আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘মমতা সব সময় সঙ্ঘের পাশে থাকেন’, জানালেন দিলীপ মহারাজ, কার্তিককে নিয়ে আবারও সরব অধীর

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: সম্প্রতি হুগলি জেলার কামারপুকুরে দলের একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের(Bharat Sevasram Sangha) এক সাধুর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তার পর থেকেই তাঁকে ‘হিন্দু বিরোধী’ প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। তবে তাঁদের প্রচেষ্টায় জল ঢেলে দিলেন স্বয়ং সঙ্ঘেরই প্রধান সচিব স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ যিনি দিলীপ মহারাজ(Dilip Maharaj) নামেই বেশি পরিচিত। তিনি জানিয়েছেন, ‘নিছক ভুল বোঝাবুঝির ফলে একেবারে ব্যাক্তিগত স্তর থেকে কিছু মন্তব্য করা হয়েছে। এর সঙ্গে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ কোনও ভাবে জড়িত নয়। মমতা সব সময় সঙ্ঘের পাশে থাকেন এবং সব রকম ভাবে সাহাজ্য করেন। সঙ্ঘ কারও বিরুদ্ধে বা বিপক্ষে নয়। জনকল্যাণমূলক কাজে চালিয়ে যেতে দিল্লির পাশাপাশি রাজ্য সরকারও সমান ভাবে সঙ্ঘের পাশে থাকে।’ উল্লেখ্য মমতা যাকে ঘিরে সরব হয়েছিলেন তিনি ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের বেলডাঙা শাখার অধ্যক্ষ কার্তিক মহারাজ(Kartik Maharaj)। মমতা বা তৃণমূল নতুন করে তাঁকে নিয়ে সরব না হলেও, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী(Adhir Ranjan Chowdhury) কার্যত মমতার সুর ধরে রেখেই আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছেন কার্তিক মহারাজকে।

কামারপুকুরের সভা থেকে মমতা বলেছিলেন, ‘আমি রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিকে শ্রদ্ধা করি। সম্মান করি। তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো। কিন্তু, দু-একজন আছেন, যারা রাজনীতি করছেন, তাঁরা ঠিক করছেন না। রাজনীতি করতে হলে বুকে দলীয় প্রতীক লাগিয়ে রাজনীতি করুন। প্রতিষ্ঠান ভাঙিয়ে নয়।’ মুলত ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের বেলডাঙা শাখার অধ্যক্ষ কার্তিক মহারাজকে উদ্দ্যেশ্য এই মন্তব্য করেন মমতা। এই মন্তব্যকে ইস্যু করেই সরব হন প্রধানমন্ত্রীও। মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে ভোট পাওয়ার লক্ষ্যে সাধু সন্তদের বদনাম করার অভিযোগও তুলেছেন মোদি। তবে দিলীপ মহারাজের বক্ত্যবে গেরুয়া শিবিরের তৃণমূলকে ‘হিন্দু বিরোধী’ প্রমান করার চক্রান্তে জল ঢালা হল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। প্রসঙ্গত মোদির দাবির পরে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ মহারাজও মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘বেলুড় মঠ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এখানকার সন্ন্যাসীরা রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন না। এমনকী সন্ন্যাসীরা ভোটও দেন না। ভক্তরা কাকে ভোট দেবেন, সে বিষয়েও আমরা হস্তক্ষেপ করি না।’

তবে এই আবহেই অধীর কার্তিক মহারাজকে নিশানা বানিয়ে বলেছেন, ‘কার্তিক মহারাজ গেরুয়াধারী রাজনীতিক। তিনি বিরাট কোনও মহারাজ নন, যে তাঁকে নিয়ে প্রতিদিন আলোচনা করতে হবে। উনি গেরুয়াধারী রাজনৈতিক দলের লোক। বিজেপিকে সমর্থন করেন। এটা সবাই জানে। তাঁকে নিয়ে এত আলোচনা করে আমি মহান করতে পারব না। প্রধানমন্ত্রী মানুষের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছে না। ভোটের সময় মানুষের ভালো-মন্দ নিয়ে আলোচনা হোক। ভোটের সঙ্গে ধর্মকে মিশিয়ে দিয়ে এটা কী রাজনীতি হচ্ছে? বাংলায় এই রাজনীতি দেখে অত্যন্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আমরা। বাংলার মানুষ এই ধরনের সাম্প্রদায়িক রাজনীতির সঙ্গে পরিচিত ছিলেন না। যেদিন থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রবেশ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু হয়েছে। বিজেপির জন্য বাংলার রাজনীতিতে ধীরে ধীরে সাম্প্রদায়িকতা মাথা ছাড়া দিচ্ছে। বাম ও কংগ্রেস এই বাংলায় তৃতীয় শক্তি হিসেবে উঠে আসছে। মোদি বাংলার রাজনীতিতে ক্রমশ এই উত্থান দেখে হতাশ।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কালীঘাট থানার সাসপেন্ড হওয়া ওসি–সহ পুলিশ পর্যবেক্ষকদেরও হুঁশিয়ারি দিলেন মমতা

রাজীব কুমার থাকছেন বিশেষ দায়িত্বে, গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করলেন মমতা–অভিষেক

‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর অত্যাচার সহ্য করা দলীয় কর্মীদের পুরস্কৃত করা হবে,’ ঘোষণা মমতার

‘লোডশেডিং হতে পারে, গণনার সময়ে সতর্ক থাকবেন,’ কাউন্টিং এজেন্টদের বার্তা অভিষেকের

‘‌রাত ২টো পর্যন্ত গণনা চলতে পারে’‌, কাউন্টিং এজেন্টদের সজাগ থাকার নির্দেশ মমতার

রবিবার থেকে শুরু হবে বঙ্গে প্রবল দুর্যোগ, গণনা কেন্দ্রে বাড়তি সর্তকতা নেওয়ার পরামর্শ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ