দেখতে থাকুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অক্ষয়ের দায়িত্বে ছিল অস্ত্রভাণ্ডার, বিপর্যয় রুখতে তাঁকে বাগে আনার কৃতিত্ব কলকাতা পুলিশের

নিজস্ব প্রতিনিধি: জাদুঘরে গুলি চালনার পর টানা দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় কলকাতা পুলশের বিশেষ দল ঘাতক সিআইএসএফ জওয়ান অক্ষয় কুমার মিশ্রকে আত্মসমর্পণ করাতে সক্ষম হয়। এবার এই ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এলো। সূত্রের খবর, ঘাতক জওয়ান অক্ষয় কুমার মিশ্রের দায়িত্বে ছিল অস্ত্রভান্ডার। শুধু তাই নয় ওই জওয়ানের কাছেই ছিল অস্ত্রভান্ডারের চাবি। শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে বাগে আনা না গেলে আরও বড় বিপর্যয় হতে পারত বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

অক্ষয় কুমার মিশ্রের দায়িত্বে যে অস্ত্রাগার ছিল সেখানে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও বুলেট ছিল প্রচুর। তাই তাঁকে আত্মসমর্পণ না করাতে পারলে বড় বিপর্যয় হতে পারত। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ পার্কস্ট্রিট জাদুঘরে সিআইএসএফ জওয়ানদের রোলকল চলাকালীন আচমকা আচমকা সেন্ট্রি থেকে একে ৪৭ রাইফেল ছিনিয়ে নেন অক্ষয় কুমার মিশ্র। অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার পর বার্স্ট ফায়ার করেন তিনি। সূত্রের খবর, অক্ষয়ের লক্ষ্য ছিল সমাদ্দার নামের অন্য এক জওয়ান। কিন্তু গুলি চালাতে প্রাণ বাঁচাতে তিনি গাছের আড়ালে লুকিয়ে পড়েন। এর পর এলোপাথারি গুলি চালানোয় গুলি লাগে রঞ্জিত সারেঙ্গি এবং সুবীর ঘোষ নামের দুই জওয়ানের দেহে। জখম অবস্থায় দুই জওয়ানকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। শনিবার সন্ধ্যায় রঞ্জিত সারেঙ্গির মৃত্যু হয়। মৃত রঞ্জিত ওড়িশার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত জওয়ান অক্ষয় কুমার মিশ্রের বাড়িও ওড়িশায়। আহত আরেক জওয়ান সুবীর ঘোষ বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থা রয়েছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক নয় বলে পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে। সুবীরের হাতে গুলি ঢুকে এফোঁড় ওফোঁড় করে দিয়েছে। সুবীর ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার বাসিন্দা।

এদিন সন্ধ্যায় গুলি চালানোর ঘটনার পর কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল পার্কস্ট্রিটে জাদুঘরে পৌঁছন। কলকাতা পুলিশের একটি বিশেষ দল অপারেশন শুরু করে। বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরে জাদুঘরের ভিতরে যান পুলিশের বিশেষ দলের সদস্যরা। সেখানে ঢুকে ঘাতক জওয়ানকে আত্মসমর্পণ করার জন্য বারবার বলা হয় কলকাতা পুলিশের তরফে। তাঁর সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেন পুলিশ আধিকারিকরা। এরপর অভিযুক্ত জওয়ান অক্ষয় কুমার মিশ্র পালটা পুলিশকে শর্ত দেন, যদি পুলিশ অস্ত্র ছাড়া ভেতরে আসেন তবেই তিনি অস্ত্র ফেলে আত্মসমর্পণ করবেন। কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা তাঁর কথা মেনে নিলে অবশেষে আত্মসমর্পণ করেন ওই জওয়ান। আরও প্রাণহানি হওয়া থেকে মহানগর রক্ষা পাওয়ায়, এর কৃতিত্ব কলকাতা পুলিশকে দিচ্ছেন শহরবাসী।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

কালবৈশাখী আসছে! দক্ষিণের ১২ জেলায় প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, কবে থেকে?

‘‌কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে ছাপ্পা দেওয়ার প্ল্যান করা হয়েছে’‌, মোদিকে তোপ মমতার

কালীঘাটের ‘ওয়াররুমে’ কড়া নজর মমতা–অভিষেকের, চলছে হিসেবনিকেশ, অঙ্ক কী বলছে?‌

‘‌নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না’‌, মোটরবাইক বন্ধে কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

শহরে বসেই বাংলার ভোটে নজরদারি শাহের, আচমকাই হাজির সল্টলেকের ‘ওয়ার রুম’-এ

বাইকের পর গাড়ি ব্যবহারেও শুরু কড়াকড়ি, কারা পাবেন ছাড়? জেনে নিন…

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ