চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘শাহ রাজনৈতিক পর্যটক, একটা করে বছর উনি পিছিয়ে যাচ্ছেন’, কটাক্ষ কুণালের

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: শাহি সফরে বাংলায়(Bengal) এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী(Union Home Minister)  অমিত শাহ(Amit Shah)। এসেই বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। আর তা শুনে হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে বাংলার জনগন। কেননা এই পরিবর্তনের ডাক তাঁরা এই প্রথমবার শুনছেন না। বিজেপি কেন, বাম কংগ্রেসের নেতারাও থেকে থেকেই রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেয়। আর যতবারই তাঁরা এই ডাক দেয় ততবারই দেখা যায় তৃণমূল(TMC) বেশি করে ক্ষমতাশালী হয়ে যাচ্ছে। সব দেখে শুনে বুঝেও এই শাহবাবুরা, পরিবর্তনের ডাক থেকে পিছু হটেন না। জনগণও আর তাই ওনাদের বুলিকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করেন না। বরঞ্চ তাঁদের বুলি এখন বাংলার জনগণের কাছে হাস্যরসাত্মক খাদ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিন সেই শাহের মুখে পরিবর্তনের ডাক শুনে তাই তাঁরা হেসেছেন, লুটোপুটি খেয়েছেন। সেই সব বুলি নিয়ে অমিত শাহকে তৃণমূলের তরফে পাল্টা কটাক্ষও করেছেন কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh)।  

আরও পড়ুন, অনুপ্রবেশ নিয়ে শাহি মন্তব্যে শাহের ব্যর্থতাই প্রকট, মুখ লুকাচ্ছে বিজেপি

বাংলায় পরিবর্তন নিয়ে কী বলেছেন শাহ? তিনি এদিন বনগাঁর পেট্রাপোলে গিয়ে বলেছেন, ‘২০২৬ সালে আপনারা পরিবর্তন এনে দিন রাজ্যে। উন্নয়নই মোদি সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। গত ১০ বছরে বাংলাকে কী দিয়েছেন মমতা? তৃণমূল তো কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে রয়েছে। কেন্দ্রে কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন বাংলাকে ২.৯ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। মোদি সরকার বাংলাকে গত ১০ বছরে দিয়েছে ৭.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু মোদির দেওয়া টাকা বাংলায় এসে দুর্নীতির বলি হয়ে যায়। আমরা বাংলাকে আরও উন্নত আরও সুজলা সুফলা করে তুলব। বাংলার জনগণকে বলছি ২০২৬-এ পরিবর্তন আনুন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদিজী বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন-নতুন সূচনা করেছেন। আরোগ্য প্রকল্পে প্রত্যেকে ৫ লক্ষ টাকা করে পান। তবে বাংলার লোকজন হয়ত এই প্রকল্পের সুবিধা কম পেয়ে থাকেন। তবে চিন্তা করবেন না, ২০২৬ সালে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আপনারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।’

আরও পড়ুন, অবশেষে দাবি উঠেই গেল, কালীপুজোতেও চাই সরকারি অনুদান

সেই শাহি বক্তব্যের জেরে কুণাল এদিন বলেছেন, ‘সেই উনিশের লোকসভা নির্বাচন থেকে উনি বাংলায় বদলের ডাক দিচ্ছেন। মানুষ গুরুত্ব না দিলে কী বা করা যাবে! এভাবে দেখতে দেখতে একটা করে বছর উনি পিছিয়ে যাচ্ছেন। আসলে উনি রাজনৈতিক পর্যটক তো। তাই সব কিছু গুলিয়ে ফেলছেন। বাংলাকে গত ১০ বছরে কেন্দ্র কী দিয়েছে সেই সব নিয়ে মিথ্যে কথা না বলে সাহস থাকলে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুন। কেন্দ্রের কাছ থেকে বাংলার প্রাপ্য বকেয়ার পরিমাণ ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ১০০ দিনের প্রকল্পে এক নয়া পয়সা দেয়নি। আবাসের টাকা অন্য রাজ্যকে দিলেও বাংলাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আর দেখলাম উনি অনুপ্রবেশের কথা বলছেন। অনুপ্রবেশ বন্ধ করার দায়িত্ব কার? অনুপ্রবেশের কথা অমিত শাহ বললে, এটা তো আত্মঘাতী গোল! সীমান্ত কে পাহারা দেয়? কোন মন্ত্রকের অধীনে? তাঁর মন্ত্রীর নাম কী? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই যদি বলেন অনুপ্রবেশ বাড়ছে তাহলে তো এর ব্যর্থতা তাঁর এবং সীমান্তের দায়িত্বে থাকা বাহিনীর।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

‘‌যেখানে ক্ষমতা নিরঙ্কুশ, সেখানে পরিণাম ঐচ্ছিক’‌, অভিষেকের নিশানায় মধ্যপ্রদেশের বিধায়কের ছেলে

অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে হাইকোর্টে মুখ পোড়াল জ্ঞানেশ গ্যাং

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ভবানীপুরে জোরদার প্রচার সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অফিস টাইমে ফের মেট্রো বিভ্রাট, চূড়ান্ত ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা

‘‌মানুষের জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব’‌, নির্বাচন মরশুমে বার্তা মমতার

‘নির্বাচনের ব্লু-প্রিন্ট চুরি করাতেই অভিযান’ অভিযোগ তৃণমূলকর্মীর

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ