ফের কাছাকাছি তৃণমূল-কংগ্রেস? নৈশভোজে অভিষেক-ডেরেকের সঙ্গে রাহুলের ‘আলাদা’ কথা নিয়ে জোর চর্চা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তিক্ততা দূরে সরিয়ে রেখে কি আগামী বিধানসভা ভোটে জোট বেঁধে লড়বে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধির কংগ্রেস? বৃহস্পতিবার লোকসভার বিরোধী দলনেতার দেওয়া নৈশভোজের ছবি অন্তত তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। নৈশভোজের এক ফাঁকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একান্তে বেশ খানিকক্ষণ কথা বলেছেন রাহুল গান্ধি। ওই কথাবার্তার সময় হাজির ছিলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনও। যদিও তিন জনের কেউই এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মনে করছে, ‘মহাশূন্যের লজ্জা এড়াতে সিপিএম তথা বামেদের সঙ্গ ছেড়ে ফের তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলাতে পারে কংগ্রেস।’

২০২১ সালের বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে সিপিএমের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়তে গিয়ে বাংলায় ভূমিশয্যা নিতে হয়েছিল কংগ্রেসকে। বিধানসভায় খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল শতাব্দী প্রাচীন দলকে। আর লোকসভায় দলের একমাত্র প্রদীপ জ্বালাতে পেরেছিলেন ইশা খান চৌধুরী। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা বরকত গণি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণেই ওই জয় সম্ভব হয়েছে। দুই ভোটেই জামানত খোয়াতে হয়েছে কংগ্রেসের প্রার্থীদের। এমনকি সর্বশেষ কালীগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনেও বামেদের সমর্থন নিয়ে জামানত বাঁচাতে পারেননি কংগ্রেস প্রার্থী। দীর্ঘদিন ধরেই নিচুতলার কংগ্রেস কর্মীরা সিপিএমের সঙ্গ ছেড়ে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বাঁধার পক্ষে সরব। যদিও প্রদেশ কংগ্রেসের পদ আঁকড়ে থাকা নামসর্বস্ব তথাকথিত কিছু নেতা সিপিএমের প্রেমে গদগদ। তাদের কাছে বিজেপি নয়, তৃণমূল কংগ্রেসই প্রধান শত্রু। আর ওই নীতি নিতে গিয়ে রাজ্যে দলের ভোটব্যাঙ্ক তলানিতে নিয়ে গিয়ে দাঁড় করিয়েছেন। বাংলায় কংগ্রেস সাইনবোর্ড সর্বস্ব সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

সূত্রের খবর, বাংলার বিধানসভার ভোট নিয়ে একটি বিশেষ সমীক্ষা চালিয়েছিলেন রাহুল গান্ধি। ওই সমীক্ষাতে উঠে এসেছে বাংলায় দলের করুণ দশা। অন্তত ৪৫ হাজার বুথে দলের কোনও সংগঠন নেই বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়। পাশাপাশি সিপিএমের হাত ধরায়, বহু কর্মী ক্ষোভে দল ছেড়েছেন কিংবা বসে গিয়েছেন। বিজেপি সম্পর্কে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব নরম মনোভাব নেওয়ায় কংগ্রেসের চিরাচরিত ভোটব্যাঙ্কও তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। বাংলার সাধারণ মানুষ আড়াআড়িভাবে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিতে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বলেও ওই সমীক্ষাতে বলা হয়েছে। সিংহভাগ ভোটারদের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারানো সিপিএমের হাত ধরলে বিধানসভা ভোটেও যে ফের খালি হাতে ফিরতে হবে তাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন নেতা রাহুল গান্ধিকে এও বলেছেন, ‘নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে কংগ্রেসকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে বাংলার সিপিএম নেতৃত্ব। জোট বাঁধলে সিপিএমের লাভ হতে পারে কংগ্রেসের কোনও লাভ হবে না। বরং তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়লে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং উত্তর দিনাজপুরে নিজেদের হারানো ভোটব্যাঙ্ক ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতার কথায়, ‘ক্ষমতা থাকাকালীন ৩৪ বছরে সিপিএম ক্যাডারকুল যে অত্যাচার চালিয়েছে, তার স্মৃতি এখনও টাটকা বাংলার সাধারণ মানুষের মনে। ফলে সিপিএমকে আর কখনই ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনবেন না। সিপিএমের হাত ধরে অতলে তলিয়ে যাওয়া ছাড়া কংগ্রেসের ভাগ্যে আর কিছু জুটবে না। বরং তৃণমূলের সঙ্গে জোট বাঁধলে বেশ কয়েকজন বিধায়ক পাওয়া যাবে। সংগঠনকে নতুন করে দাঁড় করানো যাবে।’

 

গুজরাতের গির অভয়ারণ্যে মৃত্যু ছয় সিংহের, পর্যবেক্ষণে আরও ১৭

ট্রাম্পের ছবি-সহ ২৫০ ডলারের নোট চালুতে রাজি না হওয়ায় অপসারিত আধিকারিক

কুরবানির মাংস কাটছেন ঢাকাই নায়িকা অপু বিশ্বাস, ভিডিও ভাইরাল

২০ বছরে প্রথম, ভারতীয় আমের উপরে নিষেধাজ্ঞা জাপানের

ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের সফল চিকিৎসা পুরুলিয়ায় গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজে

কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে সাসপেন্স, দিল্লিতে সিদ্দারামাইয়া-ডি কে শিবকুমার

বিশ্বাস পরিবারে ভাঙন! ডিভোর্সের পথে স্বরূপ ও তৃণমূল কাউন্সিলর জুঁই

পদত্যাগ করলেন ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান সহ ৮ কাউন্সিলর

পশ্চিমবঙ্গ থেকে পুশব্যাক রুখতে গ্রামবাসীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে বিজিবি!

বাংলায় নতুন বিধায়কদের ১৭৬ জনই ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন

‘আলবিদা’, ইস্তফা দিলেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া

‘অনুপ্রবেশকারীরা স্বেচ্ছায় ফিরে গেলে কোনও মামলা হবে না’, বার্তা অমিত শাহের

বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়াই কাল, দামোদরের জলে তলিয়ে গেল নাবালক

কাজে দেবে না ছাতাও, কিছুক্ষণের মধ্যেই ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী