আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডে মৃত বাংলার ৫! এখনও নিখোঁজ বহু

নিজস্ব প্রতিনিধি: আশঙ্কা ছড়িয়েছিল আগেই, এবার সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়া হল আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ডে মারা গিয়েছেন এ রাজ্যের ৫জন ট্রেকার। সে রাজ্যের তরফে সেই বার্তা সরকারি ভাবে জানিয়ে দেওয়াও হয়েছে। এই ৫জনের মধ্যে ৩জন হাওড়া জেলার বাগনানের বাসিন্দা ও বাকি দুইজনের মধ্যে একজন কলকাতার বেহালা এবং অপরজন নদিয়া জেলার রানাঘাটের বাসিন্দা। তবে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে সেখানে কার্যত নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বেশ কিছু ট্রেকার ও পর্যটকের সংখ্যা। তার মধ্যে এ রাজ্যের কয়জন রয়েছে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত উত্তরাখণ্ডের নানা এলাকায় কম-বেশি ১৫০ জন আটকে রয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে অনুমান করা হচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় বাধা পাচ্ছে উত্তরাখণ্ডের উদ্ধারকাজ। সব চেয়ে সমস্যা হচ্ছে, নিখোঁজদের হদিস পেতে। তবে প্রতিনিয়ত উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, গত ১৪ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডের হরশিল থেকে হিমাচলের ছিটকুলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ৯জন ট্রেকারদের একটি দল। তারমধ্যে ৫জনই এরাজ্যের বাসিন্দা। এই ট্রেকাররা হলেন মিঠুন দারি(৩১), তন্ময় তিওয়ারি(৩০), বিকাশ মাকাল(৩৩), সৌরভ ঘোষ(৩৪), এস দাস(২৮), রিচার্ড মণ্ডল(৩০), সুখেন মাঝি (৪৩) ও অনিতা রাওয়াত(৩৮)। অপর এক ট্রেকার পরিচয় এখনও সামনে আসেনি। এদের মধ্যে একমাত্র অনিতা দিল্লির বাসিন্দা। বাকিরা সবাই এ রাজ্যের বাসিন্দা। এই ৯জনের সঙ্গে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার পর ১৭ অক্টোবর থেকে আর কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। মিলছিল না তাঁদের কোনও খোঁজও। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি তাঁদের পরিজনেরাও। তবে বৃহস্পতিবার রাতেই উত্তরাখণ্ড বিপর্যয় মোকাবিলা দলের তরফে জানানো হয়েছে, ৫জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু কোনও দেহই শনাক্ত করার পর্যায়ে নেই। উত্তরাখণ্ড প্রশাসন সূত্রে দাবি, প্রতিকূল আবহাওয়ার জেরে নিখোঁজদের হদিশ পেতে বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। অধিকাংশ অঞ্চলে এখনও উদ্ধারকারীদের পাঠানোই সম্ভব হয়নি।

উত্তরাখণ্ডের ‘স্টেট রেসপন্স ডিজ়াস্টার ফোর্স’  বা এসডিআরএফ-এর ডিআইজি ঋধিম আগরওয়াল জানিয়েছেন, ‘নিখোঁজ ট্রেকার দলটির পাঁচ সদস্যের দেহ মিলেছে। এখনও ৪জন নিখোঁজ আছেন। দিল্লির রেসিডেন্ট কমিশনারের কার্যালয়ে কন্ট্রোলরুম চালু করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আটকে থাকা ব্যক্তিদের ফোন নম্বর জোগাড় করার চেষ্টা চলছে। যাঁরা যেখানে আটকে রয়েছেন, তাঁদের সেখানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। না হলে, সংশ্লিষ্টদের খুঁজে পেতে সমস্যা হবে। প্রত্যেককে সুরক্ষিত ভাবে ফেরানোর জন্য যা দরকার, তাই করতে বদ্ধ পরিকর প্রশাসন। আবহাওয়া খারাপ থাকায় উদ্ধারকারী দল এখনই পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেক জায়গা থেকে জল না নামায় উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হচ্ছে। তবুও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী কাজ চালাচ্ছে। পরিস্থিতি অনুকূল হলে, উদ্ধারকাজে গতি আসবে।’ এই অবস্থায় এ রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী নিজেই প্রতিনিয়ত উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। পাশাপাশি, দিল্লির রেসিডেন্ট কমিশনারের কার্যালয়ও একই কাজ করছে।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

পোলিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠকে অভিষেক, স্ট্রংরুমে কারচুপিই কি মূল ইস্যু?‌

কলকাতার ৭ টি স্ট্রং রুমের বাইরে ২০০ মিটার পর্যন্ত ১৬৩ ধারা জারি করল কমিশন

ভোট দিতে এসে চরম সমস্যায় মানুষজন, ট্রেন–বিমানের টিকিট নিয়ে নাকাল অবস্থা

স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা,নজরদারিতে আর কী থাকছে?

‘হেরে যাওয়া মানুষের নাটক শুরু’, স্ট্রংরুমকাণ্ডে মমতাকে তোপ দিলীপের

‘শ্রমিকরাই দেশের গর্ব ও সমাজের সম্পদ’, শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ