দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘৩-৬ মাস বাঁচবেন’, ক্যান্সার ধরা পড়ার পরেই যুবরাজ সিংহকে জানিয়েছিলেন চিকি‍ৎসক

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০১১ সালে বিশ্বকাপের আগেই মারণ রোগ কর্কট বাসা বেঁধেছিল যুবরাজ সিংহের। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় সারা শরীর কুঁকড়ে গিয়েছিল। সেই যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করেই ব্যাট হাতে বাইশ গজে নেমে লড়াই চালিয়ে অবিশ্বাস্য ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। অথচ কর্কট রোগ শনাক্ত হওয়ার পরেই চিকি‍ৎসক তাঁকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘বড়জোর ৩ থেকে ৬ মাস আয়ু রয়েছে।’ চিকি‍ৎসকদের ওই ‘মৃত্যু পরোয়ানা’ শুনেও মোটেও ঘাবড়াননি ভারতীয় ক্রিকেটের মারকুটে ব্যাটার।

ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার মাইকেল ভনের সঙ্গে ‘দ্য ওভারল্যাপ ক্রিকেট’-এ এক আলাপচারিতায় নিজের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ের কথা তুলে এনেছেন যুবরাজ। তিনি বলেন, ‘চিকি‍ৎসক নীতীশ রোহাতগি আমাকে বলেছিলেন, ‘টিউমারটি তোমার হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের মাঝখানে রয়েছে। কেমোথেরাপি না করালে তোমার আয়ু বরজোড় তিন থেকে ছয় মাস। তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে আমাকে ভাবতে হবে।’নিজের মানসিক অবস্থার কথা খোলসা করে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার বলেন, ‘এটা মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন ছিল। ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকাকালীন আপনি পাহাড়ের চূড়ায় থাকেন, আর তারপরই খাদে পড়ে যান, তাহলে কেমন হয়? আমি তখন দিল্লিতে ছিলাম। আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরে যাচ্ছিলাম। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সদ্য  অবসর নিয়েছিলেন এবং আমি ওই জায়গাটার জন্য সাত বছর ধরে অপেক্ষা করছিলাম। আমি বলেছিলাম, ‘আমি মরে গেলেও আমার কিছু যায় আসে না, আমার ওই জায়গাটা চাই-ই চাই।’ কিন্তু আমি ক্রমশ অসুস্থ হতে থাকলাম। চিকিৎসার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলাম। চিকি‍ৎসকরা আমাকে বলেছিলেন, ‘হয়তো আর কখনও ক্রিকেট খেলতে পারব না। কিন্তু আমি হার মানিনি।’

বিখ্যাত মার্কিন চিকি‍ৎসকএর কাছ থেকে ওই কথা শোনা যে মানসিকভাবে অনেকটা কঠিন ছিল, তাও মেনে নিয়েছেন যুবরাজ সিংহ। তাঁর কথায়, ‘নিজেকে অনুপ্রাণিত করার জন্য আমার কিছু একটা দরকার ছিল। আমি যদি ক্রিকেট না খেলি, তাহলে আমি কে? আমি তো কেউ না। আমি এটাই বিশ্বাস করতাম।’ প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার আরও জানিয়েছেন, ‘ক্যান্সারের চিকি‍ৎসা চলার সময় তিনি ক্রিকেটের ভিডিও দেখতেন। এই সময়ে অনিল কুম্বলে এবং শচিন তেন্ডুলকারের মতো তারকারা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। কুম্বলে তাঁকে বিশ্রাম নিতে এবং ভিডিও দেখে মনের ওপর চাপ না দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন। অনিল কুম্বলে আমেরিকায় এসে আমার ল্যাপটপ বন্ধ করে দিয়ে বললেন, ‘নিজের স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দাও, ক্রিকেটের ভিডিও দেখা বন্ধ করো।’ ক্যান্সারকে হারিয়ে ফের ক্রিকেটে ফেরার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন, ‘আমি ফিরে এসে ছয় মাসের মধ্যেই ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলি। আমি সেরা ফর্মে ছিলাম না, কিন্তু তারপরেও একটি ম্যান অফ দ্য ম্যাচ পুরস্কার পেয়েছিলাম।’

 

Published by:

Share Link:

More Releted News:

লজ্জার হার লখনউয়ের, দুরন্ত বোলিংয়ে ম্যাচ জিতল রাজস্থান

ব্যর্থ বৈভব-যশস্বী, খোঁড়াতে-খোঁড়াতে ১৫৯ রান তুলল রাজস্থান

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে নামার আগেই শাস্তি পেলেন লিটনরা

ওয়াংখেড়েতে ক্রিকেটপ্রেমীদের স্বপ্নপূরণের সম্ভাবনা, মুখোমুখি হতে পারেন ধোনি-রোহিত

IPL-এর মাঝেই সিগারেটে সুখটান দিচ্ছেন প্রোটিয়া পেসার রাবাদা, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

হার্দিকের সঙ্গে বেড়েছে দুরত্ব? দুই ভাইয়ের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে মুখ খুললেন ক্রুনাল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ