চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

সন্দীপের গ্রেফতারির দাবি তুলেছিলেন অভিষেকও, এখন স্বস্তিতে তৃণমূল

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর জি কর কাণ্ডের(R G Kar Incident) জেরে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee) প্রকাশ্যেই সন্দীপ ঘোষের(Sandip Ghosh) গ্রেফতারির দাবি তুলেছিলেন। গত ২৮ অগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনে অভিষেক বলেছিলেন, ‘৪ দিন পুলিশের হাতে কেস ছিল। একজন গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তার পর থেকে সিবিআইয়ের হাতে। এখনও পর্যন্ত খুন ও ধর্ষণকাণ্ডে সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন, সিবিআইকে জবাব দিতে হবে। সাধারণ মানুষ বলছে বিচার চাই। আমরা বলছি বিচার চাই। এই ঘটনার সবাই বিচার চায়।’ অবশেষে গতকাল রাতে সেই সন্দীপ সিবিআইয়ের(CBI) হাতে গ্রেফতার হতে এখন স্বস্তির হাওয়া তৃণমূলের অন্দরে। তবে সন্দীপ আর জি কর কাণ্ডের মূল ঘটনার জন্য গ্রেফতার হননি। হয়েছে আর জি করের দুর্নীতির ঘটনার অভিযোগে। কিন্তু গ্রেফতার যে হয়েছেন সেটাই স্বস্তির বার্তা তৃণমূলের কাছে।

আরও পড়ুন, তৃণমূলের চাপে পিছু হঠছে মোদি সরকার, স্বাস্থ্য বিমা থেকে GST প্রত্যাহারের সম্ভাবনা

ঘটনাচক্রে সন্দীপের গ্রেফতারির রাতেই এসেছে অভিষেকের নয়া বার্তা। তবে সেই বার্তা তিনি দিয়েচ্ছেন দলের নেতাকর্মীদের। গতকাল রাতে তিনি ট্যুইট করে জানান, ‘দলীয় গণ্ডি ছাড়িয়ে জনপ্রতিনিধিদের আরও নম্র এবং সহানুভূতিশীল হতে হবে। আমি তৃণমূলের সকলকে অনুরোধ করছি চিকিৎসক বা নাগরিক সমাজের উদ্দেশে কটু কথা না বলার জন্য। প্রত্যেকেরই প্রতিবাদ করার এবং নিজের মত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। এটাই পশ্চিমবঙ্গকে অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে আলাদা করেছে। আমরা বুলডোজার মডেল এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের কৌশলের বিরুদ্ধে আন্তরিক ভাবে লড়াই করেছি।’ পাশাপাশি আর জি কর কাণ্ড নিয়ে লিখেছেন, ‘এই ধরনের ভয়াবহ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ করার এখনই সময়। বাংলাকে অবশ্যই এই লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে দাঁড়াতে হবে এবং যতক্ষণ না অপরাধীদের শাস্তি হয় এবং রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার উভয়ের দ্বারা একটি ধর্ষণ-বিরোধী আইন প্রণয়ন করা হয় ততক্ষণ পর্যন্ত থামবে না।’

আরও পড়ুন, ধান কেনার সময় ওজন মাপা হবে E-POP Machine দিয়ে, মিলবে Slip-ও

ঘটনা হচ্ছে, সিবিআইয়ের হাতে সন্দীপ একা গ্রেফতার হননি আর জি কর দুর্নীতির ঘটনায়। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন আরও ৩জন। এরা হলেন, ঠিকাদার বিপ্লব সিংহ, সুমন হাজরা এবং আফসর আলি। সন্দীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে হাসপাতাল বর্জ্য নিয়ে অনিয়ম, টেন্ডার দুর্নীতি, অঙ্গ পাচার, এমনকী মর্গের মৃতদেহ পাচারেরও। সেই সব ঘটনায় সন্দীপের সহকারী হয়েছিলেন এই ৩জন। হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য আসা রাজ্যের বরাদ্দ ও কেন্দ্রের ভাগের টাকা তিনি খাতায়-কলমে খরচ দেখিয়েছেন। হাসপাতালের ওটি, সিসি ক্যামেরা, বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক মেশিন সহ একাধিক সামগ্রী কেনার কথা বলা হয়েছে। বাস্তবে তা কেনাই হয়নি বলে অভিযোগ। যে পরিমাণ ওষুধ কেনার কথা বলা হয়েছে, বাস্তবে আসেনি সেইসবও। সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে কোভিডের সময়। তখন পিপিই কিট, ওষুধ সহ বিভিন্ন জিনিস কেনার কথা বলা হলেও বাস্তবে তা হাসপাতালে আসেনি। গোয়েন্দারা দাবি করেছেন, সন্দীপবাবু পছন্দের দু’টি সংস্থাকে বরাত পাইয়ে দিয়ে মোটা টাকা কমিশন নিয়েছেন। ভুয়ো রোগী খাড়া করে হাসপাতালের স্টেন্ট, পেসমেকারের মতো সামগ্রী বাইরে বিক্রি করেছেন। টেন্ডার না ডেকেই চলেছে বায়ো ওয়েস্ট বিক্রি।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

বুলডোজার নীতিতে বিশ্বাসী নই, যোগী আদিত্যনাথের উল্টো সুর শমীকের গলায়

‘বাঙালি’ ওসিদে’র চাকরি খেয়ে নেওয়ার হুমকি ‘অবাঙালি’ মনোজ আগরওয়ালের

সিভিক ভলান্টিয়ার–ভিলেজ পুলিশ–গ্রিন পুলিশদের নিয়ে নয়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ