একুশের মঞ্চে মমতার সঙ্গে কল্যাণের ‘ঝগড়া’! পরিস্থিতি সামলাতে আসরে অভিষেক-শোভনদেব

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) একই মঞ্চে প্রকাশ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন তৃণমূলের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘ব্যানার্জি-ব্যানার্জি’-তে বাক-যুদ্ধ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ মঞ্চে ব্যতিক্রমী ঘটনা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) একই মঞ্চে প্রকাশ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়ালেন তৃণমূলের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়। খোলা মঞ্চেই খানিকক্ষণ কথা কাটাকাটি চলল দুই জনের মধ্যে। দলনেত্রীর সঙ্গে ঝামেলার পরেই মঞ্চ ছাড়েন কল্যাণ। শেষমেষ পরিস্থিতি সামলাতে মাঠে নামেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু চটে লাল কল্যাণকে কিছুতেই সামলানো যায়নি। ঠিক কী ঘটল মমতার বিড়লা তারামণ্ডলের শহিদ মঞ্চে?

জানা গিয়েছে, এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের শাসকদল বিজেপি ও তৃণমূলের অন্য শিবিরকে ক্রমাগত আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়। বলেই চলেছিলেন, থামার নাম করছিলেন না তিনি। ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়, অরূপ রায়, রচনা বন্দোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ-সহ দলবদলু নেতা-নেত্রীদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘আজ বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই, তৃণমূল কর্মী যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের জন্যে লড়াই। রাজনৈতিকভাবে শেষ করব।’ আর কল্যাণের এই দীর্ঘ বক্তব্যেই ধৈর্য হারান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অনেকক্ষণ ইশারা দিয়ে তাঁকে বক্তব্য শেষ করতে বলেন। কিন্তু গুরুত্ব দেননি তিনি।

শেষে কুণাল ঘোষ তাঁর কাছে গিয়ে বক্তব্য শেষ করতে বলেন। তখন কল্যাণ বক্তব্য শেষ করে মঞ্চে ফেরেন। তখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এত দীর্ঘ বক্তব্য কেন? সকলেই বক্তব্য রাখবেন! তাই বক্তব্য কম রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তা শুনেই ক্ষিপ্ত হয়ে কল্যাণ আর চেয়ারে না বসে মঞ্চ ছাড়েন। তাঁকে সামলাতে শোভনদেব ও অভিষেক গেলেও কোনও লাভ হয়নি। কারও কথা শোনেননি শ্রীরামপুরের সাংসদ। একুশে মঞ্চে মমতার সঙ্গে কল্যাণের এই বাকবিতণ্ডা ব্যতিক্রম হয়ে থাকবে। অন্যদিকে আজ তৃণমূলের অন্য দলের একুশে মঞ্চের সভা চলছে এস্প্ল্যানেডের গান্ধি মূর্তির পাদদেশে।

এদিন একুশে মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঋতব্রত শিবিরের এক্সপায়ারি ডেট বেঁধে দিয়ে কল্যাণ আরও বলেছিলেন, ২০২৯ সালই ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের এক্সপায়ারি ডেট। মমতা ছাড়া তৃণমূল হয় না। কর্মীরাই আগামী দিনে নেতা তৈরি করবে। আজ কর্মীদের মধ্যে যে এত উন্মদনা, বিগত ২১ জুলাইয়ে দেখা যায়নি। গতকাল সোমবার মমতা দি এই মঞ্চে এসেছিলেন। সন্ধেবেলাতেও ছিলেন, রাত ১১টার সময়ও ছিলেন। দেখা গেল, মঞ্চ ভেঙে পড়ে রয়েছে। তিনি পিছু হাঁটেননি। কর্মীরাই আগামীদিনে নেতা ঠিক করবে। সেই নেতাকেই তৃণমূল কংগ্রেস, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বীকৃতি দেবে। ঋতব্রতদের মতো যাঁরা বেইমান, গদ্দার, দল ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাঁদের এক্সপায়ারি ডেট ২০২৯।

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় পাশ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল, লিভ ইনের সঙ্গে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক

বচসার জেরে তরুণ-তরুণীকে ধাক্কা দিয়ে গঙ্গায় ফেলল বন্ধুরা! ভয়ঙ্কর ঘটনা ইছাপুরে

রাতভর অভিযান চালিয়ে বড় পাচার চক্রের হদিশ, উদ্ধার ১০৫ মোবাইল, গ্রেফতার ২

মোদির বাসভবনের সামনে ধর্নায় সামিল হতে দেশবাসীর কাছে আর্জি রাহুলের

‘ভারতের যুবসমাজ অমর’, অরিজিতের পর দিল্লির ছাত্র বিক্ষোভকে সমর্থন জানালেন হানি সিংহ

আগে হত্যা নয়, কেতনকে আজীবনের জন্য পঙ্গু করতে চেয়েছিল সিয়া-চেতন

সংসদ অভিযানে পুলিশের লাঠির ঘায়ে আহত ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক, আইসিইউতে স্থানান্তরিত

‘বিদ্যুৎ প্রহরী’ অ্যাপের সূচনা রাজ্য সরকারের, নিয়োগেও আনা হল নতুন নিয়ম

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে মোদির বাসভবনের সামনে ধর্নায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

সিকিমের ধসে উদ্বেগ প্রকাশ শুভেন্দুর, আটকে থাকা বাংলার শ্রমিকদের নিয়ে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?

বৃদ্ধ বাবা-মায়ের পাশে থাকতে কানাডার বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে বেঙ্গালুরু ফিরলেন যুবক

কলকাতায় আজ আরও মহার্ঘ সোনা-রুপো, দোকানে যাওয়ার আগে জানুন দাম

মেয়ো রোডের মঞ্চে ‘বাক-সর্বস্ব’ নেতারা, মমতাকে অক্সিজেন জোগালেন নিচুতলার কর্মীরা