আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

পাটের বস্তার দাম বাড়াচ্ছে কেন্দ্র, উপকৃত হবেন শ্রমিক ও চাষীরা

Courtesy - Facebook and Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: খাদ্যশস্য ও চিনি বোঝাই করতে ব্যবহৃত পাটের বস্তার(Jute Basta) দাম বাড়াচ্ছে কেন্দ্র। চলতি সপ্তাহের বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা মাশুল কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন দামের নীতিতে সম্মতি দিয়েছে। এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রক জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গ-সহ অন্যান্য রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষ চটকল শ্রমিক(Jute Mill Workers) ও ৪০ লক্ষ পাটচাষি উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে খাদ্যশস্য বোঝাইয়ের জন্য ১০০% ও চিনির ক্ষেত্রে ২০% পাটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্র। সরকারের দাবি, খাদ্যশস্য বোঝাইয়ের জন্য তারা প্রতি বছর প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার পাটের বস্তা কেনে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে পাটের বস্তার দাম প্রতি টনে ৩ হাজার টাকা মতো বাড়বে বলে আশা করছে রাজ্যের চট শিল্পমহল। পাশাপাশি, পুরোনো বকেয়া হিসেবে প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন চটকল মালিকদের সংগঠন Indian Jute Mills Association বা IJMA’র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সঞ্জয় কাজারিয়া।  

আরও পড়ুন, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া ধান বিক্রি করতে পারবেন না চাষিরা, ফড়ে রাজ কমাতে কড়া পদক্ষেপ

এখন পাটের বস্তার টন প্রতি গড় দাম ৯৫ হাজার টাকার মতো। এ রাজ্যে চট যেহেতু অন্যতম বড় শিল্প, তাই পাটের বস্তার দাম বাড়লে রাজ্যের পাটচাষি ও চটকল শ্রমিকরা উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট সকলেই। পশ্চিমবঙ্গের জুটমিলগুলি এখনও মূলত ব্যারাকপুর, হাওড়া ও হুগলি শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত। ব্যারাকপুর থেকে সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়েই চটশিল্পের পুনরুজ্জীবন চেয়ে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে চিঠি লিখেছিলেন তৃণমূলের(TMC MP) পার্থ ভৌমিক(Partha Bhowmick)। সেই চিঠিতে জুটমিলগুলি ধুঁকতে থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে চটের বস্তার ব্যবহার কমিয়ে দেওয়াকেই দায়ী করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আবেদন করেছিলেন তিনি। তারই প্রেক্ষিতে জুটের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দিতে কেন্দ্র সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পার্থ। তাঁর কথায়, ‘জুট শিল্পের পুনরুজ্জীবনে বুধবার কেন্দ্রের সরকার যে সব পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে তাতে আমাদের দাবিকেই মান্যতা দেওয়া হয়েছে। তবে সেটা কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে তা আমরা লক্ষ্য করবো। যদি দেখি যে পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়েছে সেটি বাস্তবায়িত হচ্ছে না, তা হলে আন্দোলনের রাস্তা খোলা রয়েছে।’

আরও পড়ুন, কী ভাবে ওই প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়া হল, আদালত হলফনামা চাইল পুলিশের

২০০৩ থেকে কেন্দ্রীয় সরকার পাটের বস্তার দাম নির্ধারণ করে আসছিল। ২০১৫ সালে সরকার বস্তার স্পেসিফিকেশনে বদল আনে। প্রতি বস্তার ওজন ৬৬৫ গ্রাম থেকে কমিয়ে ৫৮০ গ্রাম করা হয়। এ জন্য বস্তার একটা অন্তর্বর্তী দাম চালু করে কেন্দ্র। মাশুল কমিশন বস্তার দামের ব্যাপারে ২০১৭ সালে রিপোর্ট দেয়। আদালতে সেই রিপোর্ট চ্যালেঞ্জ করে IJMA। আদালতের নির্দেশে মাশুল কমিশন নতুন রিপোর্ট তৈরি করে ২০২১-এ সরকারকে জমা দেয়। তবে কেন্দ্র তা কার্যকর না করায় ফের কলকাতা হাইকোর্টে যায় IJMA। গত বছর হাইকোর্ট ২০২৪ সালের অগস্টের মধ্যে রিপোর্ট কার্যকর করার নির্দেশ দেয়। তারই প্রেক্ষিতে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পাটের বস্তার নতুন দামের নীতিতে সম্মতি দিয়েছে। যদিও চটকল মালিকদের অভিযোগ, কেন্দ্রের কাছ থেকে বস্তার পর্যাপ্ত বরাত না পাওয়ার জন্য এখন রাজ্যের অধিকাংশ চটকলে সপ্তাহে ৫ দিন কাজ হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে জগদ্দলের তৃণমূলের বিধায়ক তথা INTTUC’র ব্যারাকপুর-দমদম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সোমনাথ শ্যাম জানিয়েছেন, ‘কেন্দ্রের সরকারের সদিচ্ছার অভাব এবং প্লাস্টিক লবির প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে জুটশিল্প মার খাচ্ছে। আগে যেখানে সাড়ে ৩ লক্ষ জুট বেলের অর্ডার পাওয়া যেত সেখানে গত মাসে মাত্র ৩৫ হাজার বেলের অর্ডার হয়েছে।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোট মিটতেই একলাফে সিলিন্ডার পিছু ৯৯৪ টাকা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন হবে, এখনও খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন

‘মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে,’ স্ট্রং রুম থেকে বেরিয়ে বললেন মমতা, ক্ষোভ পুলিশের ভূমিকায়

কালবৈশাখীর মধ্যেই ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের পাহারায় মমতা

তৃণমূলের EVM-বিকৃতির অভিযোগ খারিজ কমিশনের, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে মোতায়েন বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

কার দখলে থাকবে বাংলা? সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যেই পূর্বাভাস দেবে ইভিএম

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ