আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

১ বৈশাখই পশ্চিমবঙ্গ দিবস, প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: পূর্ব নির্ধারিত সূচি মোতাবেক বৃহস্পতিবার রাজ্য বিধানসভায়(West Bengal State Assembly) রাজ্য সঙ্গীত এবং রাজ্য দিবস নিয়ে প্রস্তাব আনা হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন সরকারের তরফে। সেই প্রস্তাব পাশ হয়ে গেল ১৬৭টি ভোটে। বিপক্ষে পড়ে ৬২টি ভোট। প্রস্তাব অনুযায়ী এরপর থেকে প্রতি বছর ১ বৈশাখ(Poila Baishakh) পালন করা হবে পশ্চিমবঙ্গ দিবস(West Bengal Day)। একই সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের(Rabindranath Tagore) ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গানটিকে রাজ্য সঙ্গীত(State Anthem) করার প্রস্তাবও গৃহীত হয়েছে। এদিন তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে এই প্রস্তাব আনা হয়েছে। প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও বাংলা দিবস ঘোষণার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানাতে রাজভবনে যাচ্ছেন বিজেপি বিধায়কেরা।   

কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনে রাজভবনের তরফে ২০ জুন দিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন হলে, গোড়াতেই আপত্তি উঠেছিল। বঙ্গভঙ্গের যন্ত্রণাময় ইতিহাস জড়িয়ে যে দিনটির সঙ্গে, সেই দিন নাচ-গান, অনুষ্ঠান করে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের তীব্র নিন্দা করে রাজ্য সরকার। তার মোকাবিলা করতে এবার রাজ্য বিধানসভায় বাংলার বৈশাখ মাসের পয়লা দিনটিতে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের প্রস্তাব আনা হল। বিধানসভার ১৬৯ ধারা অনুযায়ী এই প্রস্তাব আনা হয়। এদিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস নির্ধারণ ও রাজ্য সঙ্গীত গ্রহণের প্রস্তাব রাজ্য বিধানসভায় জমা দেন রাজ্য সরকারের ১১ জন মন্ত্রী। সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তবে তার বিরোধিতা করতে এগিয়ে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ১ বৈশাখ দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসাবে বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে ব্যাখা দেন তাঁর নিজ বক্তব্য রাখার সময়।

তিনি এদিন বলেন, ‘স্বাধীনতার ৭৫ বছরে কখনও ২০ জুন দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয়নি। কারণ ওই দিন বাংলাকে ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়। তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে যন্ত্রণাময় ইতিহাস। আর ওই দিন সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও, তার পর আরও কয়েক মাস অবিভক্তই ছিল বাংলা। তাই ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের যৌক্তিকতা নিয়ে আমার প্রশ্ন থাকছে। স্বাধীনতায় অংশ না নিলেও অনেকে স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলছেন। ২০ জুন, ১৯৪৭ সালে তো পশ্চিমবঙ্গের জন্মই হয়নি। তাই আমরা কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যাদের সঙ্গে বাংলার মাটির কোনও যোগাযোগ নেই, বাংলার শিকড়ের যোগাযোগ নেই, তারা কীভাবে বাংলার কথা বলবে বলুন। এতদিন বাংলার প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়নি কারণ এতদিন ২০ জুন কেউ পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেনি। এখন জোর করে আমাদের ওপর জাতিদাঙ্গার একটা দিন চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সবকিছু চাপিয়ে দিলে সহ্য করব না। পয়লা বৈশাখের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির আবেগ। বাংলার ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন। ওই দিন থেকে ব্যবসায়ীরা হাল খাতার সূচনা করেন। তাই বাংলার জন্মদিন হিসেবে আমরা ১ বৈশাখকেই রেজুলেশন করছি।’ এরপরেই কেন রাজ্যের জন্য বাংলা দিবস হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে অন্য রাজ্যগুলির প্রতিষ্ঠা দিবস উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘রং দে তু মোহে গেরুয়া’, ভোটের ফলের আগেই বড়বাজারে গেরুয়া আবিরের চাহিদা তুঙ্গে

স্ট্রং রুমের সামনে মমতা ৪ ঘন্টা পাহারা দেওয়ার পরে সতর্ক শুভেন্দু ,দলীয় কর্মীদের নিয়ে ডাকলেন জরুরি বৈঠক

পোলিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠকে অভিষেক, স্ট্রংরুমে কারচুপিই কি মূল ইস্যু?‌

কলকাতার ৭ টি স্ট্রং রুমের বাইরে ২০০ মিটার পর্যন্ত ১৬৩ ধারা জারি করল কমিশন

ভোট দিতে এসে চরম সমস্যায় মানুষজন, ট্রেন–বিমানের টিকিট নিয়ে নাকাল অবস্থা

স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা,নজরদারিতে আর কী থাকছে?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ