আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

জোট না হওয়ার সম্ভাবনায় খুশি সর্বস্তরের তৃণমূলকর্মীরা

Courtesy - Twitter and Google

কৌশিক দে সরকার: ইঙ্গিত তিনি আগেই দিয়েছিলেন। দেগঙ্গার মাটি থেকে। গতকাল সন্ধ্যায় তিনি আবারও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এবার আরও সুস্পষ্ট ভাবে। সাফ জানিয়েছেন, ৪২টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার মতো প্রস্তুতি শুরু করে দিতে। অর্থাৎ ২৪’র ভোটে(General Election 2024) বাংলার মাটিতে কোনও জোট হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই খুশির হাওয়া দেখা যাচ্ছে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের(TMC) সর্বস্তরের নেতা থেকে কর্মীদের মধ্যে। দেশের বুকে নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল বিজেপিকে হারাতে তৈরি হয়েছে INDIA জোট। তাতে আছে কংগ্রেস(INC) এবং তৃণমূল দুই দলই। মমতা প্রাথমিক ভাবে কংগ্রেসকে বহরমপুর এবং দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্র দুটি ছাড়তে রাজীও হয়েছিলেন। এই নিয়ে তাঁর সঙ্গে কংগ্রেসের দুই শীর্ষ মাথা সোনিয়া গান্ধি এবং রাহুল গান্ধি দুইজনের সঙ্গেই কথাও হয়েছিল। কেননা এই দুটি আসনেই উনিশের ভোটে জয়ের মুখ দেখেছিল কংগ্রেস। কিন্তু মাত্র ২টি আসনে খুশি নয় প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা। তাঁদের কারও দাবি ২১, তো কারও দাবি ১২। কেউ ৯টি আসন চাইছেন তো কেউ ৫টি। এর মাঝেই দলের নেতাকর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছেন মমতা।  

কেন খুশি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা? বাংলার(Bengal) মাটিতে ২৪’র ভোটে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে জোট না হওয়ার জন্য দায়ী প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারাই। তাঁদের অন্ধ মমতা ও তৃণমূল বিরোধিতা কার্যত বিজেপির হাতই শক্ত করে দিচ্ছে। নিত্যদিন তাঁরা নিশানা বানিয়ে আক্রমণ শানছেন মমতা ও তৃণমূলকে। যারা নিজেদের দলের ১জন প্রার্থীকেও রাজ্য বিধানসভায় জিতিয়ে আনতে পারেন না, জেতা প্রার্থীকে ধরে রাখতে পারেন না, তাঁরা অস্তিত্বহীন হয়েও ২১, ১২, ৯, ৫টি করে আসন চাইছেন। এর থেকে হাস্যকর আর কীই বা থাকতে পারে। বস্তুত বাংলার মাটিতে এখন কংগ্রেসের হাল এতটাই খারাপ যে কোনও লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দিলে সেই প্রার্থী তাঁর জামানত বাঁচাতে পারবে কিনা সন্দেহ। তবে রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাম-বিজেপি-কংগ্রেস এবং আইএসফের মহাজোট হলে সেই ছবি কিছুটা হলেও বদলাবে। আসলে প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা এখন তলে তলে সেই মহাজোট গঠনের দিকেই এগোচ্ছেন। আর তাই তাঁরা কংগ্রেস ও তৃণমূলের জোট ভেঙে দিতে বা তা না হতে দিতে উঠেপড়ে লেগেছেন। এটা তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মী ও সমর্থকেরাও দেখতে পাচ্ছেন। তাই তৃণমূলের একা লড়াইয়ের ইঙ্গিতকে তাঁরা বেশ ভাল ও খুশি মনেই মেনে নিচ্ছেন।

তাছাড়া অতীতে দেখা গিয়েছে, রাজ্যে কোনও নির্বাচনে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে জোট হলেও সেই নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে গোঁজ প্রার্থী দাঁড় করিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবারেও সেই আসন সমঝোতা হলেও গোঁজ প্রার্থী দেওয়া ঠেকানো যেত না। বাংলার কংগ্রেস নেতারা বিজেপি অপেক্ষা তৃণমূলকে হারাতেই বেশি উদ্যোগী হয়েছেন যাতে তাঁরা নিজেরা আগামী দিনে নিশ্চিহ্নে বিজেপির দিকে পা বাড়াতে পারেন। এই বিষয়টি তৃণমূল কর্মীরাও বেশ ভালই জেনেন ও বোঝেন। তাই খোদ দলনেত্রী যখন জোট না গড়ে একা লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলেছেন তখন দলের কর্মীরাও খুশি যে বাংলার গদ্দারদের সঙ্গে আর জোট গড়ে লড়ে হবে না, এটা ভেবেই।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

ভোট মিটতেই একলাফে সিলিন্ডার পিছু ৯৯৪ টাকা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন হবে, এখনও খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন

‘মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে,’ স্ট্রং রুম থেকে বেরিয়ে বললেন মমতা, ক্ষোভ পুলিশের ভূমিকায়

কালবৈশাখীর মধ্যেই ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের পাহারায় মমতা

তৃণমূলের EVM-বিকৃতির অভিযোগ খারিজ কমিশনের, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে মোতায়েন বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

কার দখলে থাকবে বাংলা? সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যেই পূর্বাভাস দেবে ইভিএম

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ