভাগ্যে অশনি সংকেত?

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

প্রযুক্তির দুনিয়ায় চমক! ১১,০০০mAh ব্যাটারিসহ আসছে Redmi Turbo 6

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর

জোড়াফুল প্রতীক দ্বন্দ্বের মাঝেই ট্রাকভর্তি নথি নিয়ে কমিশনের দরবারে ঋতব্রতরা