জমি নিয়ে বিবাদের জেরে সরকারি অফিসের মধ্যে দেদার মারামারি, ছড়াল উত্তেজনা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জমি নিয়ে বিবাদের জেরে রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করল হাসনাবাদ বিএল আর ও অফিস।  চলে দেদার মারধর। তাতে  গুরুত্বর  জখম হয়েছেন তিন  মহিলা। অভিযোগ উঠেছে,  হাসনাবাদের  গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত তকিপুরের বাসিন্দা রাজেশ দাসের জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শুরু হয়  বিবাদ। আর তাতেই চলে হাতাহাতি । 

জানা গিয়েছে, রাজেশ দাসের জমি সংক্রান্ত ব‍্যাপারে সুরাহা করতে হাসনাবাদ সমষ্টি ভূমি সংস্কার আধিকারিক এর কাছে দারস্ত হয়। সেই মতন বিএলআর ও অফিসারের তরফ থেকে সোমবার বিবাদী দুই পক্ষকে অফিসে হাজির হতে নির্দেশ দেয় । কিন্তু বিবাদীপক্ষ  হাজির হয়নি। আর সেইসময় রাজেশ দাস জানতে পারেন তাঁর জমি ১৫ দিনের মধ্যে অন্য নামে নথিভুক্ত হয়ে গিয়েছে । তাতেই শুরু হয় বিএল আর অফিসের  অশান্তি । 

এই প্রসঙ্গে পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন,’ আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বি এল আর অফিসে আসছি । এখন কোন সুরাহা হচ্ছে না । বি এল আর তরফ থেকে আজ তারিখ দেওয়া হয়েছিল । কিন্তু আসেনি বিবাদীপক্ষ । এইসময় আচমকাই সুকুমার দাসের মেয়ে , মাকে ধরে মারধর করা শুরু করে দেয় রাজেশ দাসের পরিবারের সদস্যরা । ‘  তবে এই ঘটনা নিয়ে ভূমি সংস্কার আধিকারিকের তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি । 

সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতার বাড়িতে STF হানা, উদ্ধার বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র

ভাইঝির বিয়েতে যোগ দিতে দেশে ফিরছিলেন কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় নিহত ভারতীয়

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন মাল ব্লক, চূড়ান্ত দুর্ভোগে বাসিন্দারা

বিরিয়ানির চাল সরাতেই মিলল সিদ্ধ টিকটিকি! আটক ২

ককরোচ জনতা পার্টিকে যন্তর মন্তরে সভার অনুমতি দিল দিল্লি পুলিশ

মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে মৃত্যু ছেলেরও, পাশাপাশি দেওয়া হলো কবর

একতরফা প্রেমের ভয়াবহ পরিণতি! নাবালিকাকে কুড়াল দিয়ে কোপ, তারপর যা করল যুবক…

নদীর চর জুড়ে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ! সরব বিজেপি

শেষ রক্ষা হল না, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা

বিদ্রোহীদের কাছে মাথা নোয়ালেন না মমতা, ফের স্বপদে বহাল অভিষেক

বিরোধী দলনেতা নিয়োগ নিয়ে সোমবার হাইকোর্টে যাচ্ছে তৃণমূল

জাতিসংঘে পাকিস্তানকে কড়া জবাব ভারতের, কাশ্মীর নিয়ে ‘মিথ্যা প্রচার’ বন্ধের বার্তা

জুনে আসছে একাধিক স্মার্টফোন, কোন মডেল ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা জানেন?

ইবোলা-তে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে মহিলারা, উদ্বিগ্ন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা