২৩ লাখেও জোটেনি ভোটের টিকিট! মুখ পুড়ছে বিজেপির

মানসবাবুর দাবি, তাঁকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফেই। বিনিময়ে চাওয়া হয়েছিল ২৩ লক্ষ টাকা। সেই টাকা তিনি ৫ দফায় মিটিয়েও দেন। কিন্তু তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। মানসবাবুকে টাকার বিনিময়ে প্রার্থী পদের সেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার মহিলা সহ সভাপতি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র অভিযোগ তুলেছিলেন, সে সব টলি তারকারা বিজেপিতে যোগ দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন বা বিজেপির হয়ে প্রচার করছেন তাঁরা এক একজন ৭ কোটি টাকা করে নাকি দল থেকে নিয়েছেন। সেই অভিযোগ ঘিরে তখন রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই অভিযোগ না কেউ মিথ্যা বলে প্রমাণ করতে পেরেছেন না শ্রীলেখার বিরুদ্ধে কেউ মামলা ঠুকেছেন। তবে বিজেপির প্রার্থীপদ ঘিরে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে যে টাকাপয়সার বিস্তর লেনদেন ঘটেছিল সেটা আবারও সামনে চলে এল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুরের এক বিজেপি নেতার তোলা অভিযোগে। বিজেপির পটাশপুর-১ উত্তর মণ্ডলের প্রাক্তন সভাপতি মানস রঞ্জন সামাই দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি লিখে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন। তাঁর দাবি, একুশের বিধানসভা ভোটে লড়ার টিকিট দেওয়া হবে এই আশ্বাস দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ২৩ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে না প্রার্থী করা হয়েছে না তাঁর সেই টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

মানসবাবুর দাবি, তাঁকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফেই। বিনিময়ে চাওয়া হয়েছিল ২৩ লক্ষ টাকা। সেই টাকা তিনি ৫ দফায় মিটিয়েও দেন। কিন্তু তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। মানসবাবুকে টাকার বিনিময়ে প্রার্থী পদের সেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার মহিলা সহ সভাপতি। কিন্তু ভোট মিটে যাওয়ার পরেও সেই টাকা আর ফেরত পাননি মানসবাবু। এর জেরেই তিনি দলীয় প্যাডে গোটা ঘটনাটি জানিয়ে তা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত পাঠান দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও রাজ্য নেতৃত্বকে। সেখানেই তিনি সাফ জানিয়েছেন, দল তাঁর টাকা ফেরত না দিলে তিনি আত্মহত্যা করবেন। মানসবাবুর এহেন অভিযোগকে ঘিরেই এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে টাকার বিনিময়ে যে টিকিট বিলি হয়েছে সেই অভিযোগ কার্যত প্রমাণিত হয়ে গেল মানসবাবুর এই ঘটনার জেরেই। আর তার জেরেই এখন রাজ্য রাজনীতিতে মুখ পুড়ছে বিজেপির।

মানসবাবুর এই চিঠি প্রকাশ্যে চলে আসার জেরে এখন সব থেকে বড় অস্বস্তিতে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেননা মানসবাবুর দাবি, তিনি হোয়াটসঅ্যাপ মারফত চিঠি পাঠিয়েছিলেন দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী এবং রাজ্য সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলি হোসেনকে। সেই চিঠি কীভাবে প্রকাশ্যে এল, তা তাঁর অজানা। এই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি আলি হোসেন জানিয়েছেন, ‘দল এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যথাযথ সময়ে এ ব্যাপারে জানানো হবে।’

কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২৪, নিখোঁজ আড়াই হাজারের বেশি

ঠান্ডা দই বনাম আইসক্রিম, জেনে নিন কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর?

সেলুনে সতীর্থ সরফরাজের চুল কাটছেন মোহাম্মদ সিরাজ! ভাইরাল ভিডিও

বুধের সকালে চমক দেবে বৃহস্পতি! টাকার জোয়ারে ভাসবেন ৭ রাশির জাতক-জাতিকারা

 সম্পর্কের শৈত্য কাটছে! অগস্টের শেষ সপ্তাহে দিল্লি সফরে আসছেন তারেক রহমান

‘পাথর সম্রাট’ টুলুর বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করল সিউড়ি আদালত

‘ধর্মান্তকরণ রুখতে নতুন আইন আনছে রাজ্য,’ ঘোষণা শুভেন্দুর

পাঁচ বছরেই দেবরাজের সম্পত্তির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা! ইডিকে নতুন তথ্য দিল পুলিশ

গাঁজা সেবন করেই বিমান চালাচ্ছিলেন ফুকেত-দিল্লি এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট!

অভয়ার ধর্ষণ-খুনের দিন হাসপাতালে থাকা চিকিৎসক-নার্স, কর্মীদের তলব সিবিআইয়ের

বিএসএফ-বিজিবি পতাকা বৈঠকের পরে মুক্তি পেল বাংলাদেশিদের হাতে অপহৃত তেহট্টের দুই চাষি

‘দুর্নীতির খোঁজ চললেও, মানুষকে আগে পরিষেবা দিতে হবে,’ নির্দেশ দিলীপ ঘোষের

টুলুর ‘সাম্রাজ্য’-এর শিকড় খুঁজতে পুলিশের আতশকাচের নিচে আত্মীয়রা

হালিশহরের পর শ্যামবাজার, ফের মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, শুনতে হল চোর স্লোগান