কোন পথে আন্দোলন চলবে, শুভেন্দুর মতে সায় নেই বেশিরভাগের

শুভেন্দু এখন যাই বলুন না কেন, সেটা আর একবাক্যে বিজেপির কেউ গিলছেন না। শুভেন্দুর ‘হ্যাঁ’য়ে ‘হ্যাঁ’ মিলিয়ে আর সায় দিচ্ছে না কেউ।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আবারও একা হয়ে গিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। তাঁর মতে সায় দিচ্ছে না বঙ্গ বিজেপি(Bengal BJP)। আর কি কর কাণ্ডে(R G Kar Incident) গেরুয়া শিবিরের আন্দোলন কোন পথে চলবে, তা নিয়ে শুভেন্দুর মত ছিল, অরাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ানো হোক। কিন্তু তাতে সায় নেই দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার(Sukanta Majumdar) সহ দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষেরও(Dilip Ghosh)। তাঁরা পদ্ম-ঝান্ডা হাতেই রাজ্য সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে চাইছেন। শুভেন্দু শিবিরের দাবি, সময়টা সত্যাগ্রহের নয়, বরং জঙ্গি আন্দোলনের। যে হেতু সাধারণ মানুষের একাংশ নিজে থেকেই পথে নেমেছেন, তাই বিজেপির ব্যানারে নয়, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ব্যানারেই লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। তাতে লাভও হবে। কিন্তু এর বিরুদ্ধ মতের দাবি, ঝাণ্ডা ছাড়া আন্দোলন করলে তার রাজনৈতিক লাভ চলে যাবে বামেদের ঝুলিতে। সেক্ষেত্রে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাতে পারে বামেরা। সেক্ষেত্রে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের তকমা হারাবে পদ্মশিবির।

আরও পড়ুন, ১২টি গ্রামীণ প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

শুভেন্দু অনুগামীদের দাবি, ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’-এর ব্যানারে সম্প্রতি যে নবান্ন অভিযান হয়েছিল তাতে নাগরিক সমাজের পাশাপাশি বিরোধী দলগুলিও নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে ঝাঁপিয়েছিল। আন্দোলনকে যা কার্যত গুরুত্ব দিয়েছে। শাসকের ওপর চাপ বেড়েছে। সেখানে যদি দলের ঝাণ্ডা থাকতো তাহলে এই সমর্থন পাওয়া যেত না। কিন্তু সুকান্ত শিবিরের মত, আর জি কর নিয়ে অরাজনৈতিক আন্দোলন যেমন চলছে, চলুক। পাশাপাশি বিজেপির ঝান্ডা নিয়ে আন্দোলন, সত্যাগ্রহও চলুক। রাজনীতির লোকরা তো রাজনীতিই করবেন। তাঁরা অরাজনৈতিক হয়ে হাতে মোমবাতি ধরলে উল্টো ফল হবে। কোনটা রাজনৈতিক মিছিল, আর কোনটা অরাজনৈতিক—এই বিভ্রান্তি থেকে অনেকেই আন্দোলন বিমুখ হয়ে উঠতে পারেন। তাতে আখেরে লাভ হবে তৃণমূলেরই। অর্থাৎ শুভেন্দু এখন যাই বলুন না কেন, সেটা আর একবাক্যে বিজেপির কেউ গিলছেন না। শুভেন্দুর ‘হ্যাঁ’য়ে ‘হ্যাঁ’ মিলিয়ে আর সায় দিচ্ছে না কেউ।

আরও পড়ুন, ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের Biometric Attendance বাধ্যতামূলক করছে KMC

আর জি কর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ চেয়ে বিজেপি লাগাতার ধর্না চালিয়ে যাচ্ছে। ধর্মতলায় তাদের ধর্না রবিবার ৪ দিনে পড়ল। এর আগে শ্যামবাজারে টানা ৫ দিন ধর্নায় বসেছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। এ ছাড়াও বিভিন্ন জেলায় অবস্থান বিক্ষোভ এবং পথ অবরোধ কর্মসূচি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গ বিজেপির ক্ষমতাসীন শিবির। এর পর আর জি কর নিয়ে প্রতিটি জেলায় ধর্নায় বসারও ভাবনা-চিন্তা রয়েছে সুকান্তদের। সম্ভবত বঙ্গ বিজেপির তরফে কলকাতায় একটা মহামিছিলের ডাকও দেওয়া হতে পারে। সেটা বিজেপির ব্যানারেই হবে। হাতে পদ্ম-ঝান্ডা নিয়েই সেখানে সামিল হবেন বিজেপির নেতাকর্মীরা। তবে আন্দোলনের এই পথে হাঁটার পক্ষপাতী নয় শুভেন্দুপন্থীরা। তাঁদের দাবি, ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে শুকনো মুখে বসে থাকার চেয়ে অরাজনৈতিক ব্যানারে একটা নবান্ন অভিযানের প্রভাব অনেক বেশি।

খালি পেটে ভুলেও চা-কফি নয়! সুস্থ থাকতে সকালের খাবারে বেছে নিন ৮ সুপারফুড

পায়ে অসাড়তা সাধারণ ক্লান্তি নয়, হতে পারে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথির প্রাথমিক লক্ষণ

কমনওয়েলথ গেমসে রুপো জিতলেন ভারোত্তোলক জ্ঞানেশ্বরী যাদব

তীব্র গরমে মেয়েরা কেন ছটফট করেন? নেপথ্যে থাকতে পারে এই ৫ কারণ

নিশানায় ভারত! লাদাখ-অরুণাচল সীমান্তে ১১টি ‘জে-২০ মাইটি ড্রাগন’ যুদ্ধবিমান মোতায়েন চিনের

জনপ্রিয় গান নিয়ে রিল বানিয়ে তারেক সরকারের রোষানলে হিন্দু শিক্ষিকা

রথের উপর জুতো পরে দাঁড়িয়ে রিলস ভিডিও শুট, গ্রেফতার বর্ধমানের যুবক

‘আমার নিরাপত্তা নিয়ে ভয় পেতেন’, হেমার রাজনীতিতে প্রবেশে আপত্তি ছিল ধর্মেন্দ্রর

কারুরে পদপিষ্টের ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সরকারি চাকরির নির্দেশিকা বাতিল মাদ্রাজ হাইকোর্টের

মাঝ আকাশে ধোঁয়া, ১৯৪ যাত্রী নিয়ে রাজকোটে জরুরি অবতরণ মুম্বই-দুবাইগামী ইন্ডিগোর বিমানের

যোগ্যরা সবাই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন, ধোঁয়াশা কাটালেন শুভেন্দু

প্রতিবেশীর বাড়িতে খাওয়ার অপরাধে পাষণ্ড মায়ের বেদম মারে মৃত্যু মেয়ের

অনিশ্চয়তায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ভবিষ্যৎ , চরম আর্থিক সঙ্কটে আল নাসার ক্লাব

অভিমুখ বদলে কলকাতার আরও কাছে অতি গভীর নিম্নচাপ, রাতেই প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা