এই মুহূর্তে

‘পঞ্চাশের নীচে নামান, ২০২৯ পর্যন্ত কেন্দ্রে সরকার টিকবে না’‌, বিস্ফোরক অভিষেক

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করলেন নজরুল মঞ্চে। এই সভার পোশাকি নাম—‘‌তপসিলি সংলাপ’‌। শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচন এখন কঠিন লড়াই। বিজেপি হিন্দু–মুসলিমের রাজনীতি করে চলেছে। জাতি, সম্প্রদায় ধরে রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে তপসিলি জাতি এবং উপজাতিদের অবিরাম, বর্বর নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। জাতপাত নিয়ে বিজেপি নেতারা তাদের উপর অপমান করে বলে অভিযোগ অভিষেকের। বিজেপি সংবিধানকে ধ্বংস করবে, ভারতের বৈচিত্র্যময় পরিচয় মুছে ফেলার জন্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রয়োগ করবে এবং সংরক্ষণ সম্পূর্ণ বাতিল করবে বলে অভিযোগ অভিষেকের।

এদিকে তপসিলি জাতি এবং উপজাতিদের উপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। এই তথ্য এনসিআরবি রিপোর্টে উঠে এসেছে। এই তথ্য দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘এরা ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা বলে। উত্তরের যে সব জেলায় বিজেপির বিধায়ক–সাংসদ সেখানে গিয়ে দেখুন কেন্দ্র থেকে কটা টাকা এনেছে। পাঁচ বছর হয়ে গিয়েছে কিন্তু খুঁটি পুঁতে ১০ পয়সার বালবও জ্বালায়নি। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনতে চায় বিজেপি। ২৪০ সাংসদ নিয়ে বিআর আম্বেদকরের রচিত সংবিধান পাল্টাতে চায়। সেই দল যদি আবার ক্ষমতায় আসে, তবে এটা নিশ্চিত যে বিআর আম্বেদকর তপসিলিদের সংরক্ষণের অধিকার দিয়েছে তা তুলে দেবে।’‌

অন্যদিকে তপসিলি জাতি–উপজাতিদের একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তপসিলি জাতি–উপজাতিদের জন্য কী কী কাজ করেছে তাও তুলে ধরেন সাংসদ। বিজেপিকে একহাত নিয়ে অভিষেকের বক্তব্য, ‘‌কে বাংলায় চিকেন প্যাটিস, এগ চাউমিন বিক্রি করবে তা দিল্লির জমিদাররা ঠিক করবে না। যতদিন আমরা আছি তা করতে দেবো না। বিজেপিকে পঞ্চাশের নীচে নামান, ২০২৯ পর্যন্ত কেন্দ্রে সরকার টিকবে না। ২৫০–এর বেশি আসনে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতান। আগামী দিনে এদের শূন্য করতে হবে। এদের জেতানো আর দুধকলা দিয়ে সাপ পোষা একই। আত্মতুষ্টিতে ভুগলে হবে না। তপসিলি অধ্যুষিত ৮৪টি বিধানসভায় গিয়ে সবাইকে বোঝাতে হবে। আগামী দু’‌মাস নাগরিকদের সামনে তুলে ধরতে হবে তপশিলি জাতি এবং তপশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের উপর অত্যাচার হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। এলাকায় গিয়ে বোঝাতে হবে, বিজেপিকে ভোট দেওয়া ও খাল কেটে কুমির কাটা এক। যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের আসল রূপ দেখান।’‌

এছাড়া বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে তুলোধনা করেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। এই বিষয়ে সভা থেকে সুর সপ্তমে চড়িয়ে অভিষেক বলেন, ‘‌আমরা দেখে এসেছি জুলাই আগস্ট মাসে রথযাত্রা হয়। জগন্নাথদেবের রথের কথা শুনেছি। শ্রীকৃষ্ণ–অর্জুনের রথের কথা শুনেছি মহাভারতে। আর এই দু’‌নম্বরি নেতাদের রথে চড়তে দেখছি। বিরোধী আসনে বসে ৭০টি আসন পেয়েই রথে চড়ছে। ২০০ পার করলে কীসে চড়ত?‌ এদের পা মাটিতে পড়ছে না। রথ নিয়ে এই বিজেপি নেতারা এলে মাছ–মাংস খাওয়াবেন। বলবেন, আমাদের টাকা তো এত বছর ধরে আটকে রেখেছেন। এই খাবার খান। মিষ্টি থেকে চা সব খাওয়াবেন। আর ওই রথগুলি যত্ন করে রাখতে বলবেন। কারণ ওই রথগুলিতে করেই ফিরে যেতে হবে।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

রান্নার গ্যাসের হাহাকার মেটাতে নবান্নে কন্ট্রোল রুম খুললেন মুখ্যমন্ত্রী, তোপ কেন্দ্রকে

সন্ধ্যা নামতেই আবহাওয়ার ভোলবদল, কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় ঝাঁপিয়ে নামল বৃষ্টি

ভোট ঘোষণার আগেই ২৯৪ বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ কমিশনের

টালা থেকে এক বাসেই এবার সাঁতরাগাছি , রইল রুট ও ভাড়া

সৌজন্য মমতার, রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠানে বিমান বসুকে বিশেষ সম্মান

স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধে পাবেন টলিপাড়ার ৭ হাজার কলাকুশলী, দেবের অনুরোধে সাড়া মমতার

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ