চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

হাওড়ার পুরভোট আটকে রাজ্যপালের দোষে, দাবি স্পিকারের

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি বছরেই সম্পন্ন হয়েছে রাজ্যের শতাধিক পুরসভার নির্বাচন। আরও গুটিকয় পুরসভার নির্বাচন চলতি বছরেই সম্পন্ন হবে। কিন্তু হাওড়া পুরনিগমের(Howrah Municipal Corporation) ভোট কবে হবে তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। কার্যত বিশ বাঁও জলে ডুবে রয়েছে হাওড়া পুরনিগমের নির্বাচন। আর হাওড়া পুরনিগমের এই নির্বাচন না হওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার রাজ্য বিধানসভার স্পিকার তথা অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়(Biman Banerjee) কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কেই(Jagdeep Dhankar)। সাফ জানালেন, ‘রাজ্যপালের কাছে বিল পাঠানো হলেও তিনি বিধানসভাকে তা জানাননি। উনি বার বার বিধানসভায় আসেন। উনি এসে বলেন, কোনও বিল বাকি নেই। যদিও হাওড়ার বিল এখনও আটকে। এর ফলে ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক পরিষেবা। সুপ্রিম কোর্টের রায় মানা উচিত রাজ্যপালের। রাজীব গাধীঁ হত্যা মামলা নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে বাধ্য হয়েছিলেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল। তাই এ ক্ষেত্রেও তেমনটা হওয়া উচিত ছিক।’

হাওড়া পুরনিগম থেকে বালিকে পৃথক করে নতুন করে বালি পুরসভা গঠন করতে চায় রাজ্য সরকার। সেই মর্মে রাজ্য বিধানসভায় বিলও পাশ হয়েছে। সেই বিল সাক্ষর করার জন্য রাজ্যপালের কাছে পাঠানোও হয়েছে। তিনি সাক্ষর করলেই তা আইনে পরিণত হবে। কিন্তু রাজ্যপাল এখনও সেই বিলে সই করেননি। যদিও রাজ্যপালের দাবি তাঁর কাছে এই ধরনের কোনও বিলই নাকি আটকে নেই। আর এই দুই তরফের টানাটানিতে আটকে রয়েছে হাওড়া পুরনিগমের নির্বাচন। তবে শুধু হাওড়া পুরনিগমের নির্বাচন সংক্রান্ত বিলই নয়, রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বারংবার উঠেছে একের পর এক বিল আটকে রাখার অভিযোগ। এই নিয়ে জাতীয় স্পিকারদের সম্মেলনে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বাংলার বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) মুখপাত্র কুণাল ঘোষও হাওড়ার ভোট ঘিরে এই জটিলতার কারণে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘হাওড়ার মানুষ রাজ্যপালের ওপর ক্ষুব্ধ। রাজ্যপাল অহেতুক জটিলতা তৈরি করছেন। হাওড়ার মানুষের ওপর রাগ দেখাবেন না। সেখানকার নাগরিকদের পুর পরিষেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।’

গত বছর বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে পাশ হয়েছে ‘দ্য হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (সংশোধনী) বিল, ২০২১’। এর ফলে হাওড়া পুরনিগমের ওয়ার্ডের সংখ্যা ৬৬ থেকে কমে ফের ৫০-এ দাঁড়ায়। বালিকে হাওড়া থেকে আলাদা করে দেওয়ার পরে হাওড়া পুরনিগমের যে অংশ পড়ে রইল, তার পুনর্বিন্যাস করেই ৫০টি ওয়ার্ড হয়। হাওড়া পুরনিগমে আগে ৫০টি ওয়ার্ডই ছিল। ২০১৫ সালে ৩৫টি ওয়ার্ডের বালি পুরসভাকে ১৬টি ওয়ার্ডে পরিণত করে হাওড়ার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন হাওড়ার ওয়ার্ডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৬৬টি। কিন্তু এখন হাওড়া ও বালি দু’টি পৃথক পুরসভা। এবং দু’টি পুরসভাতেই ভোট বকেয়া পড়ে আছে। হাওড়ার বিলটি রাজ্যপালের সইয়ের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে পাঠানো হয় রাজভবনে। কিন্তু রাজ্যপাল অভিযোগ করেছিলেন, তিনি বারবার চাওয়া সত্ত্বেও বিলটি সবিস্তার তাঁকে জানানো হয়নি। ফলে তাঁর পক্ষে সই করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজভবনের দাবি, তাদের কাছে কোনও ফাইল ৪৮ ঘণ্টার বেশি আটকে থাকে না। কিন্তু রাজ্যের দাবি, বিল আটকে রয়েছে রাজভবনেই। তাই এখনও হাওড়ার ভোট অথই জলে বলেই মনে করছেন হাওড়ার বাসিন্দারা।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

মঙ্গলে শহরে ইডির হানার সম্ভাবনা, টার্গেট দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী!

কর্তব্যে গাফিলতি ও নিয়ম অমান্য করায় ভবানীপুরের তিন আধিকারিককে সাসপেন্ড কমিশনের

‘মিনি পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে থানা ঘেরাও বিজেপির, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম প্রার্থী

নির্বাচন কমিশনের সম্ভাব্য গ্রেফতারের তালিকায় কারা?‌ আদালতকে জানাল তৃণমূল

ভোট চাইতে শেক্সপিয়র সরণির বহুতলের বাসিন্দাদের দুয়ারে হাজির মমতা

‘ডাল মে কুছ কালা..’, কলকাতায় গোপন বৈঠক আধা সেনার শীর্ষ কর্তাদের

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ